কোটা ব্যবস্থা নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ায় আটকে আছে ৪০তম বিসিএসের সার্কুলার। বিলম্বের কারণে অনেক চাকরিপ্রার্থীর বয়সসীমা পার হয়ে যাচ্ছে। দ্রুত সার্কুলার না হলে তারা আবেদনের যোগ্যতা হারাবেন। ফলে হতাশ হয়ে পড়ছেন চাকরিপ্রার্থীরা।
সূত্র জানায়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সার্কুলার দেয়ার জন্য একটি চাহিদা পত্র সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) কাছে জমা দেয়। চাহিদা পত্রে দুই হাজারেরও বেশি পদে নিয়োগ দেয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু চাহিদা পত্র দেয়ার দেড় মাস পার হলেও সার্কুলার দেয়নি পিএসসি। এজন্য পিএসসি সংশ্লিষ্টরা কোটা ব্যবস্থার প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়াকে দায়ী করেন।
পিএসসি জানায়, কোটার বিষয়টি নিষ্পত্তি ছাড়া বিসিএসের নতুন সার্কুলার দিলে দুই ধরনের সমস্যা হতে পারে। একটি হচ্ছে- সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা ফের আন্দোলনে নামতে পারে। অপরটি কোন নীতির আলোকে প্রার্থী সুপারিশ করা হবে, সেটা সার্কুলার জারির সময়েই নির্ধারণ করতে হয়।
বর্তমানে যে ৪টি বিসিএসের কাজ চলছে, সেগুলো কোটা সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার আগেই সিদ্ধান্ত নেয়া। তাই প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর কোনো বিসিএসের সার্কুলার দিতে হলে আগেভাগেই কোটা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়া দরকার। এজন্যই পিএসসি প্রজ্ঞাপনের জন্য অপেক্ষা করছে।
পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, আমরা প্রতিবছরই একটি নতুন বিসিএসের সার্কুলার দেয়ার চেষ্টা করি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকেও সে অনুযায়ী চাহিদাপত্র দেয়া হয়। ৪০তম বিসিএসের চাহিদাপত্র পাওয়া গেছে। কিন্তু আরও কিছু তথ্য-উপাত্ত দরকার। সেগুলো চাওয়া হয়েছে। ওইসব তথ্য পাওয়া মাত্র সার্কুলার জারি করা হবে।
এদিকে, কোটার কারণে সার্কুলার দিতে বিলম্ব হলেও কোটা ব্যবস্থার প্রজ্ঞাপন জারিতে কোনো অগ্রগতি নেই। এ নিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে কমিটি গঠনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হলেও তা ফেরত দেয়া হয়।