বাংলা-ইংরেজির পর তৃতীয় কোন ভাষা শিখবে শিক্ষার্থীরা, ইঙ্গিত দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২৬ PM , আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২৬ PM
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন © ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী তৃতীয় একটি ভাষা চালু করার পরামর্শ দিয়েছেন জানিয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘বাংলা আমাদের প্রথম ভাষা, তারপর ইংরেজি। আমাদের দেশে একটি তৃতীয় ভাষা চালু করা উচিৎ। খুব স্বাভাবিকভাবেই, চীনের প্রশাসক এবং চীন সরকার এই তৃতীয় ভাষার ব্যাপারে অত্যন্ত আগ্রহী এবং তারা আমাদের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় ভাষা চালু করতে সহায়তা করছে। যাই হোক, আমরা চীনের সাথে একসঙ্গে কাজ করতে চাই।’

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে তৃতীয় ঢাকা-চায়না ডে-২০২৬ উদযাপন অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, চীনের সাথে ৫০ বছরের এক দীর্ঘ সম্পর্ক। কখনো কখনো এই সম্পর্ক মেঘলা ছিল। কখনো রৌদ্রোজ্জ্বল ছিল। কখনো ঝোড়ো ছিল। আবার কখনো আগের চেয়েও ভালো ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘সম্প্রতি আমি প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর চীন সফর শেষে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা (টিভিইটি) খাতের অগ্রগতি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম। আমরা সবাই জানি বাংলাদেশ বিশ্বের একটি ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। তরুণদের সংখ্যা বেশি। অন্যান্য দেশগুলোয় তুলনায় সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থান এখন বাংলাদেশে। ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড (জনমিতিক লভ্যাংশ) কাজে লাগানোর এখনই আমাদের উপযুক্ত সময়।’

তার ওপর ভিত্তি করে প্রধানমন্ত্রী কারিগরি শিক্ষা খাতকে উন্নত করার দিকে মনোযোগ দিয়েছেন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে আমাদের মানবসম্পদ এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ঘটাতে হবে। আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, আমাদের কোথায় যাওয়া উচিত এবং কোন মডেলটি আমাদের চেষ্টা করে দেখা উচিত। আমাদের এআই, কম্পিউটার খাত এবং বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ খাতকে উন্নত করতে চাই। সে জন্য চীনা মডেলই সেরা মডেল।’

অন্য খবর: ২০২৮ সাল থেকে নতুন কারিকুলাম চালু হবে: শিক্ষামন্ত্রী

এবার চীনে তৃতীয় সফরের প্রসঙ্গ তুলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘হয়তো ২০ ও ৫০ বছর আগে চীনে গিয়েছিলাম। তাদের উন্নয়ন অবিশ্বাস্য, কারণ চীনা শিক্ষার্থীরা—তাদের দেশের জন্য কাজ করছে। চীনের জনসংখ্যাও হ্রাস পাচ্ছে, আর তাই তারা এখন জনসংখ্যা বৃদ্ধির চেষ্টা করছে। কিন্তু তারা এখনও সংকটের মধ্যে রয়েছে।’

তিনি বলেন, জনসংখ্যা একসময় ‘এক পরিবারে এক সন্তান’ ছিল, তা এখন দুইয়ের বেশি হতে যাচ্ছে, কিন্তু মানুষ সে অভ্যাস গড়ে তুলছে না। তবে আমাদের দেশে বলতে হয় না, জনসংখ্যা বেড়েই চলেছে। এই বিবেচনায় বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশ সবচেয়ে সম্পদশালী দেশ বলে আমি বিশ্বাস করি। আমার সামনে বসা শিক্ষার্থীদের সবাই মেধাবী। যখন উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে গিয়েছিলাম, তখন দেখেছি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাই সেরা। তারা দুর্দান্ত কাজ করছে। তাদের জ্ঞান, অধ্যবসায়, মানসিকতা ও কঠোর পরিশ্রম তাদেরকে বিদেশে সেরা শিক্ষার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদে…
  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভীমরুলের কামড়ে একসঙ্গে প্রাণ গেল দাদী-নাতির
  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হলেন এমপি মানসুরা
  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অপসোনিন ফার্মা নিয়োগ দেবে মেডিকেল প্রমোশন অফিসার, সরাসরি মৌ…
  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এশিয়ান গেমসের দলে পরিবর্তন পাকিস্তানের
  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রুয়েট শিক্ষার্থীকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নে…
  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬