সংসদ ‘ডিবেট ক্লাবে’ পরিণত হয়েছে: ফরিদা আখতার

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪০ PM
জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘অধ্যাদেশ বাতিল এবং গণভোট অস্বীকারের রাজনীতি: সংসদীয় স্বৈরতন্ত্রের যুগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে কথা বলছেন সাবেক উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘অধ্যাদেশ বাতিল এবং গণভোট অস্বীকারের রাজনীতি: সংসদীয় স্বৈরতন্ত্রের যুগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে কথা বলছেন সাবেক উপদেষ্টা ফরিদা আখতার © টিডিসি

সাবেক উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, বর্তমান সরকারের টু-থার্ড সংখ্যাগরিষ্ঠতা শক্তির প্রতীক নয়, বরং দুর্বলতার বহিঃপ্রকাশ। সংসদটাকে তারা এখন একটা ডিবেট ক্লাবে পরিণত করেছে। ২১৩টি আসন থাকার পরও কার্যকর বিতর্ক নেই। অন্যদিকে পার্থ ও সালাউদ্দিন সাহেব ছাড়া তেমন কাউকে কথা বলতে দেখা যায় না—বাকি আলোচনায় স্থানীয় দাবি-দাওয়া নিয়েই সীমাবদ্ধ।

বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘অধ্যাদেশ বাতিল এবং গণভোট অস্বীকারের রাজনীতি: সংসদীয় স্বৈরতন্ত্রের যুগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, বিএনপি এখন এত সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পরে যেই কাজটা দেখাচ্ছে এটা তাদের শক্তির প্রদর্শন নয়, এটা তাদের দুর্বলতা। তারা আসলে কিছুটা দুর্বলতায় ভুগছে—তারা বছর চলতে পারবে কিনা সেই আশঙ্কাও তাদের মধ্যে আছে। ২০২৪ সালের আন্দোলনের অভিজ্ঞতা থেকেই সরকারের মধ্যে ভয় কাজ করছে। ২৪-এর আন্দোলনে যারা ছিল তারা কি এখনো সক্রিয় না? তারা তো এখনো তরুণ আছে, আগামী পাঁচ বছরেও থাকবে। ফলে আবার তারা রাস্তায় নামবে না—এই নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারে না।

আরও পড়ুন : সরকার গঠনের দুই মাসেই বিএনপির মধ্যে দমনমূলক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে : আসিফ মাহমুদ

ফরিদা আখতার বলেন, আমরা যদি সংবিধানে না থাকি তাহলে নির্বাচন কীভাবে অর্থবহ হবে? অথচ সরকার বলছে তারা সংবিধান মানছে—এটা একধরনের অসত্য বা মিথ্যাচার। টু-থার্ড মেজরিটি থাকার বিষয়টাই সংবিধানের সমস্যা। সংবিধান সংস্কার না করে তারা সংবিধানকেই অবমাননা করছে এবং এটাকে হাস্যকর করে তুলছে।

তিনি বলেন, সংসদের সার্বভৌমত্ব নিয়ে কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু গণসার্বভৌমত্ব ভুলে যাওয়া হচ্ছে। জনগণের ওপরে কোনো সার্বভৌমত্ব থাকতে পারে না—জনগণই একমাত্র সার্বভৌম। ১৩৩টি অধ্যাদেশ তিন ভাগে ভাগ করা হচ্ছে—কিছু বহাল, কিছু বাতিল, কিছু সংশোধন। কিন্তু যেভাবে এগুলো করা হচ্ছে, তাতে উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ব্রিটিশ-আমেরিকান টোবাকো এবং ফিলিপ মরিস-এর মতো কোম্পানির স্বার্থে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। ই-সিগারেট ও নিকোটিন পাউচ নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব বাদ দেওয়া হয়েছে। তিন ফসলি জমিতে তামাক চাষ বন্ধ রাখার বিধানও বাদ দেওয়া হচ্ছে। এতে খাদ্য নিরাপত্তার চেয়ে কোম্পানির স্বার্থকে বড় করে দেখা হচ্ছে—যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষিকার মৃত্যু: সেই ছিনতাইকারীদের ভিডিও …
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রধান শিক্ষককে হেনস্তার অভিযোগ বিএনপি নেতা ও তার ভাইয়ের বি…
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
ধোবাউড়ায় ভারতীয় ৭টি গরু আটক
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
এমপিওভুক্ত শিক্ষক পরিষদের সভাপতি সোহাগ, সম্পাদক হানিফ
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
খাদ্যগুদামে অনিয়ম হলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে: …
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
হাসপাতাল ফেলে আড়াই বছর যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসক, স্থায়ী বরখাস্…
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬