গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের ১৭ বাসের ৬টিই অচল, মেরামতে নেই উদ্যোগ

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৪৪ PM
টিডিসি সম্পাদিত

টিডিসি সম্পাদিত © টিডিসি

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য বরাদ্দ ১৭টি বাসের মধ্যে ৬টি দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে পড়ে আছে। বছরের পর বছর মেরামত না হওয়ায় এসব বাস আরও নষ্ট হচ্ছে। এতে সচল বাসগুলোর ওপর বাড়তি চাপের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের যাতায়াত স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) বাস ভাড়া করতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৩১টি যানবাহনের মধ্যে শিক্ষার্থী বাস রয়েছে ১৭টি। এ ছাড়া শিক্ষকদের জন্য ১টি বাস, কর্মকর্তাদের জন্য ১টি কোস্টার, ৪টি মাইক্রোবাস, ৬টি জিপ, ১টি পিকআপ ও ১টি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে।

বর্তমানে ১৭টি শিক্ষার্থী বাসের মধ্যে ১১টি সচল রয়েছে। বাকি ৬টি বাস অচল। এ ছাড়া ৪টি মাইক্রোবাসের মধ্যে ২টিও অচল অবস্থায় রয়েছে। পরিবহন দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, অন্যান্য যানবাহন সচল রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অচল বাসগুলোর কয়েকটি ২০২০-২১ সাল থেকেই বন্ধ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকায় বাসগুলোর যন্ত্রাংশ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি মেরামত ব্যয়ও বাড়ছে। এ ছাড়া ১১ নম্বর বাসটি টায়ারের অভাবে বর্তমানে চলাচল করছে না।

অচল বাসগুলো মেরামতের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক হাসেম রেজা বলেন, প্রাপ্ত অর্থ যথেষ্ট নয়। মেরামতের জন্য যে বাজেট আসে, তা দিয়ে মোটামুটি নিয়মিত চলমান বাসগুলোর মেরামতের কাজ করা যায়।

গ্যারেজ সংকটের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘গ্যারেজ পর্যাপ্ত নেই। আরও কয়েকটি শেড দিতে হবে। নতুন উপাচার্য স্যার বিষয়টি অবগত আছেন। আশা করছি, খুব দ্রুত গ্যারেজের সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি মাত্র অ্যাম্বুলেন্স শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের জন্য পর্যাপ্ত কি না—এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাসেম রেজা আরও বলেন, ‘জরুরি ভিত্তিতে আরেকটি অ্যাম্বুলেন্স প্রয়োজন। তবে বাজেটের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এ ছাড়াও হেলপার ও ড্রাইভার সংকট রয়েছে।’

আরও পড়ুন: ঢাবি ভর্তিতে ইংরেজি মাধ্যমকে বাড়তি সুবিধার উদ্যোগ চূড়ান্ত হচ্ছে আজ, বৈষম্যের মুখে বাকিরা

অচল বাসগুলো সচল করার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, ‘আমি নতুন দায়িত্ব পেয়েছি। আমাকে কিছুদিন সময় দাও। আমরা এই বাসগুলো নিয়ে কাজ করছি। এগুলো মেরামত করে আবার সচল করার জন্য চেষ্টা করছি। যেহেতু আমাদের অর্থ সংকট রয়েছে, তাই নতুন বাস কিনতে পারব না। সে কারণে কিছু টাকা খরচ করে পুরোনো বাসগুলোকে আবার ব্যবহার উপযোগী করার চেষ্টা করছি। তবে কিছুদিন সময় লাগবে।’

দীর্ঘদিন ধরে একাধিক বাস অচল থাকায় শিক্ষার্থীদের নিয়মিত যাতায়াতে বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে। সচল বাসগুলোর ওপর অতিরিক্ত যাত্রী চাপের পাশাপাশি বিকল্প হিসেবে বিআরটিসি বাস ব্যবহারে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যয়ও বাড়ছে।

শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের ভোগান্তি কমাতে অচল বাসগুলো দ্রুত মেরামত করে বহরে যুক্ত করার পাশাপাশি পরিবহন খাতে পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ, প্রয়োজনীয় গ্যারেজ নির্মাণ এবং চালক-হেলপার সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

১১ বছর পর চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় নতুন পে-স্কেল, বাস্তবা…
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
ছাত্রদলের নতুন কমিটি নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৫
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
দেশের বাজারে লঞ্চ হলো ভিভো ভি৮০ লাইট ৫জি
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
যশোরের ‘সবজি চারা গ্রামে’ বৃষ্টির ক্ষত, ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্ট…
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
দুই হাত নেই, মুখে কলম ধরে দাখিল পাস রিয়াদের
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আলোকচিত্রীর বিরুদ্ধে ভয়ভীতি সৃষ্টি…
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬