শিক্ষক সংকটে ধুঁকছে বেনীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ব্যাহত পাঠদান

২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩৭ PM
বেনীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

বেনীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় © টিডিসি ফটো

নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার চন্দননগর ইউনিয়নের বেনীপুর গ্রামে অবস্থিত বেনীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বর্তমানে চরম শিক্ষক সংকটে ভুগছে। ১৯৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন শিক্ষক স্বল্পতা ছাড়াই কার্যক্রম চালিয়ে এলেও গত এক বছর ধরে পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ৬১ জন। এর মধ্যে ছেলে ৩১ জন এবং মেয়ে ৩০ জন। শ্রেণিভিত্তিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা হলো- প্রাক-প্রাথমিক ৩ জন, প্রথম শ্রেণি ১১ জন, দ্বিতীয় শ্রেণি ১৫ জন, তৃতীয় শ্রেণি ৭ জন, চতুর্থ শ্রেণি ১০ জন এবং পঞ্চম শ্রেণি ১৪ জন। মোট শিক্ষার্থীর প্রায় ৪০% ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থী রয়েছে, যা বিদ্যালয়ের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ।

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেরাফ বলেন, শিক্ষক কম থাকায় নিয়মিতভাবে সব বিষয়ে পাঠদান সম্ভব হয় না। সামনে আমাদের পরিক্ষা কিন্তু স্যার যখন আমাদের ক্লাস নেন তখন অন্য শ্রেনীর ছাত্র-ছাত্রীরা হইচই করে, এতে আমাদের ক্লাসের বিঘ্ন ঘটে। পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় সব বিষয় ঠিকমতো পাঠদান করা সম্ভব হয়না। 

বিদ্যালয়ের একমাত্র সহকারী শিক্ষক ফয়সাল হোসেন বলেন, “শিক্ষক সংকটের কারণে একসাথে একাধিক শ্রেণির পাঠদান চালানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। একজন শিক্ষক দিয়ে সব শিক্ষার্থীর মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাদ হোসাইন বলেন, এক বছর আগে প্রধান শিক্ষক বদলি হওয়ার পর পদটি এখনও শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে আরেকজন সহকারী শিক্ষক চাকরি ছেড়ে দেওয়ায় বর্তমানে আমি এবং একজন সহকারী শিক্ষক মিলে পুরো বিদ্যালয় পরিচালনা করছি।

তিনি আরও বলেন, অনেক সময় প্রশাসনিক কাজের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসে যেতে হলে পুরো বিদ্যালয়ের দায়িত্ব একজন শিক্ষকের ওপর পড়ে যায়। তখন একটি শ্রেণির ক্লাস নিতে গেলে বাকি শ্রেণির শিক্ষার্থীরা পাঠদান থেকে বঞ্চিত হয়। আবার আমি যখন স্কুলে থাকি নিজেও পাঠদান করাই, তারপরেও একই সমস্যা তৈরি হয়। সেই জন্য দ্রুত উক্ত বিদ্যালয়ে দুইজন সহকারী শিক্ষক এবং একজন প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হলে পুরোদমে পাঠদান করা সম্ভব। এছাড়াও পুরো বিদ্যালয়টি দেখভাল করার জন্য একজন অফিস সহায়তা প্রয়োজন।

বিদ্যালয়টিতে কোনো অফিস সহায়ক বা পিয়ন না থাকায় শিক্ষককেই অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। স্কুল ছুটির পরও প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন কাজ শিক্ষকদেরই করতে হয়, যা তাদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।

স্থানীয়রা জানান, আশপাশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস বেশি হওয়ায় বিদ্যালয়ে তাদের উপস্থিতিও বেশি। কিন্তু শিক্ষক সংকটের কারণে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় শিক্ষার মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এ অবস্থায় দ্রুত শিক্ষক নিয়োগসহ প্রয়োজনীয় পদ পূরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা।

শর্ত পূরণ করেও এমপিও বঞ্চিত, সুখবর দিল সংসদীয় স্থায়ী কমিটি
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিএমইউতে বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন নিয়ে বিশেষ সিএমই ও স…
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নিয়োগ-বাণিজ্য ও ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভ…
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গাড়ির লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান হলে আমরাই আয়োজন…
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‎জাবির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের নতুন সভাপতি ড. আলী আকবর
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনে বিভিন্ন পদে চাকরি, আবেদন ২৪ সেপ্টে…
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
FALL 2026
Application Deadline Wednesday, 16 Sept 2026
Apply Now

Admission Test Schedule

  • Test Date: Friday, 18 Sept 2026
  • Written Exam: 10:00 – 11:00 AM
  • Oral Viva: 11:30 AM onwards

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9