বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে হত্যা: প্রেমঘটিত কারণসহ ৪ বিষয় সামনে রেখে তদন্ত

২৫ জানুয়ারি ২০২৫, ০৮:৪০ PM , আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৫, ১১:৫৭ AM
অর্ণব

অর্ণব © সংগৃহীত

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ছাত্র অর্ণব কুমার সরকার নামের (২৬) এক শিক্ষার্থীকে গুলি করে হত্যার সঙ্গে জড়িত কেউ গ্রেপ্তর হয়নি। তবে তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। অর্ণবের বাবার কনস্ট্রাকশন ব্যবসা, অপরাধ চক্র, চাঁদাবাজি এবং প্রেমঘটিত বিষয় এই চারটি বিষয়কে সামনে রেখে অর্ণব হত্যাকন্ডের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) রাত সোয়া ৯টার দিকে খুলনা মহানগরীর ব্যস্ততম কেডিএ অ্যাভিনিউ সড়কের তেঁতুলতলার মোড়ে অর্ণবকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

এ ঘটনায় শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) রাতভর নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ। অভিযানে সন্দেহভাজন তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। দিনভর তাদেরকে থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও এখন পর্যন্ত তেমন কোনো তথ্য মেলেনি। তবে পুলিশ তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করছে না।

আজ শনিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে অর্ণবের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। এরপর মরদেহ হস্তান্তর করা হলে নগরীর বানগরগাতী এলাকার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

অর্ণব হত্যা সম্পর্কে জানতে চাইলে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো: মনিরুজ্জামান মিঠু বলেন, আলোচিত হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে ৪ টি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে- চাঁদাবাজি, প্রেমঘটিত বিষয়, বাবার কনস্ট্রাকশন ব্যবসা ও অর্ণব কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য কি না। এই চারটি বিষয়কে প্রাথমিক কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, হত্যাকান্ডের তথ্য জানার জন্য রাতভর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এসময়ে তিনজনকে হেফাজতে নিয়ে তাদের কাছ থেকে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করে হত্যাকান্ডের তদন্ত সামনের দিকে নিয়ে যাবে পুলিশ।

তিনি আরও বলেন, একটি ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর অনেকগুলো ডালপালা বের হয়। কিন্তু কেউ তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করে না। অনেকে বলেছেন নিহত অর্ণব খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর ‘বি কোম্পানীর' সদস্য। কেউ বলছেন অর্ণব কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। আবার তার বাবার ব্যবসা কেন্দ্রীক বিরোধ নিয়ে তথ্য দিচ্ছেন। তাছাড়া প্রেমঘটিত বিষয়টিও সামনে আসছে। ফলে এখনই ঘটনার নেপথ্যের কারণ বলা সম্ভব নয়।

অর্ণবের বাবা নীতিশ সরকার বলেন, ‘আমার বাবা কারও সঙ্গে কোনো দিন দুর্ব্যবহার করেনি। কারও সঙ্গে কোনো দিন কথা কাটাকাটি করেনি। আমিও কোনো দিন কারও ক্ষতি করিনি। ওরা কেন আমার ছেলেকে এভাবে হত্যা করল। কার কাছে বিচার দেবো আমি?’

অর্ণব খুলনা নগরীর বানরগাতি এলাকার বাসিন্দা। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর (এমবিএ) শিক্ষার্থী ছিলেন।

এর আগে গতকাল (শুক্রবার) রাত সোয়া ৯টার দিকে তেঁতুলতলা মোড়ে একটি মোটরসাইকেলে হেলান দিয়ে অর্ণব চা পান করছিলেন। এ সময় ১০-১৫টি মোটরসাইকেলে সশস্ত্র লোকজন এসে প্রথমে তাকে গুলি করে। গুলি তার গায়ে লাগার পর রাস্তার ওপর পড়ে গেলে দুর্বৃত্তরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে রেখে যায়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পার্শ্ববর্তী খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গননা শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভোট কেন্দ্র পাহাড়া দিতে নেতাকর্মীদ…
  • ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
যুবলীগের চার নেতা গ্রেপ্তার
  • ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
মহিলাদের প্রচারে বাঁধা, সংঘর্ষে জামায়াতের ৬ কর্মী আহত
  • ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য বহ…
  • ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
গবেষণার পাশাপাশি কারুকার্যেও সৃজনশীলতার ছাপ রেখে চলেছে শিক্…
  • ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
জামায়াত নেতার বক্তব্যের প্রতিবাদে কুশপুত্তলিকা দাহ ও ঢাবি প…
  • ২৫ জানুয়ারি ২০২৬