© সংগৃহীত
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) ব্যবহৃত টিস্যু বক্সে মুজিব বর্ষের লোগো ব্যবহার করা হয়েছে বলে সম্প্রতি যে অভিযোগ উঠেছে তা সঠিক নয় বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় বলছে, মুজিব বর্ষের লোগো সংবলিত কোনো টিস্যু বক্স ক্রয় করেনি মাউশি। মাউশির প্রক্রিউরম্যান্ট এন্ড ফিনান্স উইং থেকে টিস্যু বক্স কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। কিন্তু কারিগরি নির্দেশে টিস্যু বক্সে মুজিব বর্ষের লোগো ব্যবহারের কথা বলা হয়নি।
সম্প্রতি গণমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়। মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে টিস্যু বক্সে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক মুজিব বর্ষের লোগো ব্যবহার করা সম্পর্কিত সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
কিন্তু মাউশি মুজিব বর্ষের লোগো সংবলিত কোনো টিস্যু বক্স ক্রয় করেনি। মাউশির প্রক্রিউরম্যান্ট এন্ড ফিনান্স উইং থেকে টিস্যু বক্স কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। কিন্তু কারিগরি নির্দেশে টিস্যু বক্সে মুজিববর্ষের লোগো ব্যবহারের কথা বলা হয়নি।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গ্রহণ (রিসিভ) কমিটির বক্তব্য হচ্ছে, নিয়মানুযায়ী সরবরাহ করার আগে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান গ্রহণ কমিটির সদস্যদের নমুনা প্রদর্শন করে। সেই নমুনায় শুধুমাত্র মাউশির লোগো ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। পরবর্তীতে www.mujib.100.gov.bd ওয়েব সাইটে স্টেশনারীতে মুজিব বর্ষের লোগো ব্যবহারের কথা অনুযায়ী স্বত:প্রণোদিত হয়ে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ঐ লোগো সম্বলিত কিছু টিস্যু বাক্স মাউশি স্টোরে রেখে যায়।
এ টিস্যু বক্সগুলো সংশ্লিষ্ট গ্রহণ (রিসিভ) কমিটি গ্রহণ করেনি। এ বিষয়ে এখনো কোনো মিটিং হয়নি। যে কোন সরবরাহকৃত পণ্য গ্রহনের পূর্বে এ কমিটি সভা করে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। এ টিস্যু বক্সগুলো স্টোর রুমে ছিল বলে চাহিদা অনুযায়ী স্টোর কিপার কয়েকটি টিস্যু বক্স সরবরাহ করে।
বিষয়টি নজরে আসা মাত্র কর্তৃপক্ষ টিস্যু বক্সগুলো প্রত্যাহার করে নেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করে। টিস্যু বক্সে এ লোগো ব্যবহার সমীচীন না হওয়ায় ইতোমধ্যে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে এ লোগো ব্যবহার না করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
তাছাড়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা উপমন্ত্রী দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়াও বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।