অভিযুক্ত শহীদুল ইসলাম © সংগৃহীত
মানিকগঞ্জে কোচিং সেন্টারে বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েন শিক্ষক শহীদুল ইসলাম। এ ঘটনায় হরিরামপুর উপজেলার ঝিট্কা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক শহীদুল ইসলামকে দুই মাসের জন্য বরখাস্ত করা হয়েছে।
রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) তাকে বরখাস্ত করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কুমার সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১০ সেপ্টেম্বর সকালে ঝিটকা বাজারে নিজের কোচিং সেন্টারে বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েন শহীদুল ইসলাম। এ সময় ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের কথা স্বীকারও করেন তিনি। বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় ১৩ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ের সম্মানের পরিপন্থী বিভিন্ন অসামাজিক, অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশ প্রাপ্তির তিন কার্যদিবসের মধ্যে তাকে উপযুক্ত প্রমাণসহ কারণ দর্শাতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তার জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে দুই মাসের জন্য বরখাস্ত করেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক বলেন, নীতি-নৈতিকতাবিহীন এমন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত নয়, স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা উচিত। যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অপকর্ম করতে সাহস না পায়।
আরও পড়ুন: এটিইও নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৬১৪, ফল দেখুন এখানে
মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বিদ্যালয় থেকে বরখাস্তের কোনো চিঠি আমি এখনো পাইনি।’
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শ্যামল কুমার সরকার বলেন, ‘অসামাজিক ও অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়ায় শহীদুল ইসলামকে ১৩ সেপ্টেম্বর কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় তাকে দুই মাসের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্ত সময়ে তিনি বিদ্যালয় থেকে কোনো সুযোগ-সুবিধা পাবেন না।’
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নিগার সুলতানা চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখছি।’