সিরামিক অ্যান্ড মেটালার্জিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং (তৎকালীন গ্লাস অ্যান্ড সিরামিক ইঞ্জিনিয়ারিং) বিভাগ © টিডিসি ফটো
যুগের আধুনিকায়নের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে সিরামিক শিল্পের চাহিদা। গৃহস্থালি তৈজসপত্র থেকে শুরু করে নির্মাণশিল্প, ইলেকট্রনিক্স, চিকিৎসাবিজ্ঞান, মহাকাশযান সব ক্ষেত্রেই বাড়ছে সিরামিক শিল্পের ব্যবহার। চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ সিরামিক প্রকৌশলী তৈরির লক্ষ্যে ২০১০ সালের ২৩ এপ্রিল রুয়েটে প্রতিষ্ঠা করা হয় সিরামিক অ্যান্ড মেটালার্জিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং (তৎকালীন গ্লাস অ্যান্ড সিরামিক ইঞ্জিনিয়ারিং) বিভাগ।
প্রতিষ্ঠার ১৬ বছরে বিভাগটি তৈরি করেছে শত শত প্রকৌশলী, যারা দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে অবদান রাখছে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে রয়েছে এর সুনাম। এ বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা গবেষণার পাশাপাশি নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে দেশের গৌরব দিন দিন আরও বৃদ্ধি করছেন। শিক্ষার্থীরা কৃতিত্বের সঙ্গে অধ্যয়ন শেষ করে দেশের শিল্পখাত ও অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিভাগের উদ্যোগে পালিত হয়েছে ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে বিভাগের সামনে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন সিএমই বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. বদিউল ইসলাম। এ সময় সিএমই বিভাগের অধ্যাপক ও ছাত্রকল্যাণ দফতরের উপ-পরিচালক অধ্যাপক ড. মো: আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, সহকারী অধ্যাপক মিন্টু আলি, সহকারী অধ্যাপক মো: জাহিদুল হকসহ বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে একটি র্যালির আয়োজন করা হয়। র্যালিটি বিভাগের সামনে থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে আবার বিভাগের সামনে এসে শেষ হয়।
সিএমই বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. বদিউল ইসলাম বলেন, একসময় সিরামিক ও মেটালার্জি শিল্পে দক্ষ প্রকৌশলীর সংকোটে দেশের শিল্পকারখানাগুলো কাঙ্ক্ষিত উন্নতি করতে পারছিল না। আমাদের বিভাগ প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতি বছর দক্ষ প্রকৌশলী তৈরি হচ্ছে, যারা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
তিনি আরও বলেন, আজ আমাদের বিভাগের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ পর্যায়ে পৌঁছাতে আমাদের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। এ যাত্রায় বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাইসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানি নানাভাবে সহযোগিতা করেছেন। তাঁদের সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
বর্তমানে ৩ জন অধ্যাপকসহ মোট ১৯ জন শিক্ষক, অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ ১০টি ল্যাবরেটরি এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ক্লাসরুম নিয়ে বিভাগটি এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি বিভাগের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।