বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল © সংগৃহীত
দেশের আনাচকানাচে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাবান বোলারদের খুঁজে বের করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ‘বোলার হান্ট’ নামের এই বিশেষ কার্যক্রমে অংশ নেন ২৫ হাজারেরও বেশি বোলার। দীর্ঘ যাচাই-বাছাই ও কয়েক ধাপের ট্রায়াল শেষে সেরাদের বেছে নেওয়া হয়। সোমবার (২ নভেম্বর) জমকালো আয়োজনে সেই নির্বাচিত বোলারদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল।
গত ১৫ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছিল এই প্রতিযোগিতা। দেশের ৮ বিভাগ থেকে অংশগ্রহণকারীদের বিপুল আগ্রহের কারণে একপর্যায়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই নিবন্ধন কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় আয়োজকরা। পুরো কার্যক্রমে দেশি কোচদের পাশাপাশি কাজ করেন বিদেশি বিশেষজ্ঞরাও।
প্রাথমিক বাছাইয়ে ২৫ হাজারের বেশি প্রতিযোগীর মধ্য থেকে জায়গা করে নেন ১৪৩ জন বোলার। তাদের মধ্যে ৫৭ জন পেসার ও ৮৬ জন স্পিনার। এই তালিকায় ছিলেন ১০৮ জন পুরুষ এবং ৩৫ জন নারী বোলার।
প্রাথমিকভাবে নির্বাচিতদের নিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল। দুই ধাপের এই বাছাইপ্রক্রিয়ার প্রথম পর্বে টিকে যান ৪২ জন। এরপর চূড়ান্ত ট্রায়ালে অভিজ্ঞ কোচদের মূল্যায়নে নির্বাচিত হন ২১ জন বোলার। তারাই ‘বোলার হান্ট’-এর চূড়ান্ত বিজয়ী। এই তালিকায় রয়েছেন চারজন নারী বোলারও।
সোমবার সন্ধ্যায় মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফ্যাশন শোর মাধ্যমে মঞ্চে তুলে ধরা হয় নির্বাচিত সেই ২১ বোলারকে। পাশাপাশি বিশেষভাবে মনোনীত দুই খুদে ক্রিকেটারকেও দেওয়া হয় সম্মাননা। তাদের হাতে স্মারক তুলে দেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালসহ বোর্ড ও পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান রবির কর্মকর্তারা।
এ সময় তামিম বলেন, 'আজকের যারা বিজয়ী, বিসিবির পক্ষ থেকে আমি এটাই বলতে চাই যে তাদের দায়িত্ব এখন আমার। তারা আমাদের এইচপি ইউনিটের অধীনে থাকবে। তাদেরকে গ্রুম করা হবে।'
বিসিবিপ্রধান বলেন, 'আমরা তাদেরকে সঠিক উপায়ে গ্রুম করতে পারি, যাতে তারা বাংলাদেশের ক্রিকেটকে আরও অনেক বেশি সেবা দিতে পারে। তো এ বিষয়ে নিশ্চিন্ত থাকুন যে, আমাদের বিশেষজ্ঞ এবং মেডিকেল টিম কিংবা অন্য যেকোনো ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের খুব ভালোভাবে দেখাশোনা করা হবে এবং আমরা তা নিশ্চিত করব।'