মাউশি © ফাইল ছবি
বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতার অনুমোদন হলেও এখনো সেটি ব্যাংকে পাঠানো হয়নি। আগামীকাল রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে এ অর্থ শিক্ষক-কর্মচারীদের অ্যাকাউন্টে যেতে পারে বলে জানা গেছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেল সূত্র জানিয়েছে, বৈশাখী ভাতার বিল অর্থ মন্ত্রণালয়ের আইবাস-এ সাবমিট করা হয়েছে। আইবাস থেকে অনুমোদনের পর এটি বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠানো হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক পরবর্তীতে অনুদান বন্টনকারী ব্যাংকগুলোতে টাকা ট্রান্সফার করবে।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে ইএমআইএস সেলের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘যতটুকু জেনেছি আগামীকাল বিকেলে শিক্ষক-কর্মচারীরা বৈশাখী ভাতার মেসেজ পাওয়া শুরু করবেন। কোনো কারণে আগামীকাল না হলে আগামী সোমবার থেকে বৈশাখী ভাতার মেসেজ পাওয়া শুরু করবেন।’
জানা গেছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতা বাবদ মোট ১৮১ কোটি ৩৬ লাখ ৫৬ হাজার ৩৮৮ হাজার টাকা ছাড় হয়েছে। এর মধ্যে ১২৯ কোটি ২৬ লাখ ৯৪ হাজার ২৭৬ টাকা স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য আর ৫২ কোটি ৯ লাখ ৬২ হাজার ১১২ হাজার টাকা কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য দেয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, প্রতি মাসে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের প্রস্তাব পাঠান প্রতিষ্ঠান প্রধান। অনলাইন বিল দাখিলের পর তা যাচাই-বাছাই শেষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে বেতনের অর্থ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ব্যাংকে পাঠায় কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়মিত প্রদান নিশ্চিত করতে সরকার ডিজিটাল বিল দাখিল ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া চালু করেছে। এর ফলে এখন বেতন-ভাতা প্রক্রিয়াকরণ আরও স্বচ্ছ হচ্ছে।