ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচ

মরক্কোর শক্তিশালী ডিফেন্স ভাঙবে কে, আলোচনায় দুই স্ট্রাইকার

০৮ জুন ২০২৬, ০৯:৫৩ AM
ইগর থিয়াগো ও  এন্ড্রিক

ইগর থিয়াগো ও এন্ড্রিক © সংগৃহীত

হেক্সা জয়ের মিশনে ব্রাজিলের প্রথম বাধা গতবারের সেমিফাইনাল খেলা মরক্কো। পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল এবার তাদের বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করবে ডিফেন্স নির্ভর দল মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। এই ম্যাচকে সামনে রেখে ব্রাজিল শিবিরে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন একটাই— মরক্কোর ডিফেন্স ভাঙতে একাদশে কে খেলবেন মূল স্ট্রাইকার হিসেবে। শুরুর একাদাশে স্ট্রাইকার পজিশনে দুই ভিন্ন ধাঁচের ফরোয়ার্ড লড়ছেন—অভিজ্ঞ ও শক্তিশালী ইগর থিয়াগো এবং তরুণ, ক্ষিপ্র ফিনিশার এন্ড্রিক।

ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি ১৩ জুন নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মরক্কোর বিপক্ষে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে কাকে শুরুর একাদশে রাখবেন সেই সিদ্ধান্ত এখন পুরো দলের কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

দুই স্ট্রাইকারই প্রস্তুতি ম্যাচে নিজেদের প্রমাণের চেষ্টা করেছেন। শেষ ম্যাচে ইগর থিয়াগো শুরুর একাদশে ছিলেন। তিনি কয়েকটি সুযোগ পেলেও গোল করতে পারেননি। মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর তাকে দুইবার ঠেকিয়ে দেন।

অন্যদিকে এন্ড্রিক বদলি নেমে ম্যাচের চিত্র বদলে দেন। তিনি মাত্র সাত মিনিটের মধ্যেই গোল করেন। রাফিনিয়ার নিচু ক্রস থেকে তিনি বল জালে পাঠান। এই গোলই ব্রাজিলকে ২–১ ব্যবধানে জেতায়।

এই ম্যাচেই দুই স্ট্রাইকারের পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। একজন সুযোগ তৈরি করেও কাজে লাগাতে পারেননি, অন্যজন অল্প সময়েই ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দেন।

তবে একটি ম্যাচের পারফরম্যান্স দিয়ে বিশ্বকাপের সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন। আনচেলত্তিও বিষয়টি ভালোভাবেই জানেন। তাই তিনি প্রস্তুতি ম্যাচের ফল নিয়ে অতিরিক্ত উচ্ছ্বাস দেখাননি।

ইগর থিয়াগো একেবারেই ক্লাসিক নাম্বার নাইন। তিনি শারীরিকভাবে শক্তিশালী, বল ধরে রাখতে পারেন এবং ডিফেন্ডারদের সঙ্গে লড়াই করতে পারেন। তিনি ব্রাজিলের উইঙ্গারদের জন্য আক্রমণের জায়গাও তৈরি করেন।

অন্যদিকে এন্ড্রিক সম্পূর্ণ ভিন্ন ধাঁচের খেলোয়াড়। তিনি দ্রুত সিদ্ধান্ত নেন এবং বক্সের ভেতর সুযোগ কাজে লাগাতে পারেন। তার বড় শক্তি হলো ইনস্টিংক্ট ও গোলের ক্ষুধা।

এই কারণে ব্রাজিলের সিদ্ধান্ত শুধু কৌশলগত নয়, মানসিকতারও বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ধীরে আক্রমণ গড়লে ইগর থিয়াগো বেশি কার্যকর। দ্রুত আক্রমণ ও প্রতিআক্রমণে এন্ড্রিক বেশি ভয়ংকর।

ব্রাজিলের আক্রমণভাগে রয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনিয়া এবং মাতেউস কুনহা। ফলে আনচেলত্তি চাইলে ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী স্ট্রাইকার পরিবর্তনও করতে পারেন।

এই ম্যাচে আনচেলত্তির কৌশলও পরিষ্কার হয়। রাফিনিয়া মাঝমাঠে নেমে এসে আক্রমণ তৈরি করেন এবং উইঙ্গাররা জায়গা খুঁজে নেয়। সেই সিস্টেমেই একজন ফিনিশারের গুরুত্ব আরও বাড়ে।

তবে ম্যাচে ইনজুরির ধাক্কাও খায় ব্রাজিল। ডান-ব্যাক ওয়েসলি মাঠ ছাড়েন, যা কোচের পরিকল্পনায় নতুন চাপ তৈরি করেছে।

মরক্কো অবশ্য সহজ প্রতিপক্ষ নয়। ২০২২ বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল খেলা দলটি অত্যন্ত সংগঠিত। তাদের ডিফেন্স কমপ্যাক্ট এবং জায়গা খুব কম দেয়।

এই ধরনের দলের বিপক্ষে সুযোগ পাওয়া কঠিন। তাই টার্গেট ম্যান স্ট্রাইকার বেশি কার্যকর হতে পারেন, কারণ তিনি বল ধরে রেখে আক্রমণ গড়ে দিতে পারেন।

এই যুক্তিতে ইগর থিয়াগো শুরুর একাদশে এগিয়ে থাকতে পারেন। আর এন্ড্রিক হতে পারেন ম্যাচের গতি বদলানোর অস্ত্র, যাকে পরে নামানো হবে।

১৩ জুন নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে গ্রুপ সি–এর এই ম্যাচ শুরু হবে। সিদ্ধান্ত যাই হোক, ব্রাজিলের কাছে এখন সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো—তাদের হাতে একাধিক কার্যকর স্ট্রাইকার আছে।

সেনা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে চাকরি, আবেদন ২৬ আগস্ট পর্যন…
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
চার উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারির নিয়োগ ফল স্থগিত
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়িয়ে তিন চোরকে ছেড়ে দিলেন এলাকাবাসী
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
আমেরিকায় গিয়ে দেশে না ফেরায় ঢাবি অধ্যাপককে অব্যাহতি
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৫ পদে রদবদল
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
ব্যবহারিক পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল এইচএসসি পরী…
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬