বিশেষ ব্যবস্থায় আজ এইচএসসি পরীক্ষায় বসছে বগুড়া-নাটোরের সেই ১৮ শিক্ষার্থী

০৪ জুলাই ২০২৬, ১০:০১ AM
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড © সংগৃহীত ও সম্পাদিত

প্রবেশপত্র না থাকায় প্রথম দিনের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা বগুড়া ও নাটোরের ১৮ শিক্ষার্থী বিশেষ ব্যবস্থায় আজ শনিবার (৪ জুলাই) পরীক্ষায় অংশ নেবে। শুক্রবারের মধ্যেই তাদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড।

গত বৃহস্পতিবার এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়েও প্রবেশপত্র না থাকায় পরীক্ষা দিতে পারেনি এসব শিক্ষার্থী। তাদের অভিযোগ, ফরম পূরণের জন্য নির্ধারিত অর্থ কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীদের কাছে জমা দিলেও তা যথাসময়ে শিক্ষা বোর্ডে জমা দেওয়া হয়নি। ফলে তাদের নিবন্ধন সম্পন্ন হয়নি এবং প্রবেশপত্রও ইস্যু করা হয়নি।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীনে প্রথম দিনের এইচএসসি পরীক্ষায় মোট ২ হাজার ৪৯৭ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল, যা মোট পরীক্ষার্থীর ২ দশমিক ২১ শতাংশ। এ তালিকায় ওই ১৮ শিক্ষার্থীর নামও যুক্ত হয়।

ভুক্তভোগীদের মধ্যে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের ১০ জন এবং নাটোরের লালপুর উপজেলার আব্দুলপুর সরকারি কলেজের ৮ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।

আব্দুলপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান সূচি জানান, অনলাইনে ফরম পূরণে সমস্যার কারণে তিনি কলেজের অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকারের কাছে যান। অমিত তাঁর কাছ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে ফরম পূরণের আশ্বাস দিলেও পরে তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরীক্ষার আগে তিনি জানতে পারেন, তাঁর ফরমই পূরণ করা হয়নি।

আরো পড়ুন: অফিস সহকারীর গাফিলতিতে এইচএসসি পরীক্ষায় বসতে পারল না ৮ শিক্ষার্থী

একই অভিযোগ করেছেন ওই কলেজের আরও সাত শিক্ষার্থী—সবুজ আহম্মেদ, শিমুল শেখ, আকিবুল, শিমুল, শাওন, সাব্বির ও তানভির হোসেন।

আব্দুলপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মাহমুদুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে আট শিক্ষার্থীর মধ্যে কয়েকজন নির্বাচনি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেয়নি বলেও জানান তিনি।

বগুড়ার মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমান বলেন, কলেজে ফরম পূরণসংক্রান্ত সব আর্থিক লেনদেন ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়ার নিয়ম রয়েছে। কোনো কর্মচারীর হাতে সরাসরি টাকা দেওয়ার বিধান নেই। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত কর্মচারীর বিরুদ্ধে আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযুক্ত খণ্ডকালীন কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওন এবং অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শামীম আরা চৌধুরী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরই বোর্ডে নিবন্ধন সম্পন্ন হয়। কিছু অসাধু ব্যক্তির কারণে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তবে শুক্রবারের মধ্যেই বিশেষ ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা হয়েছে। ফলে তারা শনিবারের পরীক্ষা থেকে অংশ নিতে পারবে।

শেকৃবির নবীনবরণে ছাত্রদলকে প্রাধান্য দেওয়ায় প্রশাসনের বৈষম্…
  • ২৬ জুলাই ২০২৬
ফেলোশিপ নিয়ে গবেষণার সুযোগ হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে, করুন আ…
  • ২৬ জুলাই ২০২৬
সাড়ে ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষকের জন্যও কি বাধ্যতামূলক, জানালেন…
  • ২৬ জুলাই ২০২৬
কেন্দুয়ার নতুন ইউএনও সানজিদা চৌধুরী 
  • ২৬ জুলাই ২০২৬
‘নির্বাচন কমিশনে দলীয় নিয়োগ দিয়ে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে প্…
  • ২৬ জুলাই ২০২৬
সংবিধানের দোহাই দিয়ে চুপ্পুর গ্রেপ্তার ঠেকানো যাবে না: আখতা…
  • ২৬ জুলাই ২০২৬