প্রস্তুতি ম্যাচে নজর কাড়লেন আর্জেন্টিনার যে ৫ ফুটবলার

১০ জুন ২০২৬, ১০:৪৩ AM
কোলাজ ছবি

কোলাজ ছবি © টিডিসি সম্পাদিত

বিশ্বকাপের আগে হন্ডুরাস ও আইসল্যান্ডের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত দুই প্রীতি ম্যাচে নিজেদের দক্ষতা ও সামর্থ্যের প্রমাণ দিলেন আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের একাধিক ফুটবলার। নিয়মিত একাদশের বেশ কয়েকজনকে বিশ্রাম দিয়ে কোচ লিওনেল স্কালোনি সুযোগ দেন তুলনামূলক কম খেলার সুযোগ পাওয়া ফুটবলারদের। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে গেছেন অন্তত পাঁচজন ফুটবলার।

দুই ম্যাচের মূল লক্ষ্য ছিল সব খেলোয়াড়কে ফিট রাখা এবং বিশ্বকাপের আগে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিশ্চিত করা। আর্জেন্টিনা শিবিরে স্বস্তি ফিরেছে।কারণ কোনো বড় ধরনের ইনজুরি ছাড়াই সবাই সুস্থ অবস্থায় রয়েছে। মাঠের পারফরম্যান্সে কয়েকজন ফুটবলার আলাদা করে নজর কেড়েছেন, যারা কোচের পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে উঠতে পারেন।

এক্সেকিয়েল পালাসিওস: মাঝমাঠে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসেন এক্সেকিয়েল পালাসিওস। তিনি দুই ম্যাচেই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের ভূমিকায় খেলেন। সাধারণত তিনি বেশি আক্রমণাত্মক ভূমিকায় থাকলেও এবার তাকে কিছুটা পেছনে নামানো হয়। এই ভূমিকায় তিনি খেলায় নিয়ন্ত্রণ আনেন এবং বল বিতরণে দক্ষতা দেখান। বিশেষ করে লিওনার্দো পারেদেসের অনুপস্থিতিতে তিনি কোচিং স্টাফের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হিসেবে উঠে আসেন।

ভ্যালেন্তিন বারকো: এই ম্যাচগুলোতে নজর কাড়েন তরুণ ভ্যালেন্তিন বারকো। ডিফেন্সিভ দিক থেকে কিছুটা সংগ্রাম করলেও বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং সৃজনশীলতায় তিনি দলের আক্রমণে গতি আনেন। দর্শকদের ভোটে তিনি ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন। আইসল্যান্ডের বিপক্ষে দ্রুত গোল করে দলকে এগিয়ে দেন এবং নিকোলাস পাজকে একটি দারুণ পাস দেন, যা থেকে আরেকটি গোলের সুযোগ তৈরি হয়। কোচিং স্টাফের কাছে তিনি এখন ভবিষ্যতের বড় সম্ভাবনাময় নাম।

জিওভানি লো সেলসো: মাঝমাঠে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন জিওভানি লো সেলসো। প্রথম ম্যাচে তিনি আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগে প্রাণ ফেরান। তিনি শট নেন, পাস বাড়ান এবং আক্রমণ তৈরি করেন। তার গতি ও পাসিং দলের খেলায় ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। কোচের আস্থার প্রতিদান দিয়ে তিনি প্রমাণ করেন, প্রয়োজনে তিনি আক্রমণভাগে গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হতে পারেন।

জিউলিয়ানো সিমিওনে: দুই ম্যাচে বড় প্রভাব ফেলেন জিউলিয়ানো সিমিওনে। হন্ডুরাসের বিপক্ষে শুরুতে তিনি বাম দিক থেকে খেলেন, পরে ডান দিকে গিয়ে বেশি কার্যকর হন। সেখানে তিনি বারবার প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে আক্রমণ তৈরি করেন। আইসল্যান্ডের বিপক্ষে ডান দিকেই শুরু করে আরও ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখান। তার গতি, চপলতা ও আক্রমণাত্মক দৌড় কোচিং স্টাফকে নতুন বিকল্পের ইঙ্গিত দেয়।

লাউতারো মার্তিনেজ: আক্রমণভাগে আবারও নিজের মান প্রমাণ করেন লাউতারো মার্তিনেজ। তিনি হন্ডুরাসের বিপক্ষে গোল করেন এবং পুরো ম্যাচে আক্রমণে ধারাবাহিক ছিলেন। আইসল্যান্ডের বিপক্ষেও তিনি একাধিক সুযোগ তৈরি করেন এবং পেনাল্টি আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তার পারফরম্যান্স কোচকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—অন্য কোনো ফরোয়ার্ড শতভাগ ফিট না থাকলে তিনিই হতে পারেন মূল ভরসা।

সব মিলিয়ে দুইটি প্রস্তুতি ম্যাচ আর্জেন্টিনা দলের জন্য হয়ে উঠেছে পরীক্ষার মঞ্চ। সেখানে নতুন ও কম সুযোগ পাওয়া ফুটবলাররা নিজেদের প্রমাণ করেছেন। বিশ্বকাপের স্কোয়াডে জায়গা পাওয়ার লড়াইয়ে তারা নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছেন।

অপারেটর নিয়োগ দেবে যমুনা ইলেকট্রনিকস, পদ ৩০, আবেদন এইচএসসি …
  • ১০ জুন ২০২৬
চকরিয়ায় পাচারকালে বিলুপ্ত প্রজাতির হনুমান ও ১২ কচ্ছপ উদ্ধার
  • ১০ জুন ২০২৬
আগে নিয়োগ, পরে প্রশিক্ষণ চান প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হ…
  • ১০ জুন ২০২৬
ব্যাভিচার মামলায় খালাস পেলেন নাসির-তামিমা
  • ১০ জুন ২০২৬
লাইনচ্যুত ট্রেন উদ্ধারে যাওয়া রিলিফ ট্রেনের চাকাও লাইনচ্যুত
  • ১০ জুন ২০২৬
নওগাঁয় মাদকবিরোধী অভিযানে মাদক কারবারি আটক
  • ১০ জুন ২০২৬