বিশ্বকাপে ভ্রমণের দিক দিয়ে চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড, আর্জেন্টিনা অবস্থান কত

১৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪২ AM
 ইংল্যান্ড ফুটবল দল

ইংল্যান্ড ফুটবল দল © টিডিসি ফটো

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠা চার দলের মধ্যে ভ্রমণের দিক দিয়ে চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। দুই দেশ, আটটি শহর ঘুরে এবং মেক্সিকোর উচ্চতায় ম্যাচ খেলে সবচেয়ে বেশি পথ পাড়ি দিয়েছে থ্রি লায়ন্সরা। অন্যদিকে সবচেয়ে কম ভ্রমণ করে শেষ চারে উঠেছে ফ্রান্স। আর ভ্রমণের হিসাবে আর্জেন্টিনার অবস্থান তৃতীয়। লিওনেল মেসিদের মোট যাত্রাপথ ইংল্যান্ডের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১২ হাজার কিলোমিটার কম।

বিশ্বকাপে নিজেদের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেছিলেন, ‘সৌভাগ্যবশত আমরা অন্য দলগুলোর তুলনায় কম ভ্রমণ করেছি।’

তবে সঙ্গে সঙ্গেই তিনি যোগ করেছিলেন, ‘কিন্তু এটা এমন নয় যে কেউ আমাদের সাহায্য করেছে! আমরা যদি গ্রুপে দ্বিতীয় হতাম, তাহলে আমাদের সব জায়গায় ভ্রমণ করতে হতো।’

স্কালোনির মতে, বিশ্বকাপের মতো দীর্ঘ প্রতিযোগিতায় বিশ্রাম খুব গুরুত্বপূর্ণ। এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা টুর্নামেন্টে ভেন্যুর দূরত্ব, সময়ের পার্থক্য, প্রচণ্ড গরম এবং যাতায়াতের জটিলতা খেলোয়াড়দের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

সেমিফাইনালে ওঠা চার দলের ভ্রমণের হিসাবেও বড় পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। ইংল্যান্ড সবচেয়ে বেশি পথ পাড়ি দিয়েছে, আর সবচেয়ে কম ভ্রমণ করেছে ফ্রান্স। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, চারটি দলই নিজেদের গ্রুপে প্রথম হয়েছিল।

স্পেন: ১৪ হাজার ২০০ কিলোমিটার

ভ্রমণের দিক দিয়ে স্পেন রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। লা রোহা এখন পর্যন্ত প্রায় ১৪ হাজার ২০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেছে।

স্পেন যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যের চ্যাটানুগায় নিজেদের ক্যাম্প তৈরি করেছিল। সেখান থেকে তারা দুইবার আটলান্টায় যায়, যেখানে কেপ ভার্দে ও সৌদি আরবের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ খেলতে তাদের যেতে হয় মেক্সিকোর গুয়াদালাজারায়। সেখানে উরুগুয়ের মুখোমুখি হয় তারা।

শেষ ষোলোতে ওঠার পর চ্যাটানুগায় ফিরে এসে পুরো যুক্তরাষ্ট্র অতিক্রম করে লস অ্যাঞ্জেলসে যায় স্পেন। সেখানে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ খেলে তারা। এরপর কোয়ার্টার ফাইনালে ডালাসে পর্তুগালের মুখোমুখি হয়। পরে আবার লস অ্যাঞ্জেলসে ফিরে বেলজিয়ামের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলে।

ফ্রান্সের বিপক্ষে সেমিফাইনাল খেলতে ডালাসে পৌঁছানোর পর স্পেনের মোট ভ্রমণ দাঁড়াবে প্রায় ১৪ হাজার ২০০ কিলোমিটার।

আরও পড়ুন: সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কেমন হবে আর্জেন্টিনার একাদশ, আলোচনায় ২ ফুটবলার

ফ্রান্স: ৫ হাজার ৫০০ কিলোমিটার

সেমিফাইনালে ওঠা দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম ভ্রমণ করেছে ফ্রান্স। তাদের মোট যাত্রাপথ প্রায় ৫ হাজার ৫০০ কিলোমিটার।

বিশ্বকাপে ভেন্যু বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকলে অনেক দলই সম্ভবত ফ্রান্সের মতো সূচি চাইত। ফরাসি দল ম্যাসাচুসেটসের ওয়ালথামে নিজেদের ক্যাম্প করেছিল। সেখান থেকে বাসে মাত্র ২৫ মিনিট দূরে ছিল বোস্টন।

গ্রুপ পর্বে ফ্রান্সকে কখনোই ৪৩৫ কিলোমিটারের বেশি ভ্রমণ করতে হয়নি। নিউ জার্সি, ফিলাডেলফিয়া ও বোস্টনে ম্যাচ খেলেছে তারা। নকআউট পর্বেও প্রায় একই ভেন্যু ও একই রুট ধরে এগিয়েছে ফরাসিরা।

সেমিফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে খেলতে ডালাসে যাওয়াই ছিল তাদের সবচেয়ে বড় ভ্রমণ। সব মিলিয়ে ফ্রান্সের মোট যাত্রাপথ দাঁড়াবে প্রায় ৫ হাজার ৫০০ কিলোমিটার।

আর্জেন্টিনা: ৮ হাজার ২৫ কিলোমিটার

ভ্রমণের দিক দিয়ে আর্জেন্টিনার অবস্থান তৃতীয়। বিশ্বকাপের শেষ চারে ওঠার পথে লিওনেল মেসির দল মোট প্রায় ৮ হাজার ২৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছে।

বিশ্বকাপের মাঝপথে নিজেদের ক্যাম্প পরিবর্তন করেছে আর্জেন্টিনা। শুরুতে তারা কানসাস সিটিতে ছিল। পরে শেষ ষোলোর আগে মিয়ামিতে যায় এবং কোয়ার্টার ফাইনালের জন্য আবার কানসাস সিটিতে ফিরে আসে।

কানসাস থেকেই বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলেছিল আর্জেন্টিনা। এরপর অস্ট্রিয়া ও জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে তারা ডালাসে যাওয়া-আসা করে।

গ্রুপে প্রথম হওয়ায় শেষ ষোলোর ম্যাচ খেলতে তাদের যেতে হয় মিয়ামিতে। সেখানে ইন্টার মায়ামির অনুশীলন মাঠে প্রস্তুতি নেয় দলটি। এরপর মিসরের বিপক্ষে ঐতিহাসিক ম্যাচ খেলতে আটলান্টায় যায় আর্জেন্টিনা।

কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে আবার কানসাস সিটিতে ফিরে আসে লিওনেল মেসির দল। সেখান থেকেই সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে আটলান্টার উদ্দেশে রওনা হবে তারা।

সব মিলিয়ে আর্জেন্টিনার মোট ভ্রমণ দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ২৫ কিলোমিটার।

ইংল্যান্ড: ২০ হাজার ৬০০ কিলোমিটার

সেমিফাইনালিস্টদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভ্রমণ করেছে ইংল্যান্ড। দুই দেশ, আটটি শহর ঘুরে বিশ্বকাপের শেষ চারে পৌঁছেছে তারা। তাদের মোট যাত্রাপথ প্রায় ২০ হাজার ৬০০ কিলোমিটার।

ইংল্যান্ডও আর্জেন্টিনার মতো কানসাস সিটিতে নিজেদের ক্যাম্প করেছিল। তবে বিশ্বকাপে খেলা ছয়টি ম্যাচের একটিও তারা সেখানে খেলেনি। সেমিফাইনাল ধরলে সাতটি ম্যাচ হবে।

কানসাস থেকে ইংল্যান্ড দল ভ্রমণ করেছে ডালাস, বোস্টন, নিউ জার্সি, আটলান্টা, মেক্সিকো সিটি ও মিয়ামিতে।

মেক্সিকো সিটিতে যাওয়ার আগে ইংল্যান্ড কোচ থমাস টুখেল নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি দূরত্ব নিয়ে নয়, বরং উচ্চতা নিয়ে চিন্তা প্রকাশ করেন। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ২৪০ মিটার ওপরে অবস্থিত মেক্সিকো সিটিতে খেলা ইংল্যান্ডের জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ ছিল বলে মনে করেন তিনি।

এখন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেমিফাইনাল খেলতে আটলান্টায় যাওয়ার সময় ইংল্যান্ডই হবে চলতি বিশ্বকাপে টিকে থাকা চার দলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভ্রমণ করা দল। তাদের মোট পথ পাড়ি দেওয়ার পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ২০ হাজার ৬০০ কিলোমিটার।

প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে ফেনীর ৬২ প্রাথমিক বিদ্যালয়, দায়িত্…
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ, এসআইসহ আহত ৪
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিদ্যালয়ে আনা শিক্ষার্থীর আইফোন ভাঙলেন শিক্ষক
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নারী খেলোয়াড়দের উত্ত্যক্ত, প্রতিবাদ করার হামলা— যুবক আটক
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘তুই ফ্যাসিস্ট, ১৩ লক্ষ টাকা চাঁদা দে, না হয় এলাকা ছাড়’
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
টঙ্গীতে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় স্কুলছাত্র নিহত
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
FALL 2026
Application Deadline Wednesday, 16 Sept 2026
Apply Now

Admission Test Schedule

  • Test Date: Friday, 18 Sept 2026
  • Written Exam: 10:00 – 11:00 AM
  • Oral Viva: 11:30 AM onwards

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9