তাওহীদ হৃদয় ও ডেভিড মালান © সংগৃহীত
মাত্র ১১ দশমিক ৩ ওভারেই ১০০ রান তুলে রংপুর রাইডার্স বড় সংগ্রহের ইঙ্গিত দিয়েছিল। চলতি বিপিএলে তখনই দুইশ রানের সম্ভাবনা উঁকি দেয়। কিন্তু ইনিংস যত এগিয়েছে, ততই ছন্দ হারায় ব্যাটিং। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রানেই থামতে হয় রংপুরকে।
বিপিএলের আগের তিন ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ভুগলেও ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়িয়েছে রংপুর রাইডার্স। এদিন রংপুরের ইনিংসের মূল ভরকেন্দ্র ছিলেন ডেভিড মালান ও তাওহীদ হৃদয়। যদিও শুরুটা ছিল বেশ মন্থর। প্রথম চার ওভারে দুজন মিলে তুলতে পেরেছিলেন মাত্র ১৯ রান। তবে পঞ্চম ওভার থেকেই গিয়ার বদলান এই দুই ব্যাটার।
হাত খুলে খেলতে শুরু করে দ্রুত রান তোলেন মালান ও হৃদয়। ইংলিশ ওপেনার মালান দারুণ ব্যাটিংয়ে ৩৫ বলেই তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। অন্য প্রান্তে তাকে দারুণ সঙ্গ দেন হৃদয়। তাদের দুজনের ব্যাটেই বিনা উইকেটে ১০০ রান পার করে রংপুর। সেঞ্চুরির পথে এগোচ্ছিলেন মালান, কিন্তু তাসকিন আহমেদের বলে স্কুপ শট খেলতে গিয়ে বোল্ড হন তিনি। ৪৬ বলে ৭৮ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে ফিরলে ভাঙে তাদের ১২৬ রানের উদ্বোধনী জুটি। বিপিএলে রংপুরের হয়ে প্রথম উইকেটে এটি সর্বোচ্চ রানের জুটি, যেখানে এর আগে স্টিভেন টেলর ও সৌম্য সরকার করেছিলেন ১২৪ রান।
এর কিছুক্ষণ পরই হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তাওহীদ হৃদয়। ৪০ বলেই পঞ্চাশ ছোঁয়া ডানহাতি এই ব্যাটার অবশ্য তার ইনিংসের আগেই কয়েকবার জীবন পান। সাইফউদ্দিন ও উসমানের হাতে তিনবার ক্যাচ উঠলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি তারা। শেষ পর্যন্ত পঞ্চাশের পর মারুফ মৃধার বলে ছক্কা মারতে গিয়ে সীমানায় ইমাদ ওয়াসিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন হৃদয়। ৪৬ বলে ৬২ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।
তিন নম্বরে নেমে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন কাইল মেয়ার্স। ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার ১৬ বলে ২৪ রান করে শেষ ওভারে আউট হলেও তাতে রংপুরের স্কোরে ভালোই গতি আসে। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮১ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় রংপুর রাইডার্স।