জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছে: শ্বেতপত্র কমিটি

০৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ১১:২৭ AM , আপডেট: ১৯ জুলাই ২০২৫, ০৮:০৬ PM
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) © লোগো

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর অর্থনীতির পরিস্থিতি নিরূপণে শ্বেতপত্র কমিটি গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার। গত ১ ডিসেম্বর শ্বেতপত্র কমিটি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের কাছে প্রতিবেদন পেশ করেন। ওই প্রতিবেদনের ২১৪ পৃষ্ঠায় শিক্ষাখাতের পরিস্থিতি বর্ণনা করা হয়েছে। সেখানে শিক্ষাখাতের পরিস্থিতি নিয়ে একটি পয়েন্টে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছে বলে উল্লেখ করেছে শ্বেতপত্র কমিটি। 

গত দেড় দশকে বেশকয়েকবার পাঠ্যক্রমে পরিবর্তন এনেছেন পতিত আওয়ামী লীগ সরকার। রাজনৈতিক স্বার্থ আদায় এবং পাঠাপুস্তক প্রকাশের নামে বৃহৎ পরিমাণে টাকা পকেটস্থ করাই মূল লক্ষ্য ছিল বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা। 

শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, ‘গত দেড় দশক ধরে স্কুলের পাঠ্যক্রম ও মান অনুসরণ নিয়ে বিতর্ক চলছে। শিক্ষা খাত নিয়ে দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে কথা বলে আসছেন। ২০১০ সালের প্রথমার্ধে, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ‘সৃজনশীল’ পদ্ধতি চালু করে এবং সে অনুযায়ী সিলেবাস পরিবর্তন করে। এর পরে আবার ২০২২ সালে এনসিটিবি ‘অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষা’ বাস্তবায়নে আরো একটি নতুন পদ্ধতি নিয়ে আসে, যা সারা দেশ থেকে প্রচুর বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরী হয়।’ 

প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি এনসিটিবি ২০২২ সালের পূর্বের সিলেবাসে ফিরে এসেছে। এর পুরো প্রক্রিয়াটি বই প্রকাশ এবং ক্লাসের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়ার সাথে সম্পৃক্ত। যা অত্যন্ত রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। 

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের একটি সমীক্ষা উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘দেখা গেছে যে এনসিটিবি কর্মকর্তারা কেবল বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রকাশ ও বিতরণে অনিয়মের সাথে জড়িত নয়, তারা রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক চাপের কারণে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকের কিছু বিষয়বস্তু যথেচ্ছভাবে পরিবর্তন করেছে। এনসিটিবি (প্রাথমিক ও মাধ্যমিক) বই ছাপানোর জন্য গড়ে প্রতি বছর প্রায় ১৪০০ কোটি টাকা ব্যয় করে এবং ছাপার গুণমাণে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।’

এছাড়া ২০২২ সালে এনসিটিবি দ্বারা প্রবর্তিত ‘অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষা’ পাঠ্যক্রমে বছরের চূড়ান্ত স্কোর ভিত্তিক মূল্যায়ন না থাকা; প্রবর্তিত পাঠ্যক্রম অনুযায়ী শিক্ষক শিক্ষার্থীর অনুপাত, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং বিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামো এ ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালনার অনুকূলে না থাকা মূল চ্যালেঞ্জ হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইরান যুদ্ধ: বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ক্ষতি ৫০ বিলিয়ন ডলারের বে…
  • ২২ মার্চ ২০২৬
ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ঢাকা ছাড়ছে মানুষ, ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়…
  • ২২ মার্চ ২০২৬
পিএসএলে দল পেলেন প্রোটিয়া তারকা
  • ২২ মার্চ ২০২৬
হাদি হত্যা মামলা: সীমান্ত দালাল ফিলিপ সাংমা ১৪ দিনের জেল হে…
  • ২২ মার্চ ২০২৬
৫ ঘণ্টা পর রেললাইন থেকে সরানো হলো বাস, ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক
  • ২২ মার্চ ২০২৬
ফিতরার নামে ভোটারদের টাকা দেওয়ার অভিযোগ, আটক ২ জামায়াতকর্মী
  • ২২ মার্চ ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • April 1, 2026
  • Admission Test
  • April 4, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
SUMMER 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence