বাড়ি ভাড়া ভাতা কমানোয় জাবি শিক্ষকদের মানববন্ধন

২৩ জানুয়ারি ২০১৯, ০৫:৫৩ PM

© টিডিসি ফটো

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শিক্ষক সমিতির বিরুদ্ধে শিক্ষকদের স্বার্থবিরোধী কর্মকান্ডের অভিযোগ এনে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে শিক্ষকদের নতুন জোট 'সম্মিলিত শিক্ষক সমাজ'। মানববন্ধনে শিক্ষকরা তাদের বেতন ভাতা থেকে বাড়ি ভাড়া ৫০% থেকে ৩৫% কমানোর সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। মানববন্ধনে বিভিন্ন বিভাগের শতাধিক শিক্ষক উপস্থত ছিলেন। 

বুধবার (২৩ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করেন আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও বামপন্থী শিক্ষকদের নতুন এ জোট। পরে জহির রায়হান মিলনায়তনের সেমিনার কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে তারা।

মানববন্ধন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আসন্ন শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে সম্মিলিত শিক্ষক সমাজের মনোনীত সভাপতি প্রার্থী অধ্যাপক অজিত কুমার মজুমদার।লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অ্যাক্ট ও অধ্যাদেশ বিরোধী কর্মকান্ড পরিচালনা, শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমে স্থবিরতা, অনিয়ম এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের অধিকারহরণ, মর্যাদাহানির কাজে লিপ্ত। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য শুধু অ্যাক্ট লংঘন করছেন না, বরং তিনি বর্তমানে শিক্ষকদের হয়রানি ও ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনির্বাচিত উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের মধ্যে বিভেদ ও তিক্ততা সৃষ্টির মাধ্যমে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির সম্পর্ক বিনষ্ট করে তাঁর ক্ষমতার মেয়াদ দীর্ঘায়িত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন।’

শিক্ষক সমিতি শিক্ষকদের স্বার্থবিরোধী কাজ করছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি শিক্ষকবৃন্দের স্বার্থ, সম্মান ও স্বাধীনতা সংরক্ষণে সোচ্চার হওয়ার কথা থাকলেও উপাচার্য শিক্ষক সমিতিকে নিজের ক্ষমতা রক্ষা ও অনুগত ব্যক্তিদের স্বার্থসিদ্ধি অব্যাহত রাখার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন। এছাড়া গত ৭ নভেম্বর সিন্ডিকেটের ৩০৩তম সভায় শিক্ষক বিরোধী সিদ্ধান্ত বাড়ি ভাড়া ভাতা কমিয়ে ৫০ শতাংশ থেকে ৩৫ শতাংশ করা হয়েছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সেই সভায় উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও শিক্ষকদের পক্ষে না গিয়ে উপাচার্যের সমর্থক হয়ে কাজ করেছেন। এটা সাধারণ শিক্ষকদের সাথে তামাশা ও প্রতারণার সামিল।’

এসব অভিযোগের ব্যাপারে শিক্ষক সমিতির সভাপতি বলেন, ‘সিন্ডিকেট সভায় এই সম্পর্কিত আলোচনা হয়েছে কিন্তু কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। কারণ এখন পর্যন্ত কোন শিক্ষকের বেতন থেকে টাকা কাটা হয়নি। যে সব শিক্ষকরা সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে উপস্থাপন করছেন তা সঠিক নয়। আমরা এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করবো।’

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটে আলোচনা হওয়ার তিনদিনের মধ্য সার্কুলারটা আমাদের কাছে পৌঁছানোর কথা। কিন্তু তা দুই মাস পর কেন পৌঁছালো তা আমরা খতিয়ে দেখবো। যদি এর পিছনে অন্য কোন কারণ থাকে এবং তার সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কর্মকর্তা জড়িত থাকেন। আর সেটা যদি অন্যদেরকে সুযোগ প্রদান করার স্বার্থে হয়ে থাকে তবে তাকে শোকজ করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রারকে অনুরোধ করেছি।

সংবাদ সম্মেলনে নেই কোচ-অধিনায়ক, তোপের মুখে ম্যানেজার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
গুমের অধ্যাদেশে বিএনপি আওয়ামী লীগের পথেই হাঁটছে: সারজিস আলম
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
সরাসরি মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে চাকরি আবুল খায়ের গ্রুপে, নেবে…
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
ভারতে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত, ২ পাইলট নিহত
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
১৭৮ কোটি টাকার সেতু নির্মাণ কাজ বন্ধ রেখে উধাও ঠিকাদার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
উনি নিজেকে কী মনে করেন—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে প্রশ্ন জামা…
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬