বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিলেন শাবিপ্রবির ভিসি-প্রোভিসি

২২ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:৪০ PM , আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:২৫ PM
সিলেটে বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় অংশ নেন শাবিপ্রবির উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য

সিলেটে বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় অংশ নেন শাবিপ্রবির উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য © ফাইল ছবি

সিলেটে বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ প্রশাসনিক পদে থেকে সরাসরি একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ায় প্রশ্ন তুলছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একাংশ।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) নগরীর সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে আয়োজিত বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় শাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দীন চৌধুরী এবং উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিমকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। তবে জনসভার মঞ্চে স্থান না পাওয়ায় জনতার কাতারে বসতে দেখা গেছে তাদের।

বিশ্ববিদ্যালয় আইন-১৯৮৭-এ স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তা তার রাজনৈতিক মতামত প্রচার করতে পারবেন না এবং নিজেকে কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত করতে পারবেন না। তবে তা অমান্য করে বাঁশের ব্যারিকেড ডিঙিয়ে মঞ্চে বসতে দেখা যায় তাদেরকে। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সংক্রান্ত ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে। এ আর আনিস নামে এক শিক্ষার্থী ফেসবুকে লিখেছেন, ‘নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার হরণ করে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা অবস্থায় রাজনৈতিক দলের প্রচারণায় যাওয়া কতটা যৌক্তিক?’

এস এইচ প্রান্ত নামে একজন লিখেছেন, ‘সাস্টের প্রতিটি স্টুডেন্টের ফ্যামিলি কার্ড নিশ্চিত করতে ভিসি, প্রোভিসি স্যারের দৌড়ঝাঁপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখাই ভালো। শাকসু না হোক, উই হ্যাভ অ্যা ফ্যামিলি কার্ড।’

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফয়সাল হোসেন বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রোভিসিসহ যারা তারেক রহমানের নির্বাচনী জনসভায় গেছেন, এ ধরনের কাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনবিরোধী। আমি মনে করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনবিরোধী কাজে সরাসরি জড়িত থাকার কারণে তারা নৈতিকভাবে পরাজিত হয়েছে। আমরা শিক্ষার্থীরা এ কর্মকাণ্ডের কারণে বাকরুদ্ধ।’

আরও পড়ুন: ধানের শীষে ভোট দিন, করব কাজ-গড়ব দেশ: তারেক রহমান

তিনি আরও বলেন, ‘যেখানে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো অন্যায় হলে বিচার চাওয়ার কথা সেখানে তারা নিজেরাই আইনবিরোধী কার্যক্রম করছেন শুধু নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য। সেটা অত্যন্ত দুঃখজনক। জাতি হিসেবে লজ্জিত। জাতি যাদের কাছে বিচার দেবে তারাই অন্যায় করে বেড়াচ্ছে।’

ফয়সাল হোসেনের ভাষ্য, ‘আমরা এ ধরনের অপ্রত্যাশিত ও আইনবিরোধী কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বিগ্ন। আমরা মনে করি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে নতুন করে আগামী দিনে নতুন করে আওয়ামী লীগের মতো ফ্যাসিবাদ তৈরি হচ্ছে।’

এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিম বলেন, ‘এর আগেও আমাকে বহু প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনও আমি পড়েছি। আমরা সেখানে নির্বাচনী প্রচারণায় যাইনি। আমরা গিয়েছি শ্রোতা হিসেবে।’

বিষয়টি নিয়ে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরীর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।

কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনালের ও লেভেলের ফল প্রকাশ
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
বেরোবি উপাচার্যের আপ্যায়ন ব্যয় সাড়ে ১৬ লাখ টাকা 
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জে ইংরেজির দুইপত্রে আবেদন ৩০ হাজার, গণ…
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
রিলেশনশিপ অফিসার নিয়োগ দেবে আইডিএলসি ফাইন্যান্স, আবেদন ১৫ স…
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তের আবেদন যবিপ্রবির সহযোগী অধ…
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
বদলি বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের সুযোগ চান ৫ম গণবিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগপ্…
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬