প্রস্তুতি-পরিকল্পনা ছাড়াই শুরু হচ্ছে অনলাইন ক্লাস, বাড়তে পারে ‘শিখন ঘাটতি’

১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৩ PM , আপডেট: ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৪ PM
অনলাইন-অফলাইন ক্লাস

অনলাইন-অফলাইন ক্লাস © এআই জেনারেটেড ছবি

চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন মহানগরীর স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাস চালুর ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তবে স্পষ্ট নির্দেশনা ছাড়াই বিভিন্ন স্কুল-কলেজে এটি কার্যকর হতে যাচ্ছে। এর ফলে শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে দোটানার সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও অনলাইন, আবার কোথাও সশরীরে ক্লাসের সিদ্ধান্তের কারণে শিক্ষার ধারাবাহিকতা ও মান নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। পর্যাপ্ত প্রস্তুতি, পরিকল্পনা এবং স্পষ্ট নির্দেশনার অভাবে এমন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিখন ঘাটতি তৈরি করতে পারে। যা শিক্ষাব্যবস্থাকে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে।

গত বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে অনলাইন-অফলাইন ক্লাস নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন এবং তিন তিন অফলাইন বা সশরীরে ক্লাসের ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষামন্ত্রী ড. মিলনের বক্তব্য অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহ থেকে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, গাজীপুরের একটি মাদ্রাসাসহ বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস চালুর কথা রয়েছে। তবে ঠিক কতগুলো প্রতিষ্ঠান এই সিদ্ধান্তের আওতায় পড়বে সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো তালিকা কিংবা আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা জারি হয়নি। ফলে বাস্তবে কারা আগামীকাল (রবিবার) থেকে অনলাইনে পাঠদান করবে এবং কারা সশরীরে ক্লাস চালিয়ে যাবে; তা নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

শুধু অনলাইন ক্লাসের ক্ষেত্রেই এমন হ-য-ব-র-ল অবস্থার তৈরি হয়নি; শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অফলাইন বা সশরীরে পাঠদান নিয়েও বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরির শঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে অনলাইন ক্লাস নিতে না চাওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শনিবার খোলা থাকবে কি না; সেই প্রশ্নের কোনো উত্তর মেলেনি। 

যদিও শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন দাবি করেছেন, যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনলাইনে ক্লাস নেবে না, তাদের জন্য ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারা নির্দেশনা শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

তবে শিক্ষামন্ত্রী ড. মিলনের এমন দাবির সত্যতা মেলেনি। ঢাকা, রাজশাহী, বগুড়া ও সিরাজগঞ্জের অন্তত ১৫টি স্কুল ও কলেজের শিক্ষক এবং প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনলাইন ক্লাসে না যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ কিংবা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা পাননি তারা। তারা বলছেন, শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর পর্যন্ত তারা এ বিষয়ে কোনো নির্দেশনা তাদের দেওয়া হয়নি। এতে করে অনেক প্রতিষ্ঠান নিজেদের মতো করে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছে, যা সামগ্রিকভাবে শিক্ষাব্যবস্থায় সমন্বয়হীনতা তৈরি করছে।

শিক্ষামন্ত্রী দাবি করেছেন, যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনলাইনে ক্লাস নেবে না, তাদের ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারা শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করবে। তবে ঢাকা, রাজশাহী, বগুড়া ও সিরাজগঞ্জের অন্তত ১৫টি স্কুল ও কলেজের শিক্ষক এবং প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনলাইন ক্লাসে না যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে মাউশি থেকে শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। এতে করে প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের মতো করে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছে।

শিক্ষকদের অভিযোগ, শিক্ষামন্ত্রী ড. মিলনের বক্তব্যের মধ্যে অস্পষ্টতা ও অসঙ্গতি রয়েছে। মন্ত্রী কখনো বলছেন, রাজধানীর নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য অনলাইন ক্লাসের বিষয়টি প্রযোজ্য হবে। আবার কখনো বলা হচ্ছে, রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন মহানগরীর স্কুল-কলেজের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে; মন্ত্রী তার কোনো কোনো বক্তব্যে অনলাইন ক্লাস নেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন। ফলে অনলাইন ক্লাস নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অবস্থান কী; সেটি পরিস্কার নয় বলে মনে করেন তারা।

অনলাইন-অফলাইন ক্লাস নিয়ে এমন পরিস্থিতিকে অসামঞ্জস্যতা হিসেবে দেখছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি নেওয়া যেমন প্রয়োজন, তেমনি সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য স্পষ্ট দিকনির্দেশনা থাকা আরও বেশি জরুরি। অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের ক্ষেত্রে এই জায়গাতেই বড় ঘাটতি দেখা যাচ্ছে।

তাদের আশঙ্কা, অনলাইন-অফলাইন ক্লাস নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এমন অস্পষ্ট নির্দেশনা দীর্ঘস্থায়ী হলে শিক্ষাব্যবস্থায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে। একই মহানগরীর একেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একেকভাবে ক্লাস পরিচালনা করলে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী উভয়ের মধ্যেই বৈষম্য তৈরি হবে। কোনো শিক্ষার্থী সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাসের সুযোগ পাবে, আবার কোনো শিক্ষার্থী সপ্তাহে পাঁচ দিন। অন্যদিকে শিক্ষকদের মধ্যে কারো কারো সপ্তাহে ছয় দিনই স্কুল যেতে হবে। আবার কোনো কোনো শিক্ষককে সপ্তাহে পাঁচ দিন যেতে হবে। এমন পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে শিক্ষার মান ও ধারাবাহিকতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

প্রস্তুতি ছাড়া অনলাইন ক্লাস শুরু করায় শিক্ষার্থীদের লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি হবে জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ও শিক্ষাবিদ মোহাম্মদ মজিবর রহমান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে একেক সময় একেক রকম কথা বলে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে। ক্রাইসিস টাইমে একটা বিকল্প এডুকেশন প্ল্যান থাকা দরকার ছিল। আমাদের সেটি নেই। কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমাদের পরিকল্পনা এবং নীতি তৈরি করা জরুরি। যে নীতির আলোকে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়। পরিকল্পনা ছাড়া অনলাইন-অফলাইন ক্লাস নিয়ে বিক্ষিপ্ত এবং বিচ্ছিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সংকট আরও বাড়বে। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা এমনিতেই ভঙ্গুর, এমন হ-য-ব-র-ল সিদ্ধান্ত নিলে এটি আরও ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে।’

কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে ছয় দিন আবার কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে পাঁচ দিন ক্লাসের ফলে এক ধরনের বৈষম্য তৈরি হবে জানিয়ে এ শিক্ষাবিদ আরও বলেন, ‘অনেক শিক্ষার্থীর ভালো ডিভাইস নেই। নেটওয়ার্ক সমস্যা, ডেটা কিনতে অতিরিক্ত ব্যয়—সবকিছুতেই এক ধরনের বৈষম্য তৈরি করবে। গুগল মিট বা জুমে ক্লাস নেওয়াকে অনলাইন ক্লাস মনে করা হলেও এটি অনলাইন ক্লাসের খুদ্র একটি অংশ। কোভিডের সময় অনলাইন ক্লাসের ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এক ধরনের শিখন ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। সেটি এখনো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। নতুন করে অনলাইন ক্লাসের ফলে এটি আরও প্রকট আকার ধারণ করতে পারে। অনলাইন ক্লাসের পরিবর্তে মর্ণিং ক্লাস করা যেত; এসি বন্ধ রেখে কেবল লাইট-ফ্যান ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হত। আপতকালিন সময়ে কীভাবে শিক্ষাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় সেটা শিক্ষামন্ত্রী জানেন না। এমনকি তিনি যে জানেন না এটাও মন্ত্রী জানেন না। পরিপূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে এবং স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়ে তবেই অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার ছিল।’

‘শিক্ষামন্ত্রী এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে একেক সময় একেক রকম কথা বলে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে। ক্রাইসিস টাইমে একটা বিকল্প এডুকেশন প্ল্যান থাকা দরকার হলেও সেটি নেই। পরিকল্পনা ছাড়া অনলাইন-অফলাইন ক্লাস নিয়ে বিক্ষিপ্ত এবং বিচ্ছিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সংকট আরও বাড়বে। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা এমনিতেই ভঙ্গুর, এমন হ-য-ব-র-ল সিদ্ধান্ত নিলে এটি আরও ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে।’— মোহাম্মদ মজিবর রহমান, অধ্যাপক, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাবি

শিক্ষার্থীরা দোটানায়
অনলাইন ক্লাস নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় শিক্ষার্থীরাও পড়েছে দোটানায়। অধিকাংশ শিক্ষার্থীরাই জানে না চলতি সপ্তাহে তাদের সশরীরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হবে নাকি বাসায় বসে অনলাইন ক্লাসে অংশ নিতে হবে। ফলে প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও তারা পিছিয়ে পড়ছে। অভিভাবকদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে উদ্বেগ, কেননা সন্তানদের নিরাপত্তা ও ধারাবাহিকতা; দুটি বিষয়ই এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা বলছেন, অনলাইন-অফলাইন ক্লাস নিয়ে স্পষ্ট ও লিখিত নির্দেশনা থাকাটা খুবই জরুরি। কোন কোন প্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস চালু হবে তার একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা দরকার। এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানগুলোতে অনলাইনে ক্লাস হবে না তাদের জন্য সপ্তাহে কতদিন পাঠদান কার্যক্রম চলবে সেটিও স্পষ্ট করা দরকার। শনিবার ক্লাস কার্যক্রম বন্ধই থাকবে নাকি পাঠদান হবে সে বিষয়েও পরিস্কার ব্যাখ্যা দেওয়া দরকার।

বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান জানান, ‘জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও বাস্তবায়নে সমন্বয়হীনতা রয়েছে। এর ফলে আমাদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। দ্রুত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ বিভ্রান্তি দূর করা দরকার। এই সমস্যার সমাধান না হলে শিক্ষাব্যবস্থায় অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে। এতে করে শিক্ষার্থীরাই ক্ষতির মুখে পড়বে।’

করোনাকালীন সময়ে অনলাইনে ক্লাসের ক্ষতি এখনো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। এই অনলাইন ক্লাস শিক্ষার্থীদের অটোপাসের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। এখনো শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করে। সেখানে নতুন করে আবারও অনলাইন ক্লাসের ফলে আবারও আমরা অটোপাসের দিকে ধাবিত হচ্ছি কি না সেটিও ভেবে দেখা দরকার। করোনাকালীন সময়ে অনলাইন ক্লাসের সময় ১০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাঠদানে অংশগ্রহণ করত। এখন কেমন হবে সেটি সময়ই বলে দেবে।—অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজীজি, সদস্য সচিব, এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট

এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজীজি বলেন, ‘শুরু থেকেই আমরা অনলাইন ক্লাসবিরোধী। করোনাকালীন সময়ে অনলাইনে ক্লাসের ক্ষতি এখনো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। এই অনলাইন ক্লাস শিক্ষার্থীদের অটোপাসের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। এখনো শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করে। সেখানে নতুন করে আবারও অনলাইন ক্লাসের ফলে আবারও আমরা অটোপাসের দিকে ধাবিত হচ্ছি কি না সেটিও ভেবে দেখা দরকার। করোনাকালীন সময়ে অনলাইন ক্লাসের সময় ১০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাঠদানে অংশগ্রহণ করত। এখন কেমন হবে সেটি সময়ই বলে দেবে।

জ্বালানিসংকট পরিস্থিতি স্বাভাবিকের দিকে যাচ্ছে জানিয়ে এই শিক্ষক নেতা বলেন, ‘এখন যুদ্ধবিরতি চলছে, পরিস্থিতি হয়ত পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। সেখানে অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত কোনো ভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এছাড়া শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা পাঁচ দিন ক্লাস করে অভ্যস্ত; শিক্ষকরাও পাঁচ দিন ওয়ার্কিং ডে হিসেবে অভ্যস্ত। সেখানে ছয় দিন পাঠদানের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা কঠিন। কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্বে স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করা দরকার। আলোচনায় সংখ্যাঘরিষ্ট মতামতের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন। তবে বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী অংশীজনদের মতামত উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেণ। এটি শিক্ষাঙ্গনে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।’

চলন্ত ট্রেনে পাথরের আঘাতে চোখ হারানো বাউবি শিক্ষার্থীকে আর্…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের ওপর নিউমার্কেট যুবদলের হামলায় আহত ৮
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ঢাবিতে ফের সমকামিতার অভিযোগ, দুই ছাত্রকে হল থেকে বহিষ্কার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের ওপর নিউমার্কেট যুবদলের হামলার অভিযোগ
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
আওয়ামী লীগের ৬ নেতাকর্মী কারাগারে
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্যেও আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভার…
  • ১১ আগস্ট ২০২৬