প্রকৌশল অনুষদ

যবিপ্রবির শিক্ষক প্রতি গবেষণাপত্রের অনুপাত ১ঃ৭.৪

যবিপ্রবির শিক্ষক প্রতি গবেষণাপত্রের অনুপাত ১ঃ৭.৪
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়  © ফাইল ছবি

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রকৌশল অনুষদের শিক্ষকরা গবেষণায় ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন। গত তিন বছরে এ অনুষদের শিক্ষক প্রতি প্রকাশিত গবেষণাপত্রের অনুপাত ছিলো প্রায় ১:৭.৪ শতাংশ।

এ অনুষদের শিক্ষকদের গত তিন বছরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকীতে প্রায় ৬২৯টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। এ গবেষণাকর্মের মধ্যে একটির প্যাটেন্ট গৃহীত ও তিনটি জমা দেওয়া হয়েছে। আনারস পাতা ও পাটের আঁশ থেকে তৈরি করেছেন পরিবেশবান্ধব ঢেউটিন। এছাড়া উন্নতমানের ফেসমাস্কসহ তৈরি করেছেন আরও চারটি পণ্য ।

'টিচিং এন্ড রিসার্চ' শীর্ষক এক ওয়ার্কশপে ২০১৮-২০২০ সালের অর্থাৎ বিগত তিন বছরের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষভুক্ত সাতটি বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষা-গবেষণার অর্জন ও সাফল্যের এসব পরিসংখ্যান তুলে ধরেন পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং (পিএমই) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মেহেদী হাসান।

গত তিন বছরে এ অনুষদের শিক্ষকবৃন্দ গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বরাদ্দের বাইরে প্রায় দুই কোটি ১৪ লাখ টাকার অনুদান পেয়েছেন। একইসঙ্গে পরামর্শক, পরীক্ষণ, পণ্যের মানোন্নয়ন ও বিশেষজ্ঞ মতামত প্রদানের মাধ্যমে এ অনুষদের শিক্ষকগণ বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রায় ২৪ লাখ টাকা প্রদান করেছেন।

ওয়ার্কশপে এলসভিয়ার ডাটাবেজে বিশ্বসেরা দুই শতাংশ গবেষক হিসেবে স্থান পাওয়া কেমিকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান ড. জাভেদ হোসেন খান, ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ইমরান খান ও সহকারী অধ্যাপক মো. বিপ্লব হোসেন এবং পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মোহা. আমিনুল হককে ক্রেস্ট দিয়ে বিশেষ সম্মাননা জানানো হয়।

পরে তাঁরা তাঁদের গবেষণার সাফল্য অর্জনের অভিজ্ঞতা এবং তরুণ শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য তুলে ধরেন।

উল্লেখ, এ অনুষদে সাতটি বিভাগে প্রায় ২০টি অত্যাধুনিক গবেষণাগার রয়েছে। 


মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ