ভিনিসিউস জুনিয়র © সংগৃহীত
মরক্কোর পর হাইতির বিপক্ষেও গোল ও অ্যাসিস্ট করে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন ব্রাজিল তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তবে পুরস্কার হিসেবে পাওয়া বিয়ার তার কোনো কাজে আসেনি, কারণ তিনি নিজে বিয়ার পান করেন না। বরং তিনি ভাত-জাতীয় খাবারই বেশি পছন্দ করেন বলে জানিয়েছেন এই ফরোয়ার্ড।
ফিলাডেলফিয়ার স্টেডিয়ামে ম্যাচে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ভিনিসিয়ুস গোল করেন। মাঝমাঠ থেকে লুকাস পাকেতার নিখুঁত লং পাস বাতাসে ভাসতে ভাসতে তার কাছে পৌঁছায়। হাইতির অফসাইড ট্র্যাপ ভেঙে ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি, যা ম্যাচে ব্রাজিলকে বড় স্বস্তি এনে দেয়।
ম্যাচ শেষে পুরস্কার হাতে নিয়েও নিজের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে হাস্যরস করেন ভিনিসিয়ুস। তিনি বলেন, ‘আমি বিয়ার পান করি না, তাই এটি আমার জন্য আরও জটিল, তবে আমরা সবসময় আমার বন্ধুদের সাথে ভাত, বিনস, ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের সঙ্গে মাংস খাই, আমি মনে করি এটিই আমার প্রিয় খাবার।’
মাঠের পারফরম্যান্স নিয়ে তিনি আরও বলেন, হাইতির বিপক্ষে কৌশলগতভাবে দল ভালো খেলেছে। প্রথম ম্যাচের ড্রয়ের চাপ কাটিয়ে খেলোয়াড়রা এবার অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যে ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
জোড়া গোল করা মাথিয়াস কুনহাকে নিয়েও প্রশংসা করেন ভিনিসিয়ুস। তিনি বলেন, ‘প্রতিপক্ষের ওপর নির্ভর করেই খেলোয়াড় ও ফরমেশন ঠিক করা হয়। কুনিয়া খুব ভালো খেলেছে, সে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে এভাবেই খেলে, একজন ফলস নাইনে হিসেবে, যেখানে সে পাকেতা এবং ব্রুনোর কাছাকাছি আসতে পারে এবং ভেতরে আরও বেশি খেলোয়াড় পেতে পারে। সে দুটি গোল করেছে, আমি তার জন্য খুব খুশি। সে তার সেরা মানে থাকার জন্য কঠোর পরিশ্রম করে।’
অভিষেক ম্যাচের চাপ ও কৌশল পরিবর্তন নিয়েও নিজের অভিজ্ঞতা জানান এই ব্রাজিল তারকা। তিনি বলেন, ‘অভিষেকের চাপ আমাদের ওপর ভারী হয়ে চেপেছিল। আজ খেলোয়াড়েরা আরও স্বাচ্ছন্দ্য ছিল। আমাদের খেলার ধরন আরও ভালো ছিল। কোচ আমাকে মাঝখানে খেলার কথা বলেছিলেন। আমি এটি সত্যিই পছন্দ করি না, তবে যখনই মাঝখানে খেলি আমি গোল করি (হাসি)। আমি জানি আমি শুনব এবং আমাকে আরও প্রায়ই মাঝখানে খেলতে হবে।’