ভাবছি মহিলা কলেজের সভাপতির পদটি ছেড়ে দিতে হবে!

১৫ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫৮ PM , আপডেট: ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪২ PM
মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন

মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন © সংগৃহীত

তদবিরের চাপে পটুয়াখালীর বাউফলের ইঞ্জিনিয়ার ফারুক তালুকদার মহিলা ডিগ্রি কলেজের সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগের ইঙ্গিত দিয়েছেন এনসিপি নেতা মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন। রবিবার (১৫ মার্চ) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান। বর্তমানে তিনি এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে কর্মরত আছেন।

মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন বলেন, আমাদের সময় টেস্ট পরীক্ষায় একটি পেপারে ফেল করলে শিক্ষার্থীকে বোর্ড পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হতো না। কিন্তু এখন তিনটি সাবজেক্টে ফেল করা শিক্ষার্থীরাও বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিতে চায়। শিক্ষকমণ্ডলী এবং কমিটির পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানানো সত্ত্বেও তদবির চলছেই, আর অনেকেই আমার ওপর মন খারাপ করেছেন। অনেক অভিভাবক মনে করেন, সভাপতি বললেই হবে, কিন্তু দায়িত্বে থাকা অবস্থায় নিয়ম মেনে চলতে হয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত বছর কিছু ফেল করা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলেও ৯৫ ভাগ শিক্ষার্থী ফেল করেছে। কলেজে গত ১৭ বছর ধরে লুটপাট চলছিল। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে কলেজের ফান্ডে নিয়মিত অর্থ জমা হচ্ছে। শিক্ষকমন্ডলী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গত বছর ঈদ বোনাস দেওয়া হয়েছে এবং এ বছরও ঈদ বোনাস ও বাড়িভাড়া দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, দায়িত্বকালীন সময়ে মন্ত্রণালয় থেকে কলেজের উন্নয়নের জন্য ১৫ লাখ টাকার বরাদ্দ পেয়েছেন। এ অর্থে ভবনের ছাদ, ফ্লোর, জানালা ও দরজা সংস্কার করা হয়েছে। ভাঙা ছাদ এবং অচল রুমগুলো পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করা হয়েছে এবং একটি দৃষ্টিনন্দন গেইট স্থাপন করা হয়েছে। ঠিকাদারকে বলা হয়েছিল, কাজ সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে হবে এবং কোনো ঘুষ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তিনি দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছেন। 

তদবিরের চাপে সভাপতির পদটি ছেড়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, তবে সবার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য এবং কারো মনে কষ্ট না দেওয়ার জন্য এবার সভাপতির পদটি মনে হয় ছেড়ে দিতে হবে।

এদিকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে আর কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা থাকছে না-এমন সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। সমালোচনার মুখে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের প্রশ্নই আসে না। বরং শিক্ষাগত যোগ্যতা ধাপে ধাপে ঠিক আছে কি না, এটা চেক করার জন্য প্রথম যাচাই-বাছাই করবেন ইউএনও, তারপর করবেন ডিসি অথবা ডিভিশনাল কমিশনার। এরপর নিজ নিজ বোর্ড যাচাই-বাছাই করে উপযুক্ত লোক এই কমিটিতে যাচ্ছে কি না, সেটা দেখবে। কেউ যদি কমিটিতে আসতে চান, তাহলে তাকে তিনটি লেয়ার (ধাপ) পার করে আসতে হবে। তবে সমাজে যাদের অবদান রয়েছে, তাদের বিষয়ে আমরা আলোচনা করছি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই সনদকে অবজ্ঞা করেছেন: নাহিদ ইসলাম
  • ১৫ মার্চ ২০২৬
৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা নিয়ে পিএসসির ৪ নির্দেশনা
  • ১৫ মার্চ ২০২৬
শেরপুর-৩ আসনে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ
  • ১৫ মার্চ ২০২৬
পানির ট্যাংক সংস্কারে ২০ দিন বন্ধ থাকবে ঢাকা কলেজ ছাত্রাবাস
  • ১৫ মার্চ ২০২৬
সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেবে সেনা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আব…
  • ১৫ মার্চ ২০২৬
প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের বদলির সুযোগ নিয়ে ধোঁয়াশা, যা বলছে মন্ত্…
  • ১৫ মার্চ ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • April 1, 2026
  • Admission Test
  • April 4, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
SUMMER 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence