মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের বর্ধিত সভায় নাম ও পদের অস্পষ্টতা থাকায় হট্টগোল বেধেছে নেতা-কর্মীদের মধ্যে। এছাড়াও ঘোষিত এই বর্ধিত সভা নির্ধারিত সময়ের চার ঘন্টা পর অনুষ্ঠিত হয়েছে পূর্ব।
মঙ্গলবার চারটায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপস্থিত হতে থাকেন ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদে নেতা-কর্মীরা। বিকাল চারটায় বর্ধিত সভা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারন সম্পাদক গোলাম রাব্বানী সঠিক সময়ে উপস্থিত না হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের চার ঘন্টা পর অনুষ্ঠিত হয় এই বর্ধিত সভা । ফলে নেতা-কর্মীদের মধ্যে সৃষ্টি হয় মিশ্র প্রতিকৃয়ার।
অন্যদিকে একই পোস্টে একাধিক নেতার নামের মিল থাকায় এবং ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে স্পট কোন নির্দেশা না দেওয়ায় বাকযুদ্ধে জড়িয়ে পরেন তারা। সূত্র জানায়, ফজলে রাব্বি খান নামে দুইজন রয়েছেন একই পদে, উপ ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক পদে মেহেদী হাসান নমে রয়েছেন দুইজন এছাড়াও আরিফ নামে সহ-সম্পাদক পদে রয়েছেন চারজনজন। তারা সবাই নিজ নিজ স্থান থেকে সমাধান চান এই সমস্যার।
এবিষয়ে ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক গোলাম রাব্বাণী বলেন, যে চিঠি পাবা তিনি ব্যাতিত অন্য কেউ দাবী করলে তার নামে মামলা করে দিবা। স্মারক থাকবে সকলের চিঠিতে। আগের মতো ফটোকপি চিঠি দেয়া হবে না।
ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের বিরুদ্ধে সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালনের অভিযোগ এনে সৈকতুজ্জামান সৈকত (সহ-সভাপতি) বলেন, আপনারা কেন্দ্রীয় নেতাদের এবং বিভিন্ন জেলার সভাপতি সাধারণ সম্পাদকদের ফোন রিসিভ করেন না বলে অভিযোগ রয়েছে এবং তাদের সাথে যোগাযোগ মেইনটেন করেন না।