এমপিওভুক্তির উদ্যোগ কোটি টাকার চুক্তিতে, তালিকা প্রস্তুত ‘গোপনে’

  • সচিবালয়ে খামে প্রথম কিস্তির টাকা লেনদেন
  • চূড়ান্ত তালিকায় স্থান দিতে ২০-৪০ লাখে চুক্তি
  • প্রতিদিন ৬০২টি আবেদন যাচাই
০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:২৭ PM , আপডেট: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:০৯ PM
ইনফোগ্রাফিক্স

ইনফোগ্রাফিক্স © টিডিসি সম্পাদিত

অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তিকে ঘিরে উঠে এসেছে ভয়াবহ দুর্নীতির অভিযোগ। কোটি টাকার চুক্তি, গোপন বৈঠক, হোয়াটসঅ্যাপে তালিকা আদান-প্রদান এবং শিক্ষক নেতা ও মন্ত্রণালয়ের প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে ‘ম্যানেজড’ প্রাথমিক তালিকা তৈরির অভিযোগে তোলপাড় শিক্ষাঙ্গন। মাত্র ছয় কর্মদিবসে ৩ হাজার ৬১৫টি প্রতিষ্ঠানের আবেদন যাচাইয়ের ‘নজিরবিহীন’ গতি এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ে তড়িঘড়ি তালিকা পাঠানোর পেছনে বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন খোদ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। এমপিওভুক্তির এ তালিকা যোগ্যতার ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে নাকি কোটি টাকার চুক্তিতে ‘গোপন’ বৈঠকের মাধ্যমে, সেই প্রশ্ন উঠেছে মন্ত্রণালয়ের ভেতরেই।

নন-এমপিও একাধিক প্রতিষ্ঠান প্রধান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, নন-এমপিও স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্তির উদ্যোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোটি টাকার চুক্তি করেন শিক্ষক নেতারা। নন-এমপিও প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির দ্বিতীয় দফা আন্দোলন চলাকালীন এই চুক্তি করা হয়। এমপিওভুক্তির ঘোষণা দিতে এবং ‘গোপনে’ তৈরিকৃত প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রাথমিক তালিকায় রাখতে কোটি টাকার চুক্তি করা হয়েছে। আন্দোলনের এক পর্যায়ে চুক্তিকৃত অর্থের অগ্রিম হিসেবে মন্ত্রণালয়ের একজন উপসচিবের কাছে নগদ অর্থ দেওয়া হয়। এ পুরো কার্যক্রম সমন্বয় করেছেন চুক্তির প্রথম কিস্তির টাকা নেওয়া ওই উপসচিব।

সূত্র বলছে, নন-এমপিও প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির একটি খসড়া তালিকা তৈরি করেন শিক্ষক নেতারা। এই তালিকা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের কাছে গোপন বৈঠকের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়। এ কাজের জন্য নিয়মিত হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা হয়। এজন্য অনেক অযোগ্য প্রতিষ্ঠানও প্রাথমিক তালিকায় স্থান পেয়েছে। যদিও তালিকা তৈরি হয়েছে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের  মাধ্যমে বলে দাবি করেছেন এমপিও যাচাই-বাছাই কমিটির আহবায়ক অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) মো. মিজানুর রহমান।

দীর্ঘদিনেও মন্ত্রণালয় থেকে কোনো পরিপত্র জারি না করায় দ্বিতীয় দফায় গত বছরের ২ নভেম্বর আবার তারা অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। ৩ নভেম্বর থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। ৯ নভেম্বর আন্দোলনকারীরা সচিবালয়ের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে শিক্ষকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। মূলত এই আন্দোলনের সময়ই কোটি টাকার চুক্তি হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

মো. মিজানুর রহমান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘সফটওয়্যারের মাধ্যমে সবকিছু প্রস্তুত করা হয়েছে। এখানে মন্ত্রণালয়ের কারো সুপারিশ করার সুযোগ নেই। সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্দিষ্ট ডাটা বিশ্লেষণ করে নম্বর দিয়েছে। সেই নম্বরে যারা এগিয়ে রয়েছে তাদের প্রাথমিকভাবে তালিকায় রাখা হয়েছে। এটি আরও যাচাই-বাছাই হবে।’

অনুসন্ধানে জানা গেছে, স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সব নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষকরা। ১৭ দিন অবস্থানের পর ১২ মার্চ তারা শিক্ষা উপদেষ্টা ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। সেদিন দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক সেলিম মিয়া এমপিওভুক্তির বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আশ্বাস পাওয়ার কথা তুলে ধরে কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করেন। 

দীর্ঘদিনেও মন্ত্রণালয় থেকে কোনো পরিপত্র জারি না করায় দ্বিতীয় দফায় গত বছরের ২ নভেম্বর আবার তারা অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। ৩ নভেম্বর থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। ৯ নভেম্বর আন্দোলনকারীরা সচিবালয়ের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে শিক্ষকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। মূলত এই আন্দোলনের সময়ই কোটি টাকার চুক্তি হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

উত্তরবঙ্গের পাঁচটি নন-এমপিও প্রতিষ্ঠান প্রধানের সঙ্গে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেছে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস। তারা জানিয়েছেন, এমপিওভুক্তির প্রাথমিক তালিকা করার সময় শিক্ষক নেতারা কারো কাছে এক লাখ আবার কারো কাছে ২ লাখ করে টাকা নিয়েছেন। এই টাকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের দেওয়ার কথা বলেই নেওয়া হয়েছে। টাকা না দিলে তালিকায় নাম দেওয়া হবে না বলেও তাদের জানানো হয়। চূড়ান্ত তালিকায় নাম দিতে আরও বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেন হয়েছে।

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে একটি নন-এমপিও প্রতিষ্ঠানের প্রধান বলেন, ‘দ্বিতীয় দফায় প্রেস ক্লাবে আন্দোলন চলাকালীন শিক্ষক নেতারা টাকা উত্তোলন করেছেন। আমরা যারা টাকা দিইনি, তাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। পরবর্তীতে আমরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা গুলিস্তানের জিরো পয়েন্টের একটি হোটেল অবস্থান করে সচিবালয়ে নিয়মিত যোগাযোগ করি।’

আরও পড়ুন: প্রাথমিকের ফল প্রকাশ, দেখুন এখানে

ওই প্রতিষ্ঠান প্রধান আরও বলেন, ‘একজন শিক্ষক নেতা এক কোটি টাকার চুক্তি করেছিলেন। তিনি অগ্রিম হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন উপসচিবকে একটি খামে লাখ টাকা দিয়েছিলেন। এ টাকা সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের ১৭ তলা থেকে শিক্ষা সচিবের দপ্তরে (১৮ তলা) যাওয়ার যে সিঁড়ি সেই সিঁড়ির ওখানে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিষয়গুলো নিয়ে ওই উপসচিব অফিস ছুটি শেষে তার কক্ষে এবং সচিবালয়ের বাইরে দফায় দফায় শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সচিবালয়ের ওই সময়কার সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করলে এর প্রমাণ পাওয়া যাবে।’

নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শিক্ষকদের পক্ষ থেকে শিক্ষক নেতা সেলিম মিয়া সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করেছেন। এ বিষয়ে জানতে শিক্ষক নেতা সেলিম মিয়াকে কল করা হলে তিনি একটি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী সভায় মিরপুরে অবস্থান করছেন জানিয়ে ফোন কেটে দেন।

প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির তালিকা চূড়ান্ত করতে ১০-৪০ লাখ টাকায় চুক্তি
প্রাথমিক তালিকা থেকে বাদ পড়া একাধিক প্রতিষ্ঠান প্রধানের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এমপিওভুক্তির প্রাথমিক তালিকায় স্থান পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে চূড়ান্ত তালিকায় রাখতে প্রতিষ্ঠান ভেদে ১০ থেকে ৪০ লাখ টাকার চুক্তি করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, শিক্ষকদের এমপিওভুক্তিতে চুক্তি হয়েছে ২ থেকে ১০ লাখ টাকায়।

সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, কমিটির আহবায়ক অতিরিক্ত সচিব মো. মিজানুর রহমান, সদস্য সচিব (উপসচিব) সাইয়েড এ জেড মোরশেদ আলী, শিক্ষা উপদেষ্টার পিএস (উপসচিব) তাজকির-উজ-জামান, এপিএস ইনজামুল হক,  শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন, তার পিএস (উপসচিব) রকিবুল হাসান গত এক সপ্তাহ ধরে উপদেষ্টার রুমে গোপনে প্রাথমিক তালিকায় স্থান পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো বাছাই করেছেন। প্রতিষ্ঠান বাছাইয়ের ক্ষেত্রে এমপিও যাচাই-বাছাই কমিটির সব সদস্য উপস্থিত না থাকলেও তারা কাজ চালিয়ে গেছেন।

সূত্র বলছে, পটুয়াখালীর হাজী আক্কেল আলী কলেজকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই উপসচিব ২০ লাখ টাকা নিয়েছেন। এ কাজে উপসচিবের দপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং কম্পিউটার অপারেটর সমঝোতা করেছেন। শুধু তাই নয়; নাজমুস সাদাত নামে এক ব্যক্তি নন-এমপিও শিক্ষক প্রতি তিন লাখ করে টাকা করে নিয়েছেন। এই টাকা পরবর্তীতে ওই উপসচিবকে দেওয়া হয়েছে। আদায় করা এসব অর্থের ভাগ পেয়েছেন বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারাও বলে অভিযোগ রয়েছে। এভাবে অর্থের বিনিময়ে নামসর্বস্ব একাধিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়ে তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছ। 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হাজী আক্কেল আলী হাওলাদার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মাসুদ আলম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, 'প্রাথমিক তালিকায় স্থান পেতে আমরা কোনো ঘুষ দেইনি। ২০ লাখ টাকা দেওয়ার যে অভিযোগ করা হয়েছে সেটি ভিত্তিহীন। একটি মহল আমাদের প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার জন্য এমন মিথ্যা তথ্য আপনাদের দিয়েছে।'

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আগে থেকেই সমঝোতা হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে তালিকায় স্থান দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের শেষ সময়ে বদলি বাণিজ্য, প্রকল্প বাস্তবায়নসহ নানা অনিয়মে যাদের নাম একাধিকবার আলোচিত হয়েছে তারাই এবার এমপিও বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন। শেষ সময়ে কাড়িকাড়ি টাকা উপার্জনের জন্যই তড়িঘড়ি করে প্রাথমিক তালিকা অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।’

৬ দিনে ৩৬১৫ প্রতিষ্ঠান যাচাই, ‘অসম্ভব’ বলছে বিভাগ
এমপিওভুক্তির আবেদনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১৪ জানুয়ারি থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনে তিন হাজার ৬১৫টি আবেদন জমা পড়ে। ২৬ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মাত্র ছয় কর্মদিবসে এসব আবেদনের তথ্য-উপাত্ত যাচাই শেষ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এমপিও কমিটি। সে হিসেবে একদিনে (৮ ঘণ্টা কর্ম সময়) ৬০২টির বেশি প্রতিষ্ঠানের তথ্য যাচাই করা হয়েছে। এই কাজকে ‘অসম্ভব’ ও ‘নজিরবিহীন’ বলছেন খোদ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা।

৪৭১টি নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জন্য ১৮৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা, ১৪৫টি উচ্চমাধ্যমিক কলেজের জন্য ১২৭ কোটি ১১ লাখ টাকা, ২৩২টি স্নাতক (সম্মান) কলেজে ১২৫ কোটি টাকা, ৬২৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৯২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা, ১৩৫টি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১০২ কোটি ২২ লাখ টাকা, ২৩২টি স্নাতক (পাস) কলেজে ৩৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, ৩ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে পাঠানো এক চিঠিতে নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য অর্থ বিভাগের সম্মতি চাওয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়, এমপিও নীতিমালার প্যাটার্ন অনুযায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ স্তরভেদে বছরে মোট ৬৭০ কোটি ১৩ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। চিঠিতে প্রথম পর্যায়ে মোট ১ হাজার ৭১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য অর্থ বিভাগকে সম্মতি দেওয়ার অনুরোধ করা হয়।

ওই চিঠিতে ৪৭১টি নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জন্য ১৮৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা, ১৪৫টি উচ্চমাধ্যমিক কলেজের জন্য ১২৭ কোটি ১১ লাখ টাকা, ২৩২টি স্নাতক (সম্মান) কলেজে ১২৫ কোটি টাকা, ৬২৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৯২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা, ১৩৫টি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১০২ কোটি ২২ লাখ টাকা, ২৩২টি স্নাতক (পাস) কলেজে ৩৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: নির্বাচনের তিন দিন আগে নানা ‘অসঙ্গতি’র শিক্ষা আইন পাসে তড়িঘড়ি

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, সর্বশেষ ২০২৩ সালে কয়েক ধাপে নন-এমপিও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল-কলেজ) এমপিওভুক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তিতে ১০-৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করতে বলা হয়েছিল। আবেদনের ৮ মাস পর ২০২৩ সালের মে মাসে এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেওয়া হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাউশির এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয় নজিরবিহীনভাবে রকেট গতিতে এমপিওভুক্তির কার্যক্রম শেষ করার উদ্যোগ নিয়েছে। এ ধরনের দ্রুততা স্বাভাবিক নয়। বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেন ছাড়া এমন প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন কোনোভাবেই সম্ভব বলে মনে হয় না। বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটির মাধ্যমে খতিয়ে দেখা জরুরি।’

সার্বিক বিষয়ে বক্তব্য জানতে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক রফিকুল চৌধুরী আববার এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।

প্রতিবেশীদের সঙ্গে সংঘাত চায় না ইরান: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান
  • ২১ মার্চ ২০২৬
ঈদে বাড়িতে না যাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য বেরোবি উপাচার্যের বি…
  • ২১ মার্চ ২০২৬
ঈদের পরই নতুন সরকারের সামনে যে বড় তিন চ্যালেঞ্জ
  • ২১ মার্চ ২০২৬
ঈদ আসে-ঈদ যায়, প্রিয়জনের শূণ্যতা ঘোচে না
  • ২১ মার্চ ২০২৬
 ৪০০০ কিমি দূরে ব্রিটিশ-মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত…
  • ২১ মার্চ ২০২৬
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ বাতিল আয়ারল্যান্ডের
  • ২১ মার্চ ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • April 1, 2026
  • Admission Test
  • April 4, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
SUMMER 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence