© টিডিসি ফটো
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ (ডি) ইউনিটের অধীনে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরীক্ষায় কোথাও কোনো অসন্তোষজনক ও অনভিপ্রেত খবর পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।
শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের একটি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমের কাছে এই দাবি করেন উপাচার্য। সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভেতরে ৫৬টি কেন্দ্র এবং বাইরের ২৮ টি কেন্দ্রসহ মোট ৮৬ টি কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়।
পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শনকালে কেন্দ্রের কয়েকজন পরীক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলেন উপাচার্য। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক একেএম গোলাম রব্বানী ও ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সমন্বয়ক সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক সাদেকা হালিম পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘আমাদের এই ইউনিটে অনেক শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছেন। কিন্তু আসন সীমিত। তাই এটি খুবই প্রতিযোগিতামূলক হবে। আমরা ইতিমধ্যে একটি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেছি। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বললাম প্রশ্নপত্রের গুণগত মান সম্বন্ধে। সামগ্রিকভাবে একটি সুষ্ঠু-সুন্দর পরিবেশ প্রতিটি হলেই দেখলাম। তারা খুবই স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করলো তাৎক্ষণিকভাবে।’
উপাচার্য বলেন, ‘ক্যাম্পাসের ভিতরে ও বাইরে মোট ৮৬টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কোথাও কোনো অসন্তোষজনক ও অনভিপ্রেত খবর আমরা পাইনি। সবকিছু সন্তোষজনকভাবেই এগিয়ে চলছে।’
এ বছর ‘ঘ’ ইউনিটে এক হাজার ৫৬০টি আসনের বিপরীতে ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীর সংখ্যা ৯৭ হাজার ৫০৫ জন। পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন বা টেলিযোগাযোগ করা যায় এরূপ কোন ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস/যন্ত্র বহন করতে দেওয়া হয়নি।
ক্যাম্পাসের বিভিন্ন কেন্দ্রে ঘুরে দেখা যায়, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া, পরীক্ষা চলাকালে ভ্রাম্যমান আদালত দায়িত্ব পালন করবে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে জানানো হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, ছাত্রলীগ ও বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া বিভিন্ন জেলার শিক্ষার্থীদের জেলা সংগঠন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের তথ্য সহায়তা দিয়েছে। এছাড়া, ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের বিশ্রামের জন্য চেয়ার ও খাবার পানির ব্যবস্থা করেছে।