শিক্ষকদের বদলি সফটওয়্যারে পদের ধরনে জটিলতা, দেখাচ্ছে না বিষয়

২১ জুন ২০২৬, ০৪:৩৮ PM , আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০৪:৩৯ PM
মাউশি

মাউশি © ফাইল ছবি

বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি সফটওয়্যারে পদের ধরন নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। এর ফলে দেখাচ্ছে না শিক্ষকদের বিষয়। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান প্রধান বদলির জন্য তথ্য ইনপুট দিতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন।

প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বদলি সফটওয়্যারে পদ সংক্রান্ত ক্যাটাগরিতে পদের ধরণ সাব ক্যাটাগরিতে পদের ধরণ এবং অনুমোদিত শাখা শিক্ষক অপশন সিলেক্ট করলে শিক্ষকদের বিষয়ের ঘরে কোনো কিছু দেখাচ্ছে না। এই ঘরটি ফাঁকা থাকায় পরবর্তী ধাপে যেতে পারছেন না তারা। তবে পদের ধরণে অতিরিক্ত শিক্ষক-কর্মচারী অপশন দেওয়া হলে বিষয় দেখাচ্ছে। 

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) জানিয়েছে, সফটওয়্যারটি ১১ দিন বন্ধ ছিল। এছাড়া সফটওয়্যারে অনেক বিষয় আপডেট হওয়া বাকি। ফলে যে সমস্যাগুলো দেখা দিচ্ছে সেটি তাৎক্ষণিক সমাধানের চেষ্টা করছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি পরিচালক (মাধ্যমিক) প্রফেসর মো. সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, ‘এ ধরনের সমস্যার বিষয়টি জানা নেই। তবে শিক্ষকরা কে কোন বিষয়ে চাকরি করেন সেটি না দেখালে তথ্য সাবমিটে জটিলতা তৈরি হতে পারে। বিষয়টি সমাধানে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হবে।’

এদিকে বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানদের তথ্য এন্ট্রির সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠান প্রধানরা তথ্য ইনপুট দিতে পারবেন।

রবিবার এ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক জারি করা ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬ (সংশোধিত)’ অনুযায়ী টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের কারিগরি সহায়তায় বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী বদলির লক্ষ্যে প্রস্তুতকৃত সফটওয়্যারের মাধ্যমে মাঠপর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলমান ছিল।

তবে সফটওয়্যারের কারিগরি সীমাবদ্ধতার কারণে হঠাৎ করে সার্ভার শাটডাউন হয়ে যাওয়ায় মাঠপর্যায় থেকে তথ্য ও ডাটা সংগ্রহের কাজ কিছুটা বিঘ্নিত হয়। পরবর্তীতে সফটওয়্যারটির কারিগরি সমস্যা সমাধান হওয়ায় যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনও তথ্য বা ডাটা ইনপুট দিতে পারেনি, সেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইনপুট সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্কুল পর্যায়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের তথ্য ইনপুট, ভেরিফাই ও চূড়ান্ত অনুমোদনের শেষ তারিখ ২৫ জুন ২০২৬। উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের জন্য শেষ তারিখ ৫ জুলাই এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের জন্য ১৫ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে কলেজ পর্যায়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের তথ্য ইনপুট, ভেরিফাই ও চূড়ান্ত অনুমোদনের শেষ তারিখ ২৫ জুন। আঞ্চলিক উপপরিচালক (কলেজ)-এর জন্য শেষ তারিখ ৫ জুলাই এবং আঞ্চলিক পরিচালকদের জন্য ১৫ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়াও মাউশির বিজ্ঞপ্তিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য বা ডাটা আবশ্যিকভাবে সফটওয়্যারে ইনপুট দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।

সংসদে মিনিটে খরচ পৌনে ৩ লাখ, অথচ আলোচনা মুক্তিযুদ্ধে কার বা…
  • ২১ জুন ২০২৬
সংসদে নিজের বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করলেন স্পিকার
  • ২১ জুন ২০২৬
১২৭৪৭২ শিক্ষক-কর্মচারীর বিল সাবমিট বাকি, যে পরামর্শ দিল মাউ…
  • ২১ জুন ২০২৬
‘যেকোনো কাজেই ভাইস চ্যান্সেলরের কাছে ছুটে যাওয়া বন্ধ করতে হ…
  • ২১ জুন ২০২৬
‘২০২৮ সাল থেকে প্রাথমিকের কারিকুলাম আমূল পরিবর্তন হচ্ছে’
  • ২১ জুন ২০২৬
ঝিনাইদহে বাসের চাপায় প্রাণ গেল ট্রাকচালকের
  • ২১ জুন ২০২৬