সরকারি ৬ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি, মুচলেকা দিয়ে মিলল মুক্তি

০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:২১ PM , আপডেট: ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:২৫ PM
সরকারি ৬ ব্যাংক

সরকারি ৬ ব্যাংক © সংগৃহীত

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সরকারি ৬ ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে গিয়ে কেন্দ্র পরিদর্শকের হাতে ধরা পড়েন সাদ্দাম হোসেন। গতকাল শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় মতিঝিল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে মাজহারুল ইসলাম নামে আরেক পরীক্ষার্থীর হয়ে প্রক্সি দিতে এসে ধরা পড়েন তিনি।

সাদ্দাম হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে ২০১৮ সালে স্নাতক ও ২০১৯ সালে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। তার বাড়ি পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার দক্ষিণ তোড়িয়া গ্রামে।

এছাড়া মাজহারুল ইসলাম একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগ থেকে ২০১৫ সালে স্নাতক ও ২০১৬ সালে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। তার বাড়ি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সত্যের কান্দা গ্রামে।

জানা যায়, পরীক্ষার্থীদের স্বাক্ষর যাচাইকালে আবেদনকালীন স্বাক্ষর এবং উপস্থিতি শিটের স্বাক্ষরের মাঝে অমিল খুঁজে পাওয়ায় তাকে ধরেন কেন্দ্র পরিদর্শক। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পরিদর্শকরা কেন্দ্রের ম্যাজিস্ট্রেটের শরণাপন্ন হলে সেখানে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রক্সি দেয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন সাদ্দাম।

এ ধরনের ঘটনায় সাধারণরত সর্বোচ্চ দুই বছরের জেল, অর্থদণ্ড, সরকারি চাকরিতে নিষিদ্ধসহ বিভিন্ন শাস্তি হয়। তবে তার বিরুদ্ধে সে রকম কোন ব্যবস্থা না নিয়ে কেবলমাত্র মুচলেকার ভিত্তিতে তাকে মুক্তি দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট।

মুচলেকায় সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘শনিবার ক্যাশ অফিসার পরীক্ষায় আমি একটি গর্হিত অপরাধ করেছি। আমি এই অপরাধ অনুধাবন করতে পেরেছি এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুল আর কখনও করব না। না হলে আইন আমলে আসবে।’

জানা যায়, সরকারি ৬ ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার নিয়োগ পরীক্ষায় ঢাকার ২৭টি কেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা পরিচালনার জন্য মোট ৫ জন ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দেয়া হয়। মতিঝিল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়সহ ৬টি কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ডালিয়া নওশিন লুবনা।

গণমাধ্যমকে তিনি জানান, মুচলেকা নিয়ে সাদ্দাম হোসেনকে ছেড়ে দেয়ার ঘটনাটি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।

পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, একটি অসাধু চক্র অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে চাকরি পাইয়ে দিতে টাকার বিনিময়ে গোপন চুক্তি করে তা বাস্তবায়নে নানান পদ্ধতি অবলম্বন করছে। চুক্তির ভিত্তিতে প্রক্সি, প্রশ্ন ফাঁস কিংবা ডিভাইসের মাধ্যমে পরীক্ষায় পাশ করানোর দায়িত্ব নেয় তারা। এ ধরনের ঘটনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনেক কঠোর। তবে তারা শাস্তি দিতে পারে না।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়, সরকারি কর্ম কমিশন আইন অনুযায়ী কেউ প্রক্সি দিতে গিয়ে ধরা পড়লে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাকে অর্থদণ্ড, দুই বছরের জেল কিংবা উভয় দণ্ড দণ্ডিত করতে পারেন। তিনি বলেন, এরপরেও কেন তাকে (সাদ্দাম হোসেন) এভাবে ছেড়ে দেয়া হয়েছে, তা বোধগম্য নয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে বলেন, এ ধরনের ঘটনা ধরা পড়লে দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে তুলে দেওয়া হয়।

ইরাকে বিধ্বস্ত মার্কিন বিমানটিতে ছিল না ইজেকশন সিট
  • ১৪ মার্চ ২০২৬
বর-কনেসহ ১৪ জন নিহতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন
  • ১৪ মার্চ ২০২৬
ট্রেনে ঈদ যাত্রা : আজ বিক্রি হচ্ছে ২৪ মার্চের ফিরতি টিকিট
  • ১৪ মার্চ ২০২৬
বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি নেবে মেটা
  • ১৪ মার্চ ২০২৬
আজ সকাল থেকে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকবে না দুই জেলায়
  • ১৪ মার্চ ২০২৬
গাইবান্ধায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, একজন গ্রেপ্তার
  • ১৪ মার্চ ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
22 April, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081