বাঁ থেকে ইশরাক, আসিফ ও রিদম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ক-ইউনিটের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার সংশোধিত ফলাফল আজ রবিবার প্রকাশিত হয়েছে। এবার ১৩ হাজার ৬শ’ ৮৫জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার বেড়ে হয়েছে ১৫ দশমিক ৯৩ ভাগ।
সংশোধিত ফলাফলে উত্তীর্ণদের মধ্যে সেরা তিনজনের মেধাক্রম অপরিবর্তিত রয়েছে বলে ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে চতুর্থ স্থান পরিবর্তিত হয়েছে। সংশোধিত ফলাফলে পাসের সংখ্যাও ও হার উভয় বেড়েছে। এছাড়া পূর্বে পাস করা কেউ সংশোধিত ফলাফলে ফেল করেনি বলে নিশ্চিত করেছে সূত্র।
আজকের সংশোধিত ফলাফলেও প্রথম হয়েছেন মো. ইশরাক আহসান। এর আগে ২০০ নম্বর পরীক্ষায় ১৭৮ পেয়ে ক ইউনিটে প্রথম স্থান অর্জন করেছিলেন ইশরাক। সংশোধিত ফলাফলেও তার মেধাক্রম পরিবর্তন হয়নি। ধরে রেখেছেন নিজের অবস্থান।
জিপিএর ভিত্তিতে ৮০ নম্বরের মধ্যে ইশরাকের মোট নম্বর ৮০। এছাড়া ভর্তি পরীক্ষায় এমসিকিউতে ৭৫-এর মধ্যে ৬৭.৫০ পেয়েছেন তিনি। আর লিখিত পরীক্ষায় ৪৫-এর মধ্যে পেয়েছেন ৩০.৫০। এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষায় তার মোট নম্বর ৯৮।
এছাড়া মেধাক্রমে দ্বিতীয় হয়েছেন আসিফ আজাদ। এর আগের ফলাফলে তার প্রাপ্ত নম্বর ছিল ১৭৭ দশমিক ২৫। তার মেধাক্রমও পরিবর্তিত হয়নি। জিপিএর ভিত্তিতে ৮০ নম্বরের মধ্যে আসিফের মোট নম্বর ৮০। এছাড়া ভর্তি পরীক্ষায় এমসিকিউতে ৭৫-এর মধ্যে ৬৬ পেয়েছিলেন। আর লিখিত পরীক্ষায় ৪৫-এর মধ্যে ৩১ দশমিক ২৫। এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষায় তার মোট নম্বর ৯৭ দশমিক ২৫।
তৃতীয় স্থান অধিকারী হলেন সাত্তিক ইসলাম রিদম। সংশোধিত ফলাফলে তার মেধাক্রমও পরিবর্তিত হয়নি। পরের মেধাক্রম চতুর্থ স্থান সংশোধিত ফলাফলে পরিবর্তিত হয়েছে।
গত ২০ অক্টোবর প্রকাশিত ফলাফলে নৈর্ব্যক্তিক ও লিখিত অংশে সমন্বিতভাবে পাস করেছিল ১১ হাজার ২০৭ জন পরীক্ষার্থী। পাসের হার ছিল ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ। পরে প্রকাশিত ফলাফলে অসামঞ্জস্য পরিলক্ষিত হওয়ায় ওইদিন সন্ধ্যায় ফলাফল স্থগিত করে ঢাবি প্রশাসন।
‘ক’ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার প্রধান সমন্বয়কারী বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক তোফায়েল আহমদ চৌধুরী সাক্ষরিত এক জরুরী বিজ্ঞপ্তিতে সেসময় বলা হয়েছিল, ‘কারিগরী ত্রুটির কারণে একটি সেটের MCQ অংশের উত্তরপত্র মূল্যায়ণে কিছু ভূল পরিলক্ষিত হয়েছে। এ জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। এমতাবস্থায় উপাচার্য সঙ্গে আলােচনা করে ঘােষিত ফলাফল স্থগিত করা হলো। সংশােধিত ফলাফল দ্রুততম সময়ে প্রকাশ করা হবে।’
এ বিষয়ে তখন অধ্যাপক তোফায়েল আহমদ চৌধুরী দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেছিলেন, ‘নতুন করে যাচাই হলে আরও কিছু শিক্ষার্থী পাশ করতে পারে। ভুল সংশোধন হলে কারও মেধাক্রম উপরে এলে আসবে। তার ন্যায্যটা সে পাবে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রোগ্রামের কারণে যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, তাহলে প্রোগ্রাম সংশোধন করলে সবার ফলাফল স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঠিক হয়ে যাবে।’