সিকেডি হাসপাতালে চাঁদাবাজি, যুবদল নেতা মঈনের চার সহযোগী চার দিনের রিমান্ডে

১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩১ PM
যুবদল নেতা মঈনের চার সহযোগী

যুবদল নেতা মঈনের চার সহযোগী © টিডিসি ফটো

রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদাবাজির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন মঈনের চার সহযোগীকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। 

আজ সোমবার বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন। রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন—মো. ফারুক হোসেন সুমন (৪২),  মো. লিটন মিয়া (৩৮), মো. ফালান মিয়া (৪২) ও মো. রুবেল (৪২)।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক মো. ছাব্বির আহমেদ আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছিলেন।

তদন্ত কর্মকর্তা তার আবেদনে উল্লেখ করেন, এই মামলার ঘটনার সঙ্গে আসামিদের জড়িত থাকার প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। আসামিরা পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছেন। তাই ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন, পলাতক ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের পরিচয় নিশ্চিত করা এবং এই পরিকল্পনার নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তাদের নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, সিকেডি হাসপাতাল একটি মানবিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত যেখানে আড়াই হাজারের বেশি মানুষ নিয়মিত স্বল্পমূল্যে বা বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পান। এমন একটি প্রতিষ্ঠানে চাঁদা দাবির ঘটনা দেশজুড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। এই অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় আসামিদের রিমান্ড মঞ্জুর করা একান্ত প্রয়োজন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। দাবি করেন, আসামিরা এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন। তারা পেশায় কেউ ডিম ব্যবসায়ী, কেউ রিকশাচালক বা গাড়িচালক। মূল আসামিকে আড়াল করতেই সাধারণ এসব মানুষকে এই মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।

তবে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করে প্রত্যেকের চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

উল্লেখ্য, গত ১১ এপ্রিল সিকেডি হাসপাতালে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন মঈনকে প্রধান আসামি করে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলাটি দায়ের করেন হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ইনচার্জ মো. আবু হানিফ।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মঈন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে চাঁদার জন্য হুমকি দিয়ে আসছিলেন। গত ১০ এপ্রিল সকালে মঈন একদল লোক নিয়ে বাদীর বাসায় গিয়ে তার স্ত্রীর কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে সপরিবারে ক্ষতির হুমকি দেন। পরবর্তীতে তারা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন লোক নিয়ে হাসপাতালের সামনে জড়ো হয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। এসময় তারা হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. কামরুল ইসলামকে লক্ষ্য করে অকথ্য ভাষায় গালাগালি ও হুমকিমূলক স্লোগান দিয়ে হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিবেশ ও চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত করার চেষ্টা চালায়।

স্বাস্থ্যে বাজেট বৃদ্ধি তখনই কার্যকর হবে, যখন তামাকের ব্যবহ…
  • ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাবির তিন অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ট্রাইবুনাল, একজনের বিরুদ্ধে তদ…
  • ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে দুর্ঘটনা, বিমানবাহিন…
  • ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নবম পে-স্কেলের প্রস্তাবিত গেজেট দেখুন এখানে
  • ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাশেদ খাঁনকে ২০১৯ সালের ডাকসুর জিএস ঘোষণা
  • ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাষ্ট্রায়ত্ত পাঁচ ব্যাংকে নতুন ১৫ পরিচালক, অব্যাহতি ১০ জন
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬