কোচিং সেন্টার বানাতে সরকারের অনুমতি নিতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

০১ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৮ PM
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন © টিডিসি ফটো

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, যখন আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো ঠিকভাবে লেখাপড়া করে না তখন কোচিং সেন্টার দরকার হয়। যখন প্রতিষ্ঠানিকভাবে তারা ওই সময়টা কাজে লাগাতে পারে না তখন কোচিংয়ে যায়। কোচিং সেন্টার বানাতে সরকারের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে।

বুধবার (১ জুলাই) ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, শিক্ষকদের মাধ্যমে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করা হবে। একই সঙ্গে কোচিং সেন্টার পরিচালনার ক্ষেত্রেও অনুমোদন ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন মানদণ্ড নিশ্চিত করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শিক্ষকদের সেভাবেই প্রস্তুত করব, যাতে তারা নিজেদের প্রতিষ্ঠানে ইন-হাউস কোচিংয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পড়াতে পারেন। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আমরা ক্যাটাগরি করে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও তদারকির ব্যবস্থা নেব।’

তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু নামিদামি স্কুলের কথা বলব না। দেখা যায়, অনেক নামিদামি স্কুলের শিক্ষার্থীরাও অন্য প্রতিষ্ঠানের কোচিং বা ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করছে। এটি হতে দেওয়া যাবে না।’

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘এসব বিষয় ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশে যারা কোচিং সেন্টার পরিচালনা করবেন, তাদেরও সরকারের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সন্তানরা যে কোচিং সেন্টারে যাবে, সেখানে ফায়ার এক্সিট আছে কি না, পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত কি না, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যথাযথ আচরণ করা হচ্ছে কি না এসব নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কেউ ইচ্ছামতো একটি গ্যারেজে কোচিং সেন্টার খুলে বসতে পারবেন না। সবকিছুই একটি নিয়ন্ত্রক কাঠামোর আওতায় আনতে হবে। এভাবে আর চলতে পারে না।’

আরও পড়ুন: এইচএসসির পর বিশ্ববিদ্যালয়ে একক ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে আমরা ভিসিদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। এগুলো নীতিগত বিষয়। ভর্তি শুরুর আগেই আপনারা দেখতে পাবেন আমরা কী ধরনের সমন্বয় করছি।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, এসএসসি পরীক্ষার তারিখ আমরা অনেক আগেই স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে ঘোষণা করেছি। তখনও বলেছিলাম, যদি স্টেকহোল্ডারদের পক্ষ থেকে পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন হয়, সেটিও আমরা দেখব। কিন্তু আমরা দেখেছি, সবাই একমত হয়েছেন। সে কারণেই ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা ২৬ জানুয়ারি থেকে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার রুটিনও আমরা প্রায় দেড় বছর আগেই প্রকাশ করেছি, যাতে শিক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে প্রস্তুতি নিতে পারে। একইভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষাগুলোও আমরা এমনভাবে সমন্বয় করার চিন্তা করছি, যাতে কোনো ধরনের সেশনজট সৃষ্টি না হয়। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেব। ইনশাআল্লাহ, ফল প্রকাশের পর আমাদের কর্মসূচি কী হবে, সেটিও আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হবে।’

দুর্যোগ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, যেখানে এমন পরিস্থিতি হবে সেখানের লোকাল প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। আমাদের এসএসসি পরীক্ষায় এমন পরিস্থিতি হয়েছিলো আপনারা দেখেছেন সেটা লোকাল প্রশাসন সামাল দিয়েছে।

অন্ধ ঘোড়াকে আশ্রয় দেওয়া কলেজছাত্রকে উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্…
  • ০১ জুলাই ২০২৬
গবেষণার বরাদ্দ বিশ্ববিদ্যালয়কে না দিয়ে ইউজিসির কাছে রাখায় স…
  • ০১ জুলাই ২০২৬
বিসিএসে টেক্সটাইল ক্যাডার যুক্ত করার দাবির বিষয়টি প্রধানমন্…
  • ০১ জুলাই ২০২৬
উধাও এইচএসসির ৪ লাখ, মাদ্রাসার ৬১ ও কারিগরির ৯০ হাজার পরীক্…
  • ০১ জুলাই ২০২৬
দেশের ৩৮ জেলায় নেই আইসিইউ, সিসিইউর ৯০ ভাগই ঢাকায়
  • ০১ জুলাই ২০২৬
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পেজ রিমুভ করে দিল ফেসবুক
  • ০১ জুলাই ২০২৬