বাল্কহেড চলাচলের জন্য ভেঙে দেওয়া হলো বাঁশের সাঁকো

১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৭ PM
ইছামতি খালের ওপর নির্মাণাধীন বাকখাইন-কেঁয়াগড় রেগুলেটর প্রকল্প এলাকায় অস্থায়ীভাবে নির্মিত বাঁশের সাঁকো

ইছামতি খালের ওপর নির্মাণাধীন বাকখাইন-কেঁয়াগড় রেগুলেটর প্রকল্প এলাকায় অস্থায়ীভাবে নির্মিত বাঁশের সাঁকো © টিডিসি ফটো

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ইছামতি খালের ওপর নির্মাণাধীন বাকখাইন-কেঁয়াগড় রেগুলেটর প্রকল্প এলাকায় একটি বাঁশের সাঁকো ভেঙে ফেলা হয়েছে। বালুবাহী বাল্কহেড চলাচলের সুবিধার্থে সাঁকোটির মাঝখানের অংশ ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, খালের ওপর নির্মিত অস্থায়ী সাঁকোটির মাঝখানে ফাঁকা সৃষ্টি হয়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দা ও নির্মাণশ্রমিকদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। বর্তমানে তাঁদের নৌকার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রকল্পসংশ্লিষ্ট শ্রমিকদের অভিযোগ, চাতরী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. হাসান তারেকের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার রাতে কয়েকজন ব্যক্তি সাঁকোটি ভেঙে দেন, যাতে বালুবাহী বাল্কহেড সহজে চলাচল করতে পারে।

অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি সদস্য মো. হাসান তারেক বলেন, ‘এসব অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। কিছুদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া আইডি থেকে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। সাঁকো ভাঙার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিরাই ভালো বলতে পারবেন।’

তিনি আরও বলেন, অতীতে কিছু ব্যক্তি বালু ব্যাবসার সঙ্গে জড়িত থাকলেও বর্তমানে সেখানে এমন কোনো কার্যক্রম নেই এবং কে বা কারা সাঁকোটি ভেঙেছে, তা তাঁর জানা নেই।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট জানান, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তত্ত্বাবধানে নির্মাণাধীন রেগুলেটরটির কাজ এগিয়ে নিতে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান খালের ওপর অস্থায়ীভাবে সাঁকোটি নির্মাণ করে। মূলত নির্মাণসামগ্রী এক পাশ থেকে অন্য পাশে নেওয়ার জন্য এটি ব্যবহার করা হচ্ছিল।

রেগুলেটরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ সাজ্জাদ বলেন, ‘নির্মাণকাজের সুবিধার জন্য আমরা সাঁকোটি তৈরি করি। কিছু ব্যক্তি বাল্কহেড চলাচলের অসুবিধার কথা জানিয়ে সেটি আংশিক ভেঙে দেন। পরে নিজেদের খরচে পুনর্নির্মাণের আশ্বাসও দিয়েছেন। এতে আমাদের কাজের বড় ধরনের কোনো সমস্যা হচ্ছে না।’

এ বিষয়ে পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী শওকত ইবনে শাহীদ বলেন, ‘রেডিমিক্স কংক্রিট পরিবহনের সুবিধার্থে ঠিকাদার সাঁকোটি নির্মাণ করেছিল। কাজ শেষ হওয়ার পর স্থানীয়ভাবে কেউ ব্যক্তিস্বার্থে এটি ভেঙে দিয়েছে বলে আমরা জেনেছি। তবে এতে প্রকল্পের কাজে কোনো ব্যাঘাত ঘটছে না।’

উল্লেখ্য, ইছামতি খালের ওপর প্রায় ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে ছয় ভেন্টের বাকখাইন–কেঁয়াগড় রেগুলেটর নির্মাণ করা হচ্ছে। ‘জুলাই–৩৬ স্মৃতি।’ নামের এই প্রকল্পটি ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, চট্টগ্রাম। কাজ শেষ হলে এলাকার প্রায় পাঁচ হাজার কৃষক উপকৃত হবেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বাবার পরিশ্রম-সততা ছিল অনুপ্রেরণা, আনসার সদস্যের ছেলে বিসিএ…
  • ০৬ জুলাই ২০২৬
সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উপপরিচালক নিয়োগ
  • ০৬ জুলাই ২০২৬
জাবির নারী শিক্ষার্থীকে ধাক্কা, সেলফি পরিবহনের ৬ বাস আটক
  • ০৬ জুলাই ২০২৬
ইউআইইউ রেসকিউ রোভার টিমের ‘রোবোকাপ রেসকিউ লিগ ২০২৬’ -এ গৌরব…
  • ০৬ জুলাই ২০২৬
‘অফিসের লোক’ পরিচয়ে মিরসরাইয়ে বিদ্যুতের ট্রান্সফর্মার চুরির…
  • ০৬ জুলাই ২০২৬
বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা-বরাদ্দে নতুন নিয়ম শিক্ষকদের অ্যাকাডে…
  • ০৬ জুলাই ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • JULY 26, 2026
  • Admission Test
  • AUGUST 01, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
FALL 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence