সাহিজাদা ফারহান ও নাজমুল হোসেন শান্ত © সংগৃহীত
নাজমুল হোসেন শান্ত ও সাহিবজাদা ফারহানের দৃঢ় ব্যাটিংয়ে ভিতটা শক্তভাবেই গড়ে উঠেছিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের। ৯৩ রানের জুটি ম্যাচে রাজশাহীকে বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন তারা। কিন্তু এই জুটির ভাঙনই যেন ইনিংসের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
শান্ত ও ফারহান ফেরার পরই একে একে ভেঙে পড়ে রাজশাহীর ব্যাটিং লাইনআপ। মিডল অর্ডারের আর কেউই দায়িত্ব নিতে পারেননি, শেষ পর্যন্ত সংগ্রহ কোনোমতে দেড়শ ছুঁয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাদের।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান করেছে রাজশাহী। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৫ রান করেন সাহিবজাদা ফারহান।
ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খেলেও নাজমুল হোসেন শান্ত ও সাহিবজাদা ফারহানের দৃঢ় ব্যাটিংয়ে ইনিংসের নিয়ন্ত্রণ নেয় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ৬ বলে ২ রান করে তানজিদ তামিম দ্রুত ফিরলেও, শান্তকে সঙ্গী করে আগ্রাসী মেজাজে খেলতে থাকেন ফারহান। দুজনের সাবলীল ব্যাটিংয়ে পাওয়ারপ্লেতে আর কোনো বিপদ হয়নি।
পাওয়ারপ্লের পরও শান্ত–ফারহানের আধিপত্য চলতে থাকে। নিয়মিত বাউন্ডারিতে স্কোরবোর্ড সচল রাখেন দুজনই। তবে দলীয় ১০৫ রানে অপ্রত্যাশিত রানআউটে শান্ত ফিরতেই পুরো ইনিংসে ভাটা পড়ে। অধিনায়কের বিদায়ের পর মিডল অর্ডার ব্যাটাররা কেউই ইনিংস টেনে নিতে পারেননি। মুশফিকুর রহিম ও মোহাম্মদ নওয়াজরা শুরু পেলেও তা বড় করতে ব্যর্থ হন। ফলে ১০৫ থেকে ১৪৩ রানের মধ্যেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে রাজশাহী।
শেষদিকে আর বড় কোনো জুটি গড়ে না ওঠায় নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রানেই থামে রাজশাহীর ইনিংস।