মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে এএসআই রুপনের আকস্মিক মৃত্যু

২৪ মার্চ ২০২৬, ০৯:১১ AM
এএসআই রুপন কান্তি দে

এএসআই রুপন কান্তি দে © টিডিসি ফটো

চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের মালিপাড়ায় মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই রুপন কান্তি দে (৫০) হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। সোমবার (২৩ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি এবং প্রাথমিকভাবে স্ট্রোকজনিত মৃত্যু বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হারবাং স্টেশন এলাকা থেকে জুনাইদ নামের এক মাদকসেবীকে আটক করেন হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোফাজ্জল হোসেন ও এএসআই রুপন কান্তি দে। আটক করার সময় এএসআই রুপন কান্তি দে ওই ব্যক্তির প্যান্টের বেল্ট ধরে রাখেন এবং এসআই মোফাজ্জল হোসেন তাকে নিয়ন্ত্রণে রাখেন।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, এ সময় এসআই মোফাজ্জল হোসেন মাদকসেবী জুনাইদকে কিলঘুষি মারছিলেন। একপর্যায়ে জুনাইদ এএসআই রুপন কান্তি দে’র পায়ে পড়ে দু’হাত দিয়ে পা ধরে বাঁচার আকুতি জানান। ওই অবস্থাতেও তার ওপর কিলঘুষি চলতে থাকে। পরে এএসআই রুপন কান্তি দে পাশের একটি চেয়ারে বসার আহ্বান জানালে জুনাইদ পা ছেড়ে দাঁড়ালে দাঁড়ানো অবস্থায় হঠাৎ তিনি ঢলে পড়ে যান।

ঢলে পড়ার পর এএসআই রুপন কান্তি দে বমি ও প্রস্রাব করেন বলে জানা যায়। এরপর অবস্থার অবনতি হলে উপস্থিত পুলিশ সদস্য, জুনাইদ এবং স্থানীয়রা তাকে দ্রুত একটি গাড়িতে তুলে বরইতলী রাস্তার মাথা মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রুপন কান্তি দে’কে হাসপাতালে নেওয়ার সময় একই গাড়িতে মাদকসেবী জুনাইদও ছিলেন। কিছুদূর যাওয়ার পর তিনি দৌড়ে গাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানা গেছে।

মা ও শিশু হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানান, ‘রোগীর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি এবং প্রাথমিকভাবে স্ট্রোকজনিত মৃত্যু বলে ধারণা করা হয়।’

পরে হাসপাতালের সিদ্ধান্তের পর হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা এএসআই রুপন কান্তি দে’র মরদেহ চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে রেকর্ডে উল্লেখ করা হয় যে, বিকেল ৫টার দিকে তিনি হঠাৎ ঢলে পড়েন এবং পরবর্তীতে বমি করেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাকে হাসপাতালে আনা হয়। তার অতীত রোগ ইতিহাসে স্ট্রোকের কথা উল্লেখ রয়েছে।

এ ঘটনায় এসআই মোফাজ্জল হোসেনকেও চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তার শরীরেও কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন এবং ধীরে ধীরে কথা বলতে পারছেন।

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনির হোসেন জানান, ‘প্রাথমিকভাবে এটি স্ট্রোকজনিত স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে ধরা হচ্ছে। হামলা বা সংঘর্ষের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।’

এএসআই রুপন কান্তি দে’র গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায়। ঘটনার পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ হাসপাতাল থেকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

এবার বাড়ল লঞ্চের ভাড়া
  • ০৬ মে ২০২৬
১-১২তম নিবন্ধনধারীদের নিয়ে যে পরিকল্পনা এনটিআরসিএর
  • ০৬ মে ২০২৬
‘শর্ত না মানলে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধই থাকবে’
  • ০৬ মে ২০২৬
সবার আগে বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণা উজবেকিস্তানের
  • ০৬ মে ২০২৬
কুবি ভিসির পদত্যাগসহ ৯ দফা দাবি ছাত্রদলের
  • ০৬ মে ২০২৬
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষে যে ১০ ভুল করা উচিত নয়
  • ০৬ মে ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SUMMER 2026
Application Deadline Wednesday, May 13, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9