ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে নাকাল কেন্দুয়াবাসী

১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৭ PM , আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৮ PM
নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কেন্দুয়া জোনাল অফিস

নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কেন্দুয়া জোনাল অফিস © সংগৃহীত

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় আকাশে মেঘ জমলেই বিদ্যুৎ বন্ধের প্রস্তুতি চলে। বৃষ্টির ফোঁটা পড়লেই বিদ্যুৎ উধাও, সন্ধ্যার পর হালকা বাতাস ও বৃষ্টি হলেও সারারাত বিদ্যুৎ বন্ধ থাকে। বেশি গরম পড়লে বিদ্যুতের চাহিদা বেশি কিন্তু সরবরাহ কম, ফলে বিদ্যুৎ বন্ধ। এ ছাড়া বর্তমানে চলছে বিদ্যুতের লুকোচুরি খেলা। তার ওপর চলছে পল্লী বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং। এতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে মানুষ। গরমে না ঘুমাতে পেরে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকে। আধ ঘণ্টার মতো বিদ্যুৎ দিয়ে দুই ঘণ্টা বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয় এই উপজেলায়।

এদিকে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ফোন দিলে ফোন ধরেন না- এমন অভিযোগ উঠেছে কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। এই উপজেলায় লোডশেডিং এমনই ভয়াবহ রূপ নিয়েছে যে, বিদ্যুৎ এই আছে তো এই নেই। বিদ্যুতের লুকোচুরি খেলায় বিপর্যস্ত এই উপজেলার  জনজীবন।

উপজেলার পৌরসভার আরামবাগের বাসিন্দা  বিদ্যুৎ গ্রাহক সুমা আক্তার বলেন, প্রায় সারা দিন চলে বিদ্যুতের আসা-যাওয়ার খেলা। এতে বাসার ফ্রিজ টিভিসহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে যায়। সংশ্লিষ্ট লাইনম্যানকে ফোন করলে বিদ্যুতের লাইনে গাছ পড়েছে বলে জানান। 

পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এ অবস্থা। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকছে দিনের অধিকাংশ সময়। গড়ে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা, কোথাও আবার এর চেয়েও বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। লোডশেডিংয়ে ব্যাহত হচ্ছে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাজ।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত এক সপ্তাহের তীব্র লোডশেডিংয়ে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ অনেক। তাই জীবন-জীবিকা স্বাভাবিক রাখতে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতের দাবি সবার।

অটোচালক সাইফুল বলেন, ‘ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি। আমাদের অটোরিকশা ফুল চার্জ করতে পারি না। রাতে ঘুমাতে অনেক কষ্ট হয়। এমনিতেই আমাদের এখানে তীব্র গরম চলছে, তার ওপর আবার বিদ্যুৎ থাকে না। খুব কষ্টে আছি।’

পৌর বাজার এলাকার গৃহিণী আকলিমা বেগম আক্ষেপ করে বলেন, এই উপজেলায় ২৪ ঘণ্টায় বিদ্যুৎ থাকে না ১৫-১৬ ঘণ্টা। এতে ফ্রিজে থাকা সব জিনিস নষ্ট হয়ে যায়। রিচার্জেবল ফ্যান বা আইপিএস থাকলেও বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে বাসাবাড়িতে তাও চার্জ হয় না।

উপজেলার কমলপুর গ্রামের কামরুজ্জামান বলেন, ‘দিন-রাত মিলিয়ে ২০-৩০ বার লোডশেডিং হয়। মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। রাতে ঘুমাতে পারি না। রাতে ভোল্টেজ কম থাকায় ফ্যানও ঘুরতে চায় না। একে তো গরম, তার ওপর লোডশেডিংয়ে জীবন অতিষ্ঠ। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা পড়েছেন মহাবিপদে।’

এই অবস্থায় এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত বিদ্যুতের লুকোচুরি বন্ধ করে যেন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে কর্তৃপক্ষ।

নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কেন্দুয়া জোনাল অফিসের এজিএম এহসানুল হক বলেন, ‘কেন্দুয়া উপজেলায় দৈনিক মোট বিদ্যুৎ চাহিদা ২৮ মেগাওয়াট। আমরা পাচ্ছি মাত্র ৪-৫ মেগাওয়াট। জালানি সংকট ও দেশের অনেকগুলো বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ থাকার কারণেই এই বিদ্যুৎ সংকট। বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক হলে উপজেলাবাসীও স্বাভাবিকভাবেই বিদ্যুৎ পাবেন।’

শিক্ষকদের গাফিলতিতে পদে পদে ভোগান্তি এসএসসি পরীক্ষার্থীদের,…
  • ২১ মে ২০২৬
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াড থেকে বাদ ২০ খেলোয়াড়
  • ২১ মে ২০২৬
অফিসার নিয়োগ দেবে ব্র্যাক ব্যাংক, আবেদন স্নাতক পাসেই
  • ২১ মে ২০২৬
কারিগরি শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা প্রকাশ, দেখুন এখানে
  • ২১ মে ২০২৬
তিন দফা কমার পর বাড়লো সোনার দাম, এবার ভরি কত?
  • ২১ মে ২০২৬
বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ে মুখ খুললেন ব্রাজিল তারকা
  • ২১ মে ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
21 June, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081