নির্মাণের পর একযুগেও চালু হয়নি বাহুবল ট্রমা সেন্টার, মালামাল চুরির অভিযোগ

১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১০ PM
বাহুবল ট্রমা সেন্টার

বাহুবল ট্রমা সেন্টার © সংগৃহীত

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় তিন কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে নির্মিত ট্রমা সেন্টার এক যুগ পার হলেও এখনো চালু হয়নি। বরং ট্রমা সেন্টারের জন্য নির্মিত ভবনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অন্যান্য বিভাগের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সেইসাথে দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় ভেতরে থাকা কিছু যন্ত্রপাতি ও মালামাল চুরিরও অভিযোগ উঠেছে। তবে দুর্ঘটনাপ্রবণ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে দুর্ঘটনায় আহত রোগীদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসার জন্য নির্মিত এ সেন্টারের অচলাবস্থার জন্য স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ না হওয়ায় কেন্দ্রটি চালু করা যায়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালে গণপূর্ত বিভাগ প্রায় ৩ কোটি ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে বাহুবল অর্থোপেডিক্স হাসপাতাল ট্রমা সেন্টারের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে। তবে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ না হওয়ায় কেন্দ্রটি এখনো কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা গেছে, ট্রমা সেন্টারের জন্য নির্মিত ভবনে বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অন্যান্য বিভাগের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু দুর্ঘটনায় আহত রোগীদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়ার জন্য যে উদ্দেশ্যে কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়েছিল, তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, ঢাকা–সিলেট মহাসড়ক দেশের অন্যতম ব্যস্ত ও দুর্ঘটনাপ্রবণ সড়ক। বিশেষ করে মাধবপুর থেকে নবীগঞ্জের আউশকান্দি পর্যন্ত অংশে প্রায়ই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এসব দুর্ঘটনায় গুরুতর আহতদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার মতো কোনো বিশেষায়িত ট্রমা সেন্টার না থাকায় অনেক ক্ষেত্রেই রোগীদের ঢাকায় পাঠাতে হয়। এতে সময় নষ্ট হওয়ায় মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যায়। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় ট্রমা সেন্টারের ভেতরে থাকা কিছু যন্ত্রপাতি ও মালামাল চুরি হয়ে গেছে। পাশাপাশি যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভবনের বিভিন্ন অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

সচেতন মহলের দাবি, দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ান নিয়োগ এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহের মাধ্যমে ট্রমা সেন্টারটি চালু করা উচিত। এতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহেল মারুফ ফারুকী বলেন, ট্রমা সেন্টারটি স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে হস্তান্তরের পর প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের জন্য সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মাধ্যমে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পত্র পাঠানো হয়েছে। জনবল অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করা হলে ট্রমা সেন্টারটি চালু করা সম্ভব হবে।

হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস বলেন, প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও অন্যান্য জনবল পদায়ন এবং আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ না হওয়ায় ট্রমা সেন্টারটি এখনো চালু করা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

নতুন চেয়ারম্যান পাচ্ছে এনটিআরসিএ, আলোচনায় যারা
  • ১৮ জুলাই ২০২৬
সাপে কাটার পর ওঝার কাছে নিয়ে সময় নষ্ট, বাঁচানো গেল না রাকিব…
  • ১৮ জুলাই ২০২৬
মেসি-ইয়ামাল নয়, ফাইনালে জয় শুধু লা মাসিয়ার
  • ১৮ জুলাই ২০২৬
পাবনায় আওয়ামী লীগ নেতার গলাকাটা লাশ উদ্ধার
  • ১৮ জুলাই ২০২৬
শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব: আরাগচি 
  • ১৮ জুলাই ২০২৬
৩ বন্ধুর ডুব দিয়ে পুকুর ঘাট পেরোনোর প্রতিযোগিতা, দম ফুরিয়ে …
  • ১৮ জুলাই ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • JULY 26, 2026
  • Admission Test
  • AUGUST 01, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
FALL 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence