সামরিক প্রশিক্ষণে যাচ্ছেন বিটিএস সদস্যরা

১৭ অক্টোবর ২০২২, ১১:১৭ PM
বিটিএস সদস্যরা

বিটিএস সদস্যরা © ফাইল ফটো

দেশের আইন উপেক্ষার উপায় নেই, তাই সামরিক প্রশিক্ষণে যাওয়ার প্রস্তুতিই নিচ্ছেন বিটিএস সদস্যরা। দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় পপ ব্যান্ডের এই সদস্যরা সেই পথে এগোচ্ছেন বলে তাদের এজেন্টদের বরাতে সিএনএন জানিয়েছে।

প্রশিক্ষণ নিতে প্রথমে যাচ্ছেন বিটিএসের জ্যেষ্ঠতম সদস্য জিন; এ মাসের শেষেই তিনি যাচ্ছেন সেনা শিবিরে। প্রতিবেশী দেশ উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বিবাদের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ায় সব নাগরিকের সামরিক প্রশিক্ষণ নেওয়া বাধ্যতামূলক। ২৮ বছর বয়স হলেই দেড় বছরের জন্য এই প্রশিক্ষণ নিতে হয়।

বিশ্বজুড়ে সাড়া ফেলা কে-পপ ব্যান্ড দলের সদস্যদের সেই বয়স ঘনিয়ে আসায় তাদের সামরিক প্রশিক্ষণে যেতে হবে কি না, তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছিল। এর মধ্যে ২০২২ সালে আইন সংশোধন করে বিশেষ ক্ষেত্রে বয়সসীমা শিথিল করে ৩০ বছর করা হয়।

যার ফলে জিনের এতদিন সামরিক প্রশিক্ষণে যেতে হয়নি। এ বছর তার বয়স ৩০ বছরপূর্ণ হওয়ায় তিনিই আগে যাচ্ছেন সেনা শিবিরে। এরপর তাকে অনুসরণ করবেন ব্যান্ডের অন্য সদস্যরা। তাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠজনের বয়স ২৪ বছর।

গত সোমবার ব্যান্ড পরিচালকদের এক বিবৃতিতে বলা হয়, সংগীতশিল্পীরা তাদের দায়িত্ব পালনে যাচ্ছেন। জিন শুরুতে প্রস্তুত না থাকলেও বর্তমানে সামরিক বাহিনীতে যোগ দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

গত দুই বছর ধরে এই কে-পপ গ্রুপের অ্যালবাম বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে। আলোড়ন তুলেছে তাদের ডায়নামাইট ও বাটারের মতো গানগুলো।

বিটিএস সদস্যদের সামরিক প্রশিক্ষণে গেলে তাদের গান থেকে বঞ্চিত হওয়ার আক্ষেপে পুড়ছেন তাদের অগুনতি ভক্ত।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিটিএস সদস্যরা সামরিক বাহিনীর কাজ সেরে ২০২৫ সালের দিকে আবারও গ্রুপ হিসাবে কাজ করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

বিটিএস সদস্যরা যেন প্রশিক্ষণের সময়ও একসঙ্গে গান গাইতে ছাড় পান, কোরিয়ার বেশ কয়েকজন আইন প্রণেতাও এমনটা চাইছেন বলে বিবিসি জানিয়েছে।

ইতোপূর্বে অলিম্পিক পদক বিজয়ী এবং ক্রীড়া তারকা, শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী এবং নৃত্যশিল্পীদের এই ধরনের ছাড় দিয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার। সেই ছাড়ে ইংল্যান্ডের টটেনহাম ফুটবল ক্লাবের সদস্য সন হিয়ুং-মিন ২০২০ সালে তিন সপ্তাহের মধ্যেই তার সামরিক প্রশিক্ষণ শেষ করেছিলেন।

বিটিএসের জন্যও তেমন ছাড়ের ইঙ্গিত দিয়ে গত অগাস্টে কোরীয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী লি জং-সুপ বলেছিলেন, বিটিএসকে তাদের কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েও সামরিক বাহিনী জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করতে পারে। অনেকেই (শিল্পী ও খেলোয়ার) সামরিক বাহিনীর প্রশিক্ষণকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। ফলে এটি তাদের জনপ্রিয়তা আরও বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করতে পারে।

স্কুলে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় ব্যবস্থাপক গ্রেপ্তার
  • ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
বাইরের মানুষ কালীগঞ্জকে শোষণ করতে চাইছে: স্বতন্ত্র প্রার্থী…
  • ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের পাশাপা…
  • ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
আমি শাসক বা প্রশাসক হতে আসিনি, আপনাদের সেবক হতে এসেছি: ডা. …
  • ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
নির্বাচনের আগে ও পরে অনলাইনে নজরদারি করবে সিআইডি
  • ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছি…
  • ২৩ জানুয়ারি ২০২৬