পরিবারের উন্নয়নে নারীর হাতে টাকা রাখাই উত্তম: অর্থ উপদেষ্টা

১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:৫৯ PM
সেমিনারে অতিথিবৃন্দ

সেমিনারে অতিথিবৃন্দ © টিডিসি ফটো

অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, নারীরা সবচেয়ে উদ্যোগী ও কর্মঠ। টাকা-পয়সার হিসাব রাখতেও পারদর্শী। পুরুষরা টাকা পেলে অনেক কিছুই করে, তাই পরিবারের উন্নয়নে নারীর হাতে টাকা রাখাই উত্তম।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ) আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহ্‌রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের (র‌্যাপিড) চেয়ারম্যান ড. আব্দুর রাজ্জাক।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বাংলাদেশের দারিদ্র্য হ্রাসের অগ্রগতি গত কয়েক দশক ধরে উল্লেখযোগ্য হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তা উল্লেখযোগ্যভাবে মন্থর হয়েছে। মূল্যস্ফীতির চাপ এখন লাখ লাখ মানুষকে আবার দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিয়েছে। ২০২২ সালের পর থেকে দারিদ্রের পরিমাণ বাড়ছে। প্রায় ৯০ লাখ মানুষ দরিদ্র হয়েছে।

তিনি বলেন, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিগুলো সবচেয়ে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে যথাযথভাবে পৌঁছাতে পারছে না। যাদের পাওয়ার কথা না তারাও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় সুবিধা পাচ্ছেন। দারিদ্র্যসীমার ওপরে থাকা ৩৭ দশমিক ৫০ শতাংশ জনগোষ্ঠী সরকারের কোনো না কোনো ভাতা পাচ্ছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, দরিদ্র একটা কঠিন বিষয়, কমপ্লেক্স। আমাদের দেশে বহু দরিদ্র জনগণকে দেখলেই বোঝা যাবে দরিদ্র। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল, বরিশাল, পটুয়াখালী, পিরোজপুরের বহু মানুষ অর্ধেক সময় পানিতেই থাকে। এরকম খারাপ একটা জায়গা আছে যেখানে একেবারে স্যাঁতস্যাঁতে জায়গা। অতএব দরিদ্র দূর করা একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ। তবে বাংলাদেশে একটা ভালো রেকর্ড হলো দারিদ্রতা কমে, আমি বলব সাফল্য। ক্রমাগত, বিশেষত ২০১০ থেকে শুরু করে ক্রমাগত কমেছে।

তিনি বলেন, এখন ২০২২ থেকে হঠাৎ করে আবার একটু রিভার্স করেছে। তবে দারিদ্রের দুইটা দিক আছে- একটা আমরা সাধরণতা বলি স্টেট, মানে অবস্থান। আরেকটা হলো প্রসেস। এখন আমাদের যেটা আছে প্রথম স্টেট। এত বেশি দরিদ্র যে এটাকে তো ট্যাকেল করতে হবে প্রথম। আর প্রসেসটা দরিদ্র কিন্তু রোজগার জেনারেট হচ্ছে, দিন দিন বাড়ছে। আমাদের এত বড় একটা সংখ্যা যে জন্য আমাদের চ্যালেঞ্জটা একটু বেশি। অর্থাৎ নিশ্চিত প্রসেসে একটু গলদ আছে। গলদ না থাকলে তো আরেকটু কমতো, আরো বেশি কমতো। মাঝখানে রিভার্স হতো না।

তিনি আরও বলেন, আমি মনেকরি সবচেয়ে বেশি দুর্বলতা বাস্তবায়নে। আমাদের এখানে বাস্তবায়ন এত খারাপ, এত ভালো ভালো ডিজাইন হয়, কিছু ডিজাইন খুবই ভালো কিন্তু বাস্তবায়ন হয় না। এই জিনসটাকে আমাদের উন্নতি না করলে, আমাদের জন্য ডিফিক্যাল্ট হবে। দুর্নীতি আছে, আমাদের আইনের কিছু গলদ আছে, আমাদের প্রক্রিয়ায় কিছু গলদ আছে। যাই হোক, আমার মনে হয় আমাদের প্রোগ্রেসটা এখনো মোটামুটি ভালো।

যুবদল নেতাকর্মীদের মারধরে জেলা বিএনপি নেতা আহত
  • ০৪ জুন ২০২৬
নিহত শ্রমিক পরিবারকে ১ লাখ টাকা সহায়তা জামায়াতের শ্রমিক কল্…
  • ০৪ জুন ২০২৬
জুলাই থেকে শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে যা বলছে মন্ত্রণা…
  • ০৪ জুন ২০২৬
তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার
  • ০৪ জুন ২০২৬
জাতীয় সংসদ জনমুখী শাসনব্যবস্থা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে: স্প…
  • ০৪ জুন ২০২৬
পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযুক্তকে গণপিটুনি, পুলিশে সোপর্দ
  • ০৪ জুন ২০২৬