মেসিকে তল্লাশি © টিডিসি ফটো
২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর ম্যাচ খেলতে মায়ামিতে পৌঁছেই কঠোর নিরাপত্তা তল্লাশির মুখে পড়েছেন লিওনেল মেসি। ইন্টার মায়ামির ফুটবলার হওয়ায় কোনো বিশেষ সুবিধা পাননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। বরং সতীর্থদের মতোই মেটাল ডিটেক্টরের মধ্য দিয়ে নিরাপত্তা পরীক্ষা দিতে হয়েছে তাকে। তবে পুরো প্রক্রিয়াজুড়েই হাসিমুখে ছিলেন মেসি, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা গেছে।
চমক জাগানো দল কেপ ভার্দের বিপক্ষে ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর ম্যাচ খেলতে ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে পৌঁছেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। বিমান থেকে নামার পরই পুরো দলকে কঠোর নিরাপত্তা তল্লাশির মধ্য দিয়ে যেতে হয়।
বিমানবন্দরের মূল টার্মিনালে প্রবেশের আগেই রানওয়েতে আর্জেন্টিনা দলের সব খেলোয়াড়কে নিরাপত্তা পরীক্ষা করা হয়। প্রত্যেককে মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি দেওয়া হয়।
ইন্টার মায়ামির হয়ে ক্লাব ফুটবল খেললেও লিওনেল মেসির জন্য কোনো আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়নি। আটবারের ব্যালন ডি'অরজয়ী এই তারকাকেও অন্য সবার মতো একই নিয়ম মেনে নিরাপত্তা পরীক্ষা দিতে হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মেসি নিজের ব্যাগ ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্র নিরাপত্তাকর্মীদের হাতে তুলে দেন। এরপর তিনি পাশে দাঁড়িয়ে পুরো প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার অপেক্ষা করেন। অপেক্ষার পুরো সময়জুড়েই তার মুখে ছিল হাসি। অস্বাভাবিক এই নিরাপত্তা তল্লাশিকে তিনি বেশ উপভোগই করছিলেন বলে ভিডিও দেখে মনে হয়েছে।
কয়েক মিনিট পর এক নিরাপত্তাকর্মী মেসির সব জিনিসপত্র আবার যত্ন করে স্যুটকেসে গুছিয়ে দেন। এরপর সেটি তার হাতে তুলে দেওয়া হয়। এ সময় আর্জেন্টিনার অন্য খেলোয়াড়রাও সারিবদ্ধভাবে একই ধরনের নিরাপত্তা পরীক্ষা সম্পন্ন করেন।
২০২৬ বিশ্বকাপ উপলক্ষে নেওয়া বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবেই এই তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কা বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্রের আয়োজক শহরগুলোতে পৌঁছানোর পর বিমান থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গেই সব যাত্রীকে নিরাপত্তা পরীক্ষার আওতায় আনা হচ্ছে।
বিশ্বকাপ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রে ম্যাচ খেলতে আসা প্রতিটি দলই একই ধরনের নিরাপত্তা তল্লাশির মধ্য দিয়ে গেছে। আর্জেন্টিনা এবার প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রে ম্যাচ খেলতে আসায় তাদেরও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়েছে।
২০২৬ বিশ্বকাপে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখন অন্যতম আলোচিত বিষয়। বিশেষ করে রানওয়েতেই এভাবে নিরাপত্তা তল্লাশি চালানোর সিদ্ধান্ত কতটা কার্যকর, তা নিয়েও বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।