পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করছেন প্রার্থীরা © টিডিসি ফটো
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ–২০২৫ এর লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বেলা ৩ টায় তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া দেশের বাকি সব জেলায় একযোগে এ পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে অংশ নিয়েছেন প্রায় ১০ লাখ ৮০ হাজার চাকরিপ্রার্থী। পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্তভাবে সম্পন্ন করতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) পরীক্ষার্থীদের জন্য একাধিক কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে।
পরীক্ষার্থীদের প্রতি নির্দেশনা ছিল, প্রবেশপত্র ব্যতিরেকে কোনো পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না। পরীক্ষা কেন্দ্রে কোনো বই, উত্তরপত্র, নোট বা অন্য কোনো কাগজপত্র, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন, ভ্যানিটিব্যাগ, পার্স, হাতঘড়ি বা ঘড়ি জাতীয় বস্তু, ইলেকট্রনিক্স হাত ঘড়ি বা যে কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস, যোগাযোগ যন্ত্র বা এই জাতীয় বস্তু সঙ্গে নিয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্ট কার্ড) ব্যতিত কোনো প্রকার ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড অথবা অন্যকোনো কার্ড সঙ্গে আনা যাবে না। যদি কোনো পরীক্ষার্থী উল্লিখিত দ্রব্যাদি সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করে তবে তাকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কারসহ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, লিখিত পরীক্ষায় বা মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ চাকরির নিশ্চয়তা প্রদান করে না। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় নম্বর প্রকাশযোগ্য নয়। পরীক্ষাসংক্রান্ত সব তথ্যাদি অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd) পাওয়া যাবে।
এ ছাড়া পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রতিটি কেন্দ্রের আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। নিয়োগের নামে কোনো অসাধু চক্রের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন না করার জন্য পরীক্ষার্থীদের সতর্ক করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।