শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত © সংগৃহীত
মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়ের নিষেধাজ্ঞা এক ম্যাচ কমানোর প্রতিবাদে গত বছরের ২১ এপ্রিল বিসিবির চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছিলেন আইসিসির এলিট প্যানেলের আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত। তবে সেদিন তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিষয়টি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানিয়েছিলেন, আম্পায়ার্স কমিটির তৎকালীন চেয়ারম্যান ইফতেখার রহমান মিঠু।
বিসিবির একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পরও প্রায় এক বছর চুক্তির আওতায় ছিলেন সৈকত এবং এ সময়ে নিয়মিত বেতন-ভাতাও পেয়েছেন। অবশেষে ২০২৬ সালের এপ্রিলে তার সেই পদত্যাগ কার্যকর করা হয়।
আম্পায়ার্স বিভাগের এক কর্মকর্তাও জানিয়েছেন, বিষয়টি শুনেছেন তিনি। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেননি।
জানা গেছে, সাবেক এই ক্রিকেটারকে আম্পায়ারদের প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে চেয়েছিলেন আম্পায়ার্স বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান। কিন্তু বিসিবিতে প্রশাসনিক পরিবর্তনের কারণে সেই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি। পরবর্তীতে বর্তমান নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদও সৈকতের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেয়নি।
এদিকে, সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সৈকত নিজেও আর বিসিবির চুক্তিভিত্তিক দায়িত্বে থাকতে আগ্রহী নন। তবে দেশে নিয়মিত আম্পায়ারিং চালিয়ে যেতে চান তিনি। বর্তমানে আইসিসির এলিট প্যানেলের আম্পায়ার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।