শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক ও মাউশি লোগো © ফাইল ছবি
বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি চালু করতে মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। এক্ষেত্রে দুটি বিষয় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই দুই বাধা না কাটলে সহসাই মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে না।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) একটি সূত্র জানিয়েছে, মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহের পূর্বে সংশোধিত এমপিও নীতিমালা জারি করতে হবে। এছাড়া শিক্ষকদের বদলির বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অবহিত করতে হবে। তার মৌখিক সম্মতি পাওয়ার পর মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হবে।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে মাউশির এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘বদলির সংশোধিত নীতিমালা এবং প্রধানমন্ত্রীর মৌখিক অনুমোদন পাওয়ার পর মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহের চিঠি পাঠানো হবে। চিঠি কবে পাঠানো হবে সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।’
এদিকে শিক্ষকদের বদলি নীতিমালায় স্বামী-স্ত্রীর নিজ জেলা যুক্ত করা হচ্ছে। পূর্বের নীতিমালায় নিজ জেলার বাইরে কর্মরত শিক্ষক এবং স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থলে বদলির সুযোগ রাখা হয়েছিল। সংশোধিত হতে যাওয়া নীতিমালায় এই দুটি বিষয়ের পাশাপাশি স্বামী-স্ত্রীর নিজ জেলাও যুক্ত হচ্ছে।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে মাউশির এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘অনেকের স্বামী কিংবা স্ত্রী সরকারি চাকরি করেন না। কেউ ব্যবসা আবার কেউ বেসরকারি চাকরি করেন। সেজন্য স্বামী অথবা স্ত্রীর নিজ জেলায় বদলির বিষয়টি যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
নিজ জেলার বিষয়টি কীভাবে যাচাই করা হবে— এমন প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘স্বামী-স্ত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অথবা ওয়ার্ড কমিশনারের প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে। সেগুলো যাচাই করে পরবর্তীতে স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থলে বদলি হওয়া যাবে।’
এদিকে শিক্ষকদের সংশোধিত বদলি নীতিমালার ফাইল চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য তোলা হয়েছে বলে জানা গেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, সংশোধিত বদলি নীতিমালার ফাইল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের দপ্তরে রয়েছে। তিনি অনুমোদন দেওয়ার পর নীতিমালা জারি করা হবে।