অধ্যাপক ড. শামসুজ্জামান খান © ফাইল ফটো
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. শামসুজ্জামান খান বলেছেন, দেশে শিক্ষার বিস্তার যেভাবে ঘটেছে তা প্রশংসনীয় দাবিদার। কিন্তু শিক্ষার মান গুণগতভাবে বেড়েছে কিনা সেটাই প্রশ্ন থেকে গেছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে জাতীয় তিন অধ্যাপককে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে এসব কথা বলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. শামসুজ্জামান খান। বুয়েট শিক্ষক সমিতি ও বুয়েট এ্যালামনাই যৌথভাবে এ সংবর্ধনার আয়োজন করে।
‘আমাদের সময় : শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সাম্প্রতিক ভাবনা’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধে অধ্যাপক ড. শামসুজ্জামান খান আরও বলেন, শিক্ষার জন্য আমাদের মায়েরা শিশুদের জন্য যে ত্যাগ শিকার করে তাতে তাদের সাধুবাদ না দিলে হয়না। মফস্বলের স্কুলে শিশুদের ব্যাপকহারে আসাটাও খুবই আশাব্যঞ্জক বিষয়। তবে সারা দেশে কোচিং সেন্টার আর গাইড বই শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনা ও উৎসাহদানে উদ্ধুদ্ধ করছে তার প্রমাণ জোরালো নয়।
তিনি বলেন, জিপিও-৫ পাওয়ার জন্য আমাদের শিক্ষার্থীদের খুবই হতাশা দেখা যায়। কিন্তু এই জিপিএ-৫ নিয়ে শিক্ষার্থীরা যখন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় অযোগ্য হয়-তখন মনে প্রশ্ন জাগে যে ব্যাপার কি? তারা জ্ঞান-বিজ্ঞানের বই পড়ে না। তাদের হাতে গাইড বই। এটা খুবই হতাশার বিষয়।
অনুষ্ঠানে জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম ও অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীও বক্তব্যে রাখেন। তাছাড়া অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ কে এম মাসুদ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ আজিজুল হক, কবি মুহম্মদ নুরুল হুদা ও বুয়েটের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এইচ খান। অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য রাখেন বুয়েট এলামনাই এর মহাসচিব ড. সাদিকুর ইসলাম ভূঁইয়া।