বিশ্বমঞ্চে অপ্রতিরোধ্য গতি: আশার আলো দেখছে এশিয়ার ফুটবল

১৫ জুন ২০২৬, ০৯:৫৮ AM
ফুটবলে এশিয়ান পাওয়ার

ফুটবলে এশিয়ান পাওয়ার © এআই জেনারেটেড ছবি

বিশ্বকাপের মঞ্চ মানেই ল্যাটিন আমেরিকা আর ইউরোপের পরাশক্তিদের দাপট—ফুটবল দুনিয়ার এই চেনা সমীকরণ এবার এক ঝটকায় বদলে দিচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো। মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের জাত চিনিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত অপরাজিত রয়েছে এশিয়ার প্রতিনিধিরা। একের পর এক শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে রুখে দিয়ে কিংবা হারিয়ে নক-আউটের স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছে মহাদেশটি।

এশিয়ার ফুটবল যে এখন আর কেবল ‘অংশগ্রহণকারী’র ভূমিকায় সীমাবদ্ধ নেই, তার প্রমাণ মিলছে গ্রুপ পর্বের শুরু থেকেই। পরাশক্তিদের চোখে চোখ রেখে লড়াই করার মানসিকতা এশিয়ার দলগুলোকে দেখাচ্ছে এক নতুন আশার আলো।

সুইজারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল কাতার ও জাপান

চলতি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় চমকগুলোর একটি দেখিয়েছে স্বাগতিক কাতার। ইউরোপের অন্যতম সুশৃঙ্খল দল সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল তারা। প্রত্যয়ী ফুটবল আর দুর্দান্ত কৌশলের ওপর ভর করে সুইসদের রুখে দিয়েছে কাতার। ম্যাচটি ড্র করে মূল্যবান ১ পয়েন্ট তুলে নেওয়ার পাশাপাশি নিজেদের আত্মবিশ্বাস আকাশচুম্বী করে নিয়েছে মরুর দেশের ফুটবলাররা।

অন্যদিকে, আসরের অন্যতম হট ফেভারিট নেদারল্যান্ডসের মুখোমুখি হয়েছিল এশিয়ান জায়ান্ট জাপান। ডাচদের গতি আর আক্রমণভাগকে বোতলবন্দি করে মাঠ ছাড়ে সামুরাই ব্লু-রা। পুরো ম্যাচে নিখুঁত পাসের চাদর বুনে ডাচদের সাথে ড্র করে মাঠ ছাড়ে জাপান। ইউরোপের এই দুই পরাশক্তিকে রুখে দিয়ে কাতার ও জাপান প্রমাণ করেছে, রক্ষণ আর আক্রমণ—দুই বিভাগেই তারা বিশ্বমানের।

দক্ষিণ কোরিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার দাপুটে জয়

কেবল ড্র করে পয়েন্ট ভাগাভাগি করাই নয়, পূর্ণ ৩ পয়েন্ট তুলে নিয়ে বিশ্বমঞ্চে হুংকার ছেড়েছে দক্ষিণ কোরিয়া ও অস্ট্রেলিয়া। নিজেদের ম্যাচে মাঠে নেমে প্রতিপক্ষকে কোনো সুযোগই দেয়নি কোরিয়ানরা। গতিশীল ফুটবল আর চতুর ড্রিবলিংয়ের প্রদর্শনীতে তারা তুলে নিয়েছে এক দুর্দান্ত জয়।

পিছিয়ে নেই ওশেনিয়া অঞ্চল থেকে এশিয়ান কোটায় খেলা অস্ট্রেলিয়াও। সকারুজরা তাদের চেনা শারীরিক ফুটবল আর হাই-প্রেসিং গেম দিয়ে প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট পকেটে পুরেছে। এই দুই জয়ের ফলে নক-আউট পর্বের দৌড়ে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে চলে গেছে দল দুটি।

এশিয়ান ফুটবলের নতুন সূর্যোদয়

ফুটবল পণ্ডিতদের মতে, এশিয়ার দলগুলোর এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে তাদের ঘরোয়া লিগের মানোন্নয়ন এবং ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোতে এশিয়ান ফুটবলারদের নিয়মিত খেলার অভিজ্ঞতা। মাঠে নেমে এখন আর কোনো বড় দলকে ভয় পায় না তারা।

এখন পর্যন্ত অপরাজিত থাকার এই অবিশ্বাস্য ধারা বজায় রেখে এশিয়ার দেশগুলো যদি নক-আউট পর্বে পা রাখতে পারে, তবে এই বিশ্বকাপটি হতে যাচ্ছে এশিয়ান ফুটবলের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মাইলফলক। কাতার, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া আর অস্ট্রেলিয়ার হাত ধরে এশিয়ান ফুটবলে যে নতুন সূর্যোদয় ঘটেছে, তা ধরে রাখাই এখন তাদের মূল লক্ষ্য।

বিদেশগমনে নিয়েছিলেন বিভাগীয় সুপারিশ, বার কাউন্সিল প্রিলিতেও…
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সরকারিকরণ হচ্ছে ভোলার তিন শিক্ষা প…
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদকে আদালতে হাজির হতে বিজ্ঞপ্তি প…
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশপ্রধানের মৃত্যুদণ্ড
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
জৈন্তাপুরে ফের হামলার শিকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
  • ৩১ জুলাই ২০২৬
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ শিক্ষক নিয়োগ দেবে বিভিন্ন বিভাগে, আব…
  • ৩১ জুলাই ২০২৬