প্রতিশ্রুতির ভারে জাকসু, সাড়ে ১১ মাসে বাস্তবায়ন কতটুকু?

২৭ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৫৩ PM , আপডেট: ২৭ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৫৩ PM
প্রতিশ্রুতির ভারে জাকসু, সাড়ে ১১ মাসে বাস্তবায়ন কতটুকু?

প্রতিশ্রুতির ভারে জাকসু, সাড়ে ১১ মাসে বাস্তবায়ন কতটুকু? © টিডিসি সম্পাদিত ও সংগৃহীত

দীর্ঘ ৩৩ বছর পর অনুষ্ঠিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচন শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন প্রত্যাশার জন্ম দিয়েছিল। নির্বাচনের আগে বিভিন্ন প্যানেল শিক্ষার্থী কল্যাণ, একাডেমিক সংস্কার, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, পরিবহন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্রশাসনিক আধুনিকায়নের নানা প্রতিশ্রুতি দেয়। তবে দায়িত্ব গ্রহণের ১১ মাস পর ইশতেহারের বাস্তবায়ন, ছাত্র সংসদের কার্যক্রম এবং একাধিক বিতর্ককে ঘিরে ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনা বাড়ছে।

‎২০২৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে ২৫টি পদের মধ্যে ২০টিতে জয়ী হয় ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট’। অন্যদিকে, ভিপি পদে নির্বাচিত হন ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন’ প্যানেলের আব্দুর রশিদ জিতু। এছাড়া সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মুহিবুল্লাহ শেখ জিসান এবং ক্রীড়া সম্পাদক পদে মাহমুদুল হাসান কিরণ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন। অপরদিকে, ‘শিক্ষার্থী ঐক্য ফোরাম’ (বাগছাস-সমর্থিত) প্যানেল থেকে সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক পদে আহসান লাবীব এবং কার্যকরী সদস্য পদে মোহাম্মদ আলী চিশতী নির্বাচিত হন।

‎কারা কতটুকু বাস্তবায়ন করেছে
‎ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট’ নির্বাচনি ইশতেহারে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ, ফ্যাসিবাদমুক্ত ক্যাম্পাস গঠন, শিক্ষার্থী কল্যাণ তহবিল, সেশনজট নিরসন, গবেষণা সহায়তা বৃদ্ধি, শতভাগ আবাসন, ডাইনিংয়ে ভর্তুকি, স্বাস্থ্যসেবা, প্রশাসনিক অটোমেশন, পরিবহন উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক অবকাঠামো নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

‎এছাড়া শিক্ষক মূল্যায়ন ব্যবস্থা, মানোন্নয়ন পরীক্ষার সুযোগ, সম্পূরক বৃত্তি বৃদ্ধি, স্মার্ট আইডি কার্ড, ডিজিটাল কুপন ব্যবস্থা, ক্যাম্পাসব্যাপী ফ্রি ওয়াই-ফাই, পূর্ণাঙ্গ ইকোলজিক্যাল মাস্টারপ্ল্যান, সাইকেল লেন, পরিবেশবান্ধব রাইড-শেয়ার, আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া প্রশিক্ষক, ডে-কেয়ার সেন্টার, ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য র‌্যাম্প, ব্রেইল বই, অডিও বুক, ই-লার্নিং টুলস ও শ্রুতিলেখক সুবিধা চালুর প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছিল।

‎দায়িত্ব গ্রহণের ১১ মাস শেষে জোটের বেশ কয়েকটি প্রতিশ্রুতি আংশিক বা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শতভাগ আবাসন নিশ্চিতকরণ, গেস্টরুম সংস্কৃতির অবসান, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাফেটেরিয়ায় তিন বেলা খাবার সরবরাহ চালু, ২৪ ঘণ্টার অ্যাম্বুলেন্স সেবা, বাসের লাইভ ট্র্যাকিং অ্যাপ চালু, ক্যাম্পাসে ফ্রি ওয়াই-ফাই জোন চালু, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত রিকশা সেবা চালু, বটতলায় ওয়াশরুম স্থাপনের উদ্যোগ, কিছু অভ্যন্তরীণ সড়ক প্রশস্তকরণ ও ফুটপাত নির্মাণ, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে প্রশাসনের কাছে বিভিন্ন সুপারিশ প্রদান।

‎ডিজিটাল কুপন ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও কিছু অগ্রগতি হয়েছে। কয়েকটি হলে কুপন ব্যবস্থা চালু হলেও তা এখনো সব হলে পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে ইশতেহারের এ প্রতিশ্রুতিকে আংশিক বাস্তবায়িত হিসেবে দেখা যায়।

‎তবে জোটের ঘোষিত অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি এখনও বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ডাইনিংয়ে ৫০ শতাংশ ভর্তুকি, স্বাস্থ্যবীমা, টেলিমেডিসিন, সকল হলে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল কুপন ব্যবস্থা, শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি, মানোন্নয়ন পরীক্ষার সুযোগ, শিক্ষার্থী কল্যাণ তহবিল, সম্পূরক বৃত্তি বৃদ্ধি, গবেষণা সহায়তা সম্প্রসারণ, পূর্ণাঙ্গ ইকোলজিক্যাল মাস্টারপ্ল্যান, সাইকেল লেন, পরিবেশবান্ধব রাইড-শেয়ার, আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া প্রশিক্ষক, ডে-কেয়ার সেন্টার, ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার, স্মার্ট আইডি কার্ড এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য র‌্যাম্প, ব্রেইল বই, অডিও বুক, ই-লার্নিং টুলস ও শ্রুতিলেখক সুবিধাসহ অন্যান্য প্রতিশ্রুত সুবিধা।

‎অন্যদিকে, ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন’-এর নির্বাচনি ইশতেহারে শিক্ষক মূল্যায়ন ব্যবস্থা, খাতা পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ, গবেষণা সহায়তা বৃদ্ধি, শিক্ষার্থী কল্যাণ তহবিল, স্মার্ট আইডি কার্ড, ক্যাম্পাসব্যাপী ফ্রি ওয়াই-ফাই, সাংস্কৃতিক অবকাঠামো সম্প্রসারণ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং লেজুড়ভিত্তিক ছাত্ররাজনীতি বন্ধের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ক্যাম্পাসে ফ্রি ওয়াই-ফাই জোন চালু হয়েছে। তবে শিক্ষক মূল্যায়ন, খাতা পুনর্মূল্যায়ন, গবেষণা সহায়তা, শিক্ষার্থী কল্যাণ তহবিল, স্মার্ট আইডি কার্ড, সাংস্কৃতিক অবকাঠামো ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিশ্রুত সুবিধাসহ অন্যান্য উদ্যোগের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি এখনো দৃশ্যমান নয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

‎বিতর্কিত কর্মকাণ্ড‎
‎বর্তমান জাকসুর মেয়াদে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়েছে ভিপি আব্দুর রশিদ জিতুকে ঘিরে কয়েকটি বিতর্ক। তাঁর বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূতভাবে আবাসিক হলে অবস্থান, প্রভাব খাটিয়ে হলের নিয়ম পরিবর্তনের অভিযোগ, রিকশা নিবন্ধনকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজির অভিযোগ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক কর্মীকে ছাড়িয়ে নেওয়ার অভিযোগ এবং ছাত্রনেতা ও সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগ নিয়ে ক্যাম্পাসে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়।

‎বর্তমান জাকসুর আরেকটি আলোচিত ঘটনা ছিল সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুহিবুল্লাহ শেখ জিসানের পদত্যাগ। গত ১০ আগস্ট তিনি জাকসুর সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগপত্রে তিনি দায়িত্ব পালনে সমন্বয়হীনতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ এবং একজন নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ না পাওয়ার অভিযোগ তোলেন।

‎তিনি অভিযোগ করেন, একটি কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থাপক নির্বাচন ও অনুষ্ঠান পরিচালনায় তাঁর সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয় এবং প্রশাসন ও শিক্ষকদের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের নাম ঘোষণা করতে চাপ দেওয়া হয়। এ ঘটনার পর তাঁকে প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশের জন্যও চাপ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। পরে ওই অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করেন জাকসুর সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক আহসান লাবীব। ঘটনাটি জাকসুর অভ্যন্তরীণ সমন্বয় ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দেয়।

‎এ ছাড়া নির্বাচনের আগে লেজুড়ভিত্তিক ছাত্ররাজনীতি বন্ধের প্রতিশ্রুতি দেওয়া ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু পরে দলীয় রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ায় নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়। চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-তে যোগ দেন। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের একাংশ প্রশ্ন তোলেন, নির্বাচনের আগে দলীয় লেজুড়ভিত্তিক ছাত্ররাজনীতির বিরোধিতা করে ভোট চাওয়ার পর একটি রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়া তাঁর নির্বাচনি অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না।

‎এ ছাড়া পরিবেশ সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতি থাকা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয়ের লেক ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও সমালোচনা তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের একাংশের দাবি, জীববৈচিত্র্য রক্ষার অঙ্গীকারের সঙ্গে এমন সিদ্ধান্ত সাংঘর্ষিক।

‎যা বলেছেন জাকসু নেতারা‎
‎এবিষয়ে জাকসুর জিএস মাজহারুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ ৩৩ বছর পর অনুষ্ঠিত জাকসুর কার্যক্রম শুরু করতে পরিত্যক্ত ভবনে অফিস স্থাপনে প্রায় এক মাস বিলম্ব হয়। এরপর প্রশাসনিক জটিলতা ও বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে গত ১১ মাসে জাকসু সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে গুণগত পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে তিনি ক্যাম্পাসকে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়টি উল্লেখ করেন।

‎তিনি বলেন, গেস্টরুম সংস্কৃতি, র‌্যাগিং, রাজনৈতিক কর্মসূচি ও চাঁদাবাজির মতো বিষয়গুলোকে মোকাবিলা করে জাকসু শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করতে পেরেছে। একই সঙ্গে পরিবহন, স্বাস্থ্য, খাদ্যনিরাপত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি ও গ্রন্থাগারসহ বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

‎জিএস বলেন, ৫৫ ব্যাচ থেকে অটোমেশন প্রক্রিয়া শুরুর দাবি বাস্তবায়ন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়কের কাজ ও ফুটপাত নির্মাণের অনুমোদন, বটতলায় ওয়াশরুম স্থাপনের কাজ শুরু, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ফ্রি ওয়াই-ফাই জোন চালু এবং একাডেমিক বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের উন্নয়ন এবং উচ্চশিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাকেন্দ্রিক বিভিন্ন কার্যক্রমও হাতে নেওয়া হয়েছে।

‎তিনি আরও বলেন, জাকসুর বেশিরভাগ কাজই এখন প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আমরা আশা করছি, এই এক মাসে এসব কাজের অনেকটাই দৃশ্যমান হবে। তবে প্রশাসনিক অসদিচ্ছা ও সম্প্রতি তৈরি হওয়া অসহযোগিতার জায়গাগুলো আমাদের উদ্বিগ্ন করছে এবং কাজ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ঝুঁকি তৈরি করছে। আমরা আমাদের আন্তরিকতার সর্বোচ্চটুকু দিয়ে কাজ করেছি। আশা করছি, মেয়াদের শেষ সময়ে বাকি কাজগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চসংখ্যক কাজ আমাদের জায়গা থেকে বাস্তবায়ন করে যেতে পারব।

‎এবিষয়ে জানার জন্য জাকসুর ভিপি আব্দুর রশিদ জিতুর মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

‎‎শিক্ষার্থীদের মতে, কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলেও নির্বাচনের সময় দেওয়া অনেক বড় অঙ্গীকার এখনো বাস্তবায়নের অপেক্ষায়। ফলে ১১ মাস পর এসে প্রশ্ন উঠছে, ইশতেহারগুলো কতটা বাস্তবসম্মত ছিল এবং বাকি মেয়াদে বর্তমান জাকসু তাদের প্রতিশ্রুতিগুলোর কতটা বাস্তবায়ন করতে পারে। এটি এখন শিক্ষার্থীদের প্রধান প্রত্যাশা।

বদলির আইডি-পাসওয়ার্ড না পাওয়া শিক্ষকদের সুখবর দিল মাউশি
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
৩য় অধিবেশনের প্রথম দিনে উত্তপ্ত জাতীয় সংসদ
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
একাদশে ভর্তি: শিক্ষা-সাফল্য ও অবকাঠামোয় এগিয়ে থাকা ২০ কলেজ
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
মিয়ানমারে সার-সিমেন্ট পাচারকালে আটক ৬
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
মোবাইল বন্ধক রেখে ইয়াবা কিনেছিলেন আসামিরা
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
ফরিদপুরে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬