ইংল্যান্ড-পানামা ম্যাচ © সংগৃহীত
আগেই নকআউট নিশ্চিত করেছিল ইংল্যান্ড। লক্ষ্য ছিল গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে পানামাকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই শেষ ৩২-এ ওঠা। আর জুড বেলিংহাম ও হ্যারি কেইনের জোড়া আঘাতে হার এড়াতে পারেনি পানামাও। ২-০ গোলের জয়ে গ্রুপসেরা হিসেবেই পরের পর্বে জায়গা করে নিয়েছে থ্রি লায়ন্সরা।
নিউজার্সির স্টেডিয়ামে ম্যাচের ৬২তম মিনিটে জুড বেলিংহাম গোল করে অচলাবস্থা ভাঙেন। এরপর ৬৭তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন হ্যারি কেইন। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড নিজের করে নেন তিনি। ১১তম বিশ্বকাপ গোল করে পেছনে ফেলেন গ্যারি লিনেকারের ১০ গোলের কীর্তি।
এই জয়ে তিন ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। অন্যদিকে টানা তিন ম্যাচ হেরে কোনো পয়েন্ট ছাড়াই বিদায় নিয়েছে পানামা। একই গ্রুপের অন্য ম্যাচে ঘানাকে ২-১ গোলে হারিয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ হয়েছে ক্রোয়েশিয়া। এ ছাড়া হেরেও ৪ পয়েন্ট নিয়ে সেরা তৃতীয় দল হিসেবে নকআউটে জায়গা করে নিয়েছে ঘানা।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য ছিল ইংল্যান্ডের। তবে পানামার ঘন রক্ষণ ভাঙতে বেশ বেগ পেতে হয় বেলিংহাম, সাকা, রাশফোর্ডদের। ৩৩ মিনিটে ও'রাইলির হেড অল্পের জন্য বাইরে চলে যায়। এরপর রাশফোর্ড ও বেলিংহামও সুযোগ পেলেও গোলের দেখা মেলেনি। ফলে গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সহজ সুযোগ নষ্ট করেন হ্যারি কেইন। ৫২ মিনিটে রাশফোর্ডের নিখুঁত ক্রস ছোট বক্সে পেলেও ঠিকমতো শট নিতে পারেননি ইংলিশ অধিনায়ক।
তবে ৬২ মিনিটে আর ভুল হয়নি। বুকায়ো সাকার কর্নার থেকে বক্সে ভেসে আসা বলে দারুণ সাইড ভলিতে জাল খুঁজে নেন জুড বেলিংহাম। দুই মিনিট পরই সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল পানামা, কিন্তু ফাঁকা গোলেও লক্ষ্যভ্রষ্ট হন হার্ভে।
এরপর ৬৭ মিনিটে বেলিংহামের দারুণ ক্রস থেকে হেডে ব্যবধান ২-০ করেন কেইন। সেই গোলেই গড়েন নতুন ইতিহাস। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হলে স্বস্তির জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড।