ব্রাজিল ম্যাচের স্মৃতি ফিরিয়ে ৭–১ গোলের জয় জার্মানির

১৫ জুন ২০২৬, ০১:০৪ AM , আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬, ০১:২১ AM
জার্মানির ৭-১ গোলের জয়ে ফিরল ব্রাজিলের সেই দুঃস্বপ্ন

জার্মানির ৭-১ গোলের জয়ে ফিরল ব্রাজিলের সেই দুঃস্বপ্ন © সংগৃহীত

ফুটবল দুনিয়ায় আবারও ফিরে এল সেই ৭–১ স্কোরলাইন, যা এখনও অনেকের কাছে এক ভয়াবহ স্মৃতি। একপেশে আক্রমণাত্মক ফুটবলে প্রতিপক্ষকে বিধ্বস্ত করে বড় ব্যবধানে জয় তুলে নিল জার্মানি।

ম্যাচের শুরু থেকেই আগ্রাসী ও গতিময় ফুটবল খেলতে থাকে জার্মানি। এতে মাত্র ষষ্ঠ মিনিটেই সেই আগ্রাসনের ফল পেয়ে যায় জার্মানি। মাঝমাঠে দারুণ সমন্বয়ের পর ফ্লোরিয়ান ভির্টজের নিখুঁত পাস থেকে বক্সের ভেতর সুযোগ তৈরি করেন ফেলিক্স এনমেচা। কোনো দেরি না করে এক দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। এই গোল শুধু দলকে এগিয়ে নেয়নি, বরং বিশ্বকাপ অভিষেকেই গোল করার মাধ্যমে এনমেচা নিজের নাম ইতিহাসে লিখে ফেলেন।

প্রথম গোলের পর আক্রমণের ঢেউ আরও তীব্র হয় জার্মানির। একের পর এক আক্রমণে কুরাসাওয়ের রক্ষণভাগ পুরোপুরি ব্যস্ত হয়ে পড়ে। তবে লড়াই ছাড়েনি ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্রটি। ২১তম মিনিটে তারা পায় ঐতিহাসিক এক মুহূর্ত—লিভানো কোমেনেনসিয়ার দারুণ এক আক্রমণ থেকে নেওয়া বাঁ-পায়ের জোরালো শট জশুয়া কিমিখের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে চলে যায় জালে। বিশ্বকাপে কুরাসাওয়ের ইতিহাসে এটিই ছিল প্রথম গোল, আর সেই মুহূর্তে স্টেডিয়ামে তৈরি হয় এক আবেগঘন পরিবেশ।

গোল হজমের পর কিছুটা সময় জার্মানির ছন্দে ভাটা পড়ে। তবে অভিজ্ঞতা ও মানের পার্থক্য দ্রুতই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ৩৮ মিনিটে কর্নার থেকে ব্রাউনের নিখুঁত ডেলিভারিতে আনমার্কড অবস্থায় থাকা নিকো শ্লটারবেক দুর্দান্ত হেডে বল জালে পাঠান। এই গোলে আবারও লিড ফিরে পায় জার্মানি এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তভাবে ধরে নেয়।

প্রথমার্ধের শেষদিকে, যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ায় জার্মানি। বক্সের ভেতর ফেলিক্স এনমেচাকে ফাউল করলে রেফারি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। স্পট কিক থেকে ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠান কাই হাভার্টজ। বিরতিতে জার্মানি যায় ৩–১ ব্যবধানে স্বস্তিদায়ক লিড নিয়ে।

দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামে আরও সংগঠিত ও ধারালো জার্মানি। ৫২ মিনিটে ইয়োশুয়া কিমিখের চমৎকার পাস ধরে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে নিজের নাম স্কোরশিটে তোলেন জামাল মুসিয়ালা। তার গোলেই ব্যবধান দাঁড়ায় ৪–১, আর কুরাসাওয়ের ওপর চাপ আরও বেড়ে যায়।

এরপর ম্যাচ পুরোপুরি একপেশে হয়ে পড়ে। ৬৮ মিনিটে আক্রমণে উঠে এসে দারুণ সমাপ্তি টেনে দলের হয়ে পঞ্চম গোল করেন লেফট-ব্যাক নাথানিয়েল ব্রাউন। রক্ষণভাগের খেলোয়াড় হয়েও আক্রমণে উঠে তার এই গোল জার্মানির আধিপত্যকে আরও স্পষ্ট করে তোলে।

গোল উৎসব থামার কোনো লক্ষণই ছিল না। ৭৮ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে ডেনিজ উন্দাভও নিজের নাম লেখান গোলদাতাদের তালিকায়। তার গোলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৬–১, আর তখনই স্পষ্ট হয়ে যায়—আরেকটি বড় স্কোরলাইন অপেক্ষা করছে।

ম্যাচের শেষভাগে যেন ফিরে আসে ফুটবল ইতিহাসের এক পরিচিত ছায়া—২০১৪ সালের সেই ৭–১ স্মৃতি, যেখানে ব্রাজিলকে বিধ্বস্ত করেছিল জার্মানি। সেই স্মৃতিকে আরও উসকে দিয়ে ম্যাচের সপ্তম ও শেষ গোলটিও আসে জার্মান শিবির থেকেই। এবার দ্বিতীয়বারের মতো গোল করেন কাই হাভার্টজ। তার নিখুঁত ফিনিশিংয়ে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৭–১।

শেষ পর্যন্ত একের পর এক আক্রমণে কুরাসাওকে পুরোপুরি কোণঠাসা করে ফেলে জার্মানি। আর এই বড় জয় শুধু তিন পয়েন্ট নয়, বরং টুর্নামেন্টে শক্ত বার্তাও দিয়ে গেল জার্মান দল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা-বরাদ্দে নতুন নিয়ম শিক্ষকদের অ্যাকাডে…
  • ০৬ জুলাই ২০২৬
ঢাকাগামী প্রভাতী ট্রেন চালুসহ ৬ দাবিতে যশোর রেলওয়ে জংশনে অব…
  • ০৬ জুলাই ২০২৬
দেশের সব মাদ্রাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা
  • ০৬ জুলাই ২০২৬
ছানি অপারেশনের অভাবে অন্ধত্বে ভুগছে ১০ লাখ মানুষ, আলো ফেরাত…
  • ০৬ জুলাই ২০২৬
ট্রাক্টর উল্টে চালকের মৃত্যু, আহত হেলপার
  • ০৬ জুলাই ২০২৬
মাদ্রাসা বোর্ডের এইচএসসির প্রশ্নে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান, দুই …
  • ০৬ জুলাই ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • JULY 26, 2026
  • Admission Test
  • AUGUST 01, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
FALL 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence