টিএসসিতে সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলন
অনিয়ম, কারচুপিসহ নানা অভিযোগে ভোট বর্জনকারী ছাত্রসংগঠনগুলো পুনঃনির্বাচনের দাবিতে তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে কোটা সংস্কার প্যানেলের এজিএস প্রার্থী ফারুক হাসান জানান, আমরা পাঁচটি পূর্ণ প্যানেল আগামী তিনদিনের মধ্যে নির্বাচন বাতিলের দাবি জানাচ্ছি। দাবির সমর্থনে কাল দুপুর ১২টায় এক বিক্ষোভ মিছিল বের করা হবে। যা পরে উপাচার্য কার্যালয়ে গিয়ে ড. আখতারুজ্জামানকে দাবি জানাবে।
এ সময় কোটা সংস্কার আন্দোলন প্যানেলের জিএস প্রার্থী রাশেদ খান, বামপন্থী প্যানেলের লিটন নন্দী, স্বতন্ত্র প্যানেলের জিএস প্রার্থী আসিফুর রহমানসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মলনে ফারুক বলেন, আমাদের বাংলাদেশ ছাত্র সংরক্ষণ অধিকার পরিষদের সিদ্ধান্ত নির্বাচন বর্জন করা। এই নির্বাচন আমরা বাতিল চাই। সেটাকে ধরেই আমাদের কর্মসূচি চলবে।
নুর শপথ নেবে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে ফারুক বলেন, আমরা নির্বাচন বর্জন করেছি। সুতরাং ভিপি পদে নুরুল হক নুরের শপথ নেয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
সাংবাদিকদের ফারুক হাসান আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এটি একটি কলঙ্কময় নির্বাচন। এই বিতর্কিত নির্বাচনকে কালকেই (সোমবার) বর্জন করেছে পাঁচটি ছাত্রসংগঠনসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। একই সাথে পুনঃতফসিলের আহ্বান জানিয়ে চীফ রিটার্নিং অফিসার বরাবর লিখিতভাবে চিঠি দেয়া হয়েছে।
নির্বাচিত ভিপি নুরুল হক নুরের শপথ গ্রহণ করবে কি-না জানতে চাইলে তিনি জানান, যে পাঁচটি পূর্ণ প্যানেল আমরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছি, তারা নির্বাচন মানি না। সুতরাং যেখানে আমরা নির্বাচন মানি না সেখানে শপথ নেয়ার কোন প্রশ্নই আসে না।
প্যানেলের জিএস প্রার্থী রাশেদ খাঁন বলেন, নুরুল হক নুরের সাথে আমাদের এখনো আলোচনা হয়নি। তাঁর শপথের বিষয়ে আমরা কিছু জানাতে পারছি না। সংগঠনিকভাবে আলোচনা করে এর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।