ঈদের ছুটিতে ঘুরে আসতে পারেন সবুজে ঘেরা শেরপুরে এসব পর্যটনকেন্দ্রে

১৯ মার্চ ২০২৬, ০৯:২২ PM , আপডেট: ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৪ PM
ঈদের ছুটিতে ঘুরে আসতে পারেন সবুজে ঘেরা শেরপুরে এসব পর্যটনকেন্দ্রে

ঈদের ছুটিতে ঘুরে আসতে পারেন সবুজে ঘেরা শেরপুরে এসব পর্যটনকেন্দ্রে © টিডিসি ছবি

ঈদের ছুটি ঘিরে ভ্রমণপ্রেমীদের আগ্রহ বাড়ছে দেশের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পাহাড়ি নির্জনতা ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের সমন্বয়ে স্বল্প সময়ে ঘুরে আসার জন্য অনেকের পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে জেলা শেরপুর। মেঘালয় সীমান্তঘেঁষা এই জেলায় রয়েছে নানা আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট, যেখানে ঈদের ছুটিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে কাটানো যায় আনন্দঘন সময়।

শেরপুরের ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ী ও শ্রীবরদী উপজেলা জুড়ে বিস্তৃত গারো পাহাড় এই জেলার প্রধান আকর্ষণ। সবুজে মোড়ানো পাহাড়, বনভূমি, ঝরনা ও নিরিবিলি পরিবেশ পর্যটকদের কাছে এনে দেয় স্বস্তির ছোঁয়া।

জেলার অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র গজনী অবকাশ কেন্দ্র। এখানে রয়েছে ভাসমান সেতু, ওয়াটার পার্ক, ওয়াটার কিংডম, প্যারাডোবা, ঝুলন্ত ব্রিজ, রোপওয়ে, জিপলাইনার, ক্যাবল কার, প্যাডেল বোট, সাম্পান নৌকা, আলোকের ঝর্ণাধারা, মিনি চিড়িয়াখানা এবং শিশু পার্ক। এছাড়া ভিউ টাওয়ারে উঠে সীমান্তবর্তী পাহাড়ের লুকোচুরি খেলা উপভোগ করার সুযোগ রয়েছে, যা দর্শনার্থীদের বাড়তি আনন্দ দেয়।

প্রকৃতির আরও কাছাকাছি যেতে চাইলে যেতে পারেন মধুটিলা ইকোপার্ক। এখানে রয়েছে স্টার ব্রিজ, ওয়াচ টাওয়ার, প্যাডেল বোট, ঝর্ণা, মিনি চিড়িয়াখানা এবং শিশু পার্ক। পাশাপাশি সুউচ্চ টিলায় ওঠার জন্য নির্মিত সিঁড়ি দর্শনার্থীদের জন্য তৈরি করে ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা।

শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত রাজার পাহাড় নির্জন প্রকৃতি উপভোগের জন্য উপযুক্ত স্থান। পাহাড়ের চূড়ায় উঠে দিগন্তজোড়া সবুজ আর নীরবতা ভ্রমণকে করে তোলে স্মরণীয়।

শুধু প্রকৃতি নয়, শেরপুরে রয়েছে ঐতিহাসিক নিদর্শনও। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ঘাগড়ালস্কর খানবাড়ী মসজিদ, মাই সাহেবা জামে মসজিদ, বারদুয়ারী মসজিদ এবং গোপীনাথ ও অন্নপূর্ণা মন্দির, যা জেলার ইতিহাস ও ধর্মীয় সহাবস্থানের সাক্ষ্য বহন করে।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. শাকিল আহম্মেদ বলেন, শেরপুরের অন্যতম আকর্ষণ পর্যটন কেন্দ্র হলো গজনী অবকাশ কেন্দ্র। ঈদ সামনে রেখে জেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলো নানাভাবে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। ঈদ উপলক্ষে প্রতিবছরই এখানে প্রচুর পর্যটকের সমাগম ঘটে। গারো পাহাড়ের এসব পর্যটনকেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদারসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে আগতরা নিরাপদেই আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন।

যাতায়াতের দিক থেকেও শেরপুর বেশ সুবিধাজনক। ঢাকা থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরত্বের এই জেলায় সড়কপথে সহজেই পৌঁছানো যায়। জেলা শহরে পৌঁছে সিএনজি বা অটোরিকশার মাধ্যমে বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে যাতায়াত করা যায়।

সব মিলিয়ে, প্রকৃতি, বিনোদন ও ইতিহাসের সমন্বয়ে ঈদের ছুটিতে শেরপুর হতে পারে একটি পরিপূর্ণ ভ্রমণ গন্তব্য।

এবার বাড়ল লঞ্চের ভাড়া
  • ০৬ মে ২০২৬
১-১২তম নিবন্ধনধারীদের নিয়ে যে পরিকল্পনা এনটিআরসিএর
  • ০৬ মে ২০২৬
‘শর্ত না মানলে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধই থাকবে’
  • ০৬ মে ২০২৬
সবার আগে বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণা উজবেকিস্তানের
  • ০৬ মে ২০২৬
কুবি ভিসির পদত্যাগসহ ৯ দফা দাবি ছাত্রদলের
  • ০৬ মে ২০২৬
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষে যে ১০ ভুল করা উচিত নয়
  • ০৬ মে ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SUMMER 2026
Application Deadline Wednesday, May 13, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9