মানব পাচারকারী দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে এক কিশোরীর মৃত্যু

১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:১৮ PM , আপডেট: ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:১৯ PM
টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স © সংগৃহীত

কক্সবাজারের টেকনাফে সাগরপথে মানব পাচারকে কেন্দ্র করে দুই অস্ত্রধারী গ্রুপের গোলাগুলিতে সুমাইয়া আক্তার (১৭) নামে এক কিশোরী নিহত হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালী পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাগরপথে মানব পাচারের উদ্দেশ্যে রোহিঙ্গাসহ কয়েকজনকে বাহারছড়ার নোয়াখালী পাহাড়ি এলাকায় জিম্মি করে রাখে একটি মানবপাচারকারী চক্র। এদের উদ্ধারের লক্ষ্যে শুক্রবার সন্ধ্যায় উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে আসা ১০–১২ জন অস্ত্রধারী নোয়াখালী পাহাড়ি এলাকায় মানবপাচারকারীদের আস্তানায় হামলা চালায়। এ সময় মানবপাচারকারীরাও পাল্টা গুলি ছোড়ে। দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির এক পর্যায়ে পাহাড়সংলগ্ন স্থানীয় বাসিন্দা মো. ছিদ্দিকের বাড়িতে এসে গুলি লাগে। এতে তার মেয়ে সুমাইয়া আক্তার বুকে গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, বাহারছড়ার নোয়াখালী এলাকায় পাহাড়ে অস্ত্রধারী দুই গ্রুপের গোলাগুলির ঘটনায় একটি বসতবাড়িতে গুলি এসে লাগে। এতে এক কিশোরী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে। জড়িতদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাওশাত আলম কানন জানান, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক কিশোরীকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়। বুকে গুলি লাগায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।

বাহারছড়া নোয়াখালী পাড়ার ইউপি সদস্য মো. ইলিয়াছ বলেন, পাহাড়ি এলাকায় মানব পাচারের উদ্দেশ্যে কয়েকজনকে জিম্মি করে রাখে পাচারকারীরা। তাদের খোঁজে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অস্ত্রধারীরা সেখানে হামলা চালায়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে প্রায় আধা ঘণ্টা গোলাগুলি চলে। এতে স্থানীয় এক পরিবারের কিশোরী নিহত হয়। ঘটনার পর পাহাড়সংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

নিহত কিশোরীর বাবা মো. ছিদ্দিক আহমেদ বলেন, হঠাৎ সন্ধ্যায় পাহাড়ের ভেতর থেকে ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। কিছুক্ষণ পর আমার মেয়ের বুকে গুলি লাগে। সে সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। দ্রুত হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পাহাড়ে ডাকাত, মাদক ও মানব পাচারকারীরা সক্রিয় রয়েছে। আমি আমার মেয়ের হত্যার সঠিক বিচার চাই।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি: ইরানের প্রতিরোধ শক্তির রূপকার
  • ০১ মার্চ ২০২৬
ট্রাম্পের ঘোষণা: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত
  • ০১ মার্চ ২০২৬
ইরানের ওপর ট্রাম্পের হামলা: তার পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে বড় জু…
  • ০১ মার্চ ২০২৬
খামেনিকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের, ইরানের দাবি জীবিত আছেন; দৃঢ়…
  • ০১ মার্চ ২০২৬
চরফ্যাশনে দায়িত্বরত অবস্থায় পুলিশ কর্মকর্তার আকস্মিক মৃত্যু
  • ০১ মার্চ ২০২৬
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ‘বেঁচে নেই': নেত…
  • ০১ মার্চ ২০২৬